তৃষ্ণার্ত মানুষের মধ্যে সুপেয় পানি, স্যালাইন বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চত্ত্বরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মীরসরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে তৃষ্ণার্ত মানুষের মাঝে বোতলজাত পানি (মিনালের ওয়াটার) ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভাস্থ পুলিশ বক্স এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চত্ত্বরে সাধারণ মানুষের হাতে বিশুদ্ধ পানি তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মীরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম।এতে তৃষ্ণার্ত রিক্সা-ভ্যান, অটোরিক্সা ও সিএনজি চালক এবং পথচারীসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের মধ্যে নিরাপদ ও সুপেয় পানি এবং খাওয়ার স্যালাইন পানি বিতরণ করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন জোরারগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল হারুন, জোরারগঞ্জ থানার হাইওয়ে থানার ওসি সোহেল সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক ও ব্লাক আই সম্পাদক আবু সুফিয়ান চৌধুরী, মীরসরাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি নয়ন কান্তি ধুম, সহ-সভাপতি রাজিব মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক নিজামী, যুগ্ন সম্পাদক, বাবলু দে ও ইমাম হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনার সম্পাদক অজয় কুমার দাশ, নির্বাহী সদস্য জুয়েল নাগ, সদস্য কমল পাটোয়ারী ও রবি করিম প্রমুখ। এ সময় মীরসরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নয়ন কান্তি ধুম বলেন, তাপপ্রবাহের তীব্র গরমে খেটে খাওয়া শ্রমিক, সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। মীরসরাই উপজেলা প্রেস ক্লাব সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় তৃষ্ণার্ত মানুষদের তৃষ্ণা নিবারণে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মীরসরাই সার্কেল এর সহকারী পুলিশ মনিরুল ইসলাম বলেন, মীরসরাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের এই মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তীব্র তাপদাহের এই সময়ে মানুষের জন্য কিছু করতে পারাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আমরা মানবিক কাজে সবসময় পাশে আছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আদালতে মামলা দায়েরের আগেই নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা (প্রি-কেইস মেডিয়েশন) কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. আসাদুজ্জামান।

ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ২১(খ) ধারার আওতায় প্রাথমিকভাবে ঠাকুরগাঁওসহ দেশের ১০টি জেলায় বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে মামলা দায়েরের আগে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি হলে বিচারপ্রার্থীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে আদালতে নতুন মামলা দায়েরের প্রবণতা কমে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

তিনি বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের তফসিলভুক্ত সাত ধরনের বিরোধে ইতোমধ্যে প্রকল্পভুক্ত ২০টি জেলায় স্পেশাল মেডিয়েটরের মাধ্যমে পরিচালিত মধ্যস্থতা কার্যক্রমে আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে। পারিবারিক আদালত, বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, বণ্টন, অগ্রক্রয়, পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও যৌতুকসংক্রান্ত বিরোধে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চার মাসে ১১ হাজার ২৮০টি মামলা দায়ের হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৮৪টিতে। নতুন মামলা দায়েরের হার ৬২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কমেছে, যা বিচারব্যবস্থায় মামলার জট কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হবে। এ উদ্যোগ সফল করতে বিচারক, আইনজীবী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিচারপ্রার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) মজনু মিয়া বলেন, বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থীদের জন্য একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। মামলা আদালতে গড়ানোর আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি আদালতের মামলার চাপও কমবে।তিনি আরও বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিস এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

অনুষ্ঠানে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. লুৎফর রহমান, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল বারী, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সাদিয়া আফরিনা রীমা, সিনিয়র সহকারী জজ (সদর) সুব্রত মল্লিক, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান, সিভিল জজ মাহমুদুল ইসলাম মুন্না, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ, লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. মাহবুবের রহমান শামীম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. মাহবুবের রহমান শামীম সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দুর্নীতির সঙ্গে কোনো ধরনের আপস না করার ঘোষণা দেন। একই সাথে প্রায় ৩৭ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের আরও কাছাকাছি থেকে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা জানান।

সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।এর আগে রোববার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন মাহবুবের রহমান শামীম। পরিচিতি সভায় তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করাই হবে জেলা পরিষদের প্রধান লক্ষ্য। তাই সবাইকে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

পরিচিতি সভায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলাম, নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার ইখতেখার উদ্দীন আরফাত, ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মো. এসএম খালেদ উদ্দীন জামান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আনিছ উদ্দীন ভূঞাসহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। শামীম বলেন, অতীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির সংস্কৃতি ছিল। আমরা চাই সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে সততা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে জেলা পরিষদ পরিচালনা করতে। কাজের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে আমি আপস করবো না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জনগণের আরও কাছাকাছি গিয়ে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই। জেলা পরিষদের প্রতিটি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা কামনা করে নবনিযুক্ত প্রশাসক বলেন, আমি এখানে নতুন হলেও আপনারা অভিজ্ঞ। তাই আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই। কোনো সমস্যা বা প্রয়োজন হলে সরাসরি আমার সঙ্গে কথা বলবেন। কাজের পরিবেশ এমন হবে, যাতে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

জেলা পরিষদের সীমিত বাজেটের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ভবিষ্যতে জেলা পরিষদের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ