আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

১২শিক্ষক পাশ করাতে পারেনি ২ পরীক্ষার্থীকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ডিমলা নিলফামারী:

নিলফামারী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নীলফামারীর ডিমলায় শেখ জিলাতুন্নেছা মুজিব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী। ১২ জন শিক্ষকের এ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় মাত্র দুজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তারাও অকৃতকার্য হয়েছেন।
রবিবার (১২ মে) চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে ওই বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস না করায় সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে উপজেলা জুড়ে। এ ছাড়া দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা পড়েছেন হতাশায়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে উপজেলা সদরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার সময় থেকে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার আবেদন করলেও সম্ভব হয়নি। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নামে প্রতিষ্ঠানটি হওয়ায় সরকারিকরণের জন্য ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমোদন পায়। যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে প্রধান শিক্ষকসহ ১২ জন শিক্ষক এবং তিনজন কর্মচারী রয়েছে। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠানটি একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা জানাতে পারিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।
সোমবার (১৩ মে) সকাল ১১টায় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানের সব কক্ষ তালাবদ্ধ। দীর্ঘদিনেও খোলা হয়নি অফিস কক্ষসহ শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা। মাঠে চরে বেড়াচ্ছে গরু-ছাগল। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকে। হঠাৎ কোনো সময় ২/১ জন শিক্ষক-কর্মচারী আসলেও কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে প্রতিষ্ঠানে আসতে দেখিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্তার হাবীবের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হালিম বলেন, কোথায় থেকে নিয়ে এসে কাকে কীভাবে পরীক্ষা দিয়েছে ওরাই ভালো জানে। অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি ওরাই স্পষ্ট করবে ।
নীলফামারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন ঃ চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন। যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬”-এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান।

এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।উল্লেখ্য, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ