রেজাউল করিম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেজাউল করিম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়রাম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপ সচিব মো. রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। তিনি শিক্ষাবোর্ডের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করা নারায়ণ চন্দ্র নাথের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা রেজাউল করিমকে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে পদায়ন করা হল।এর আগে রেজাউল করিম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট ও রং মেশানো চানাচুর বিক্রি চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল ৩ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট ও রং মেশানো চানাচুর বিক্রি, নকল চাল বাজারজাত এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করাসহ বিভিন্ন অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী বাজারে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ জরিমানা করা হয়।
অভিযানে এ বি এম ফুডকে মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট ও রং মেশানো চানাচুর বিক্রির দায়ে আট হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হাজী শফিউল বশর নামের প্রতিষ্ঠানকে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া মেঘনা স্টোরকে নামবিহীন প্যাকেটে নকল চাল বিক্রি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।বাজারে ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার ইঙ্গিত চুয়েট ভিসির

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তিনি পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে তাকে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দেওয়ার খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে হাসপাতাল থেকে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান তিনি।এর আগে বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
উপাচার্য জানান, দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় তিনি ও তার সঙ্গে থাকা আরও ১০ জনের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। তাদের মধ্যে দুজন অ্যালামনাই সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সরকারি চিকিৎসক ও সিভিল সার্জনের পরামর্শে তাকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে তিনি জানান, সরকার আমাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে।
এদিকে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে অসত্য দাবি করে একটি বিবৃতি দিয়েছে উপাচার্য। এ প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমি পদত্যাগ করেছি এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে পদার্পণ করব না, এ রকম কোনো বক্তব্য আমি দিইনি। যখন আমাকে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তখন আমার কথা বলার মতো পরিস্থিতি ছিল না।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসে যান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় উপাচার্যসহ অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের বের করে আনা হয়।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণবের দাবি, ‘ভিসি হিসেবে এই চুয়েট ক্যাম্পাসে তিনি আর কখনো ফিরে আসবে না’ এই শর্তে জেলা প্রশাসক উপাচার্যকে নিয়ে গেছেন।
এদিকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মচারী সমিতির সদস্যরা।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ