আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

অসহায় নারী জান্নাতুন নেছা থানায় অভিযোগ করেও পাচ্ছেন না প্রতিকার।

বিবাদমান জমিতে বহুতল ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিবাদমান জমিতে বহুতল ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। সম্পত্তির মালিকানা দাবি করা ভুক্তভোগী স্বামীহারা অসহায় নারী জান্নাতুন নেছা থানায় অভিযোগ করেও পাচ্ছেন না প্রতিকার।জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার ছনপাড়া হইতে এসিয়ান হাইওয়ে প্রধান সড়কের কাঞ্চন মৌজাভুক্ত আর.এস ৮৪৬ দাগে ১২ শতক ,আর,এস ৮৪৯ দাগে ২৪ শতক ,আর, এস – ৮৪৭ দাগে ৭ শতক একুনে তিনটি দাগে মোট ৪৩ শতক সম্পত্তি হইতে আব্দুল গণি মিয়া শরীকানাসূত্রে প্রাপ্ত হন জমির মধ্যে তিন শতক ৪৫ পয়েন্ট । জোর পূর্বক দুই ভাই পাঁচ বোনের প্যাপ্ত সম্পত্তি বুঝাইয়া না দিয়ে বুক দখল করিয়া আসতেছে । এমতাবস্থায় উক্ত সম্পত্তি নিয়ে নারায়নগঞ্জ বিজ্ঞ রূপগঞ্জ সহকারী জজ ,আদালত নারায়নগঞ্জের দেওয়ানী মোকদ্দমা নং -২১৬/২০১৫ চলমান আছে । মামলার রায়ে আদালত সকল স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। নালিসি জমি হস্তান্তর ও কোনো প্রকার ইমারত তৈরি না করতে ‘স্ট্যাটাসকো’ নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করেন। কিন্তু ঐ ‘স্ট্যাটাসকো’ আদেশ উপক্ষো করে প্রভাবশালী আব্দুল গণি মিয়া প্রভাব খাটিয়ে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। হাইকোর্টের আদেশের কপিসহ লিখিতভাবে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার মিলছে না বলে ভুক্তোভোগী নারীর অভিযোগ।
  1. অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল গণি মিয়া , তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি ভিত্তিহীন। নিয়ম অনুসরণ করেই ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
    ভোলাবো ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ রেজাউল জানান, হাইকোর্টে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আদেশ বাস্তবায়নে আদালতের বিচারক পুলিশকে কোনো নির্দেশনা দেননি। এছাড়া জমি-জায়গা বিষয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই বলে জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে ডিজেল-জেট ফুয়েল নিয়ে আসা ৩ জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশিয়া থেকে দুটি জাহাজে করে ডিজেল এবং সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এসেছে। এর মধ্যে এমটি গ্রেট প্রিন্সেস নামে জাহাজটি গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ডলফিন জেটি-৬-এ জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল নিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে।বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় জ্বালানি খালাস চলছে এবং বুধবার দুপুরে এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভিড়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতাজনিত সমস্যা থাকায় বড় জাহাজ প্রথমে বহির্নোঙরে পৌঁছে কিছু তেল খালাস করে৷ পরে বাকিগুলো জেটিতে ভেড়ানোর পর খালাস করা হয়।
বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, ডেনমার্কের পতাকাবাহী এমটি টর্ম দামিনি জাহাজটি প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে মঙ্গলবার রাত থেকে বহির্নোঙরে জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি বুধবার ডলফিন জেটি-৬-এ পৌঁছেছে। জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছিল বলে তিনি জানান।

বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করে।অনুমোদিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসার।

এছাড়া স্থানীয় ক্রীড়াবিদ হেলাল উদ্দীন টিপুকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ক্রীড়া সংগঠক হাজি আবু আকতার।
নবগঠিত এ কমিটির মাধ্যমে বোয়ালখালী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ