আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে রেলসেতুতে নাট-বল্টুর বদলে বাঁশের কঞ্চি

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রডের পরিবর্তে বিভিন্ন স্থাপনায় বাঁশের ব্যবহারের কথা প্রায় শোনা গেলেও এবার রেলসেতুর স্লিপার ক্লিপে নাট-বল্টুর বদলে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া বাগানের জানকি ছড়া এলাকায় ১৫৩নং রেলসেতু কাঠের অর্ধেক স্লিপার নষ্ট হয়ে গেছে। আর নষ্ট হওয়া স্লিপারের লোহার ক্লিপে নাট-বল্টুর বদলে দেওয়া হয়েছে বাঁশের কঞ্চি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে এমন চিত্র।

আজ বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, কোথাও কোথাও ক্লিপগুলো উঠে যাচ্ছে। এছাড়া অনেক স্লিপারে নাট-বল্টু নেই। আবার কোথাও কোথাও দেখা গেছে বাঁশের কঞ্চি। সেতুর আশপাশের লাইনেও অনেকগুলো ক্লিপ নেই। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে রেল।

শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার উত্তরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সন্নিকটে খালের উপর নির্মিত ঢাকা-সিলেট- চট্টগ্রাম রেলপথে ১৫৩ নং রেলসেতু। ব্রিটিশ সরকারের করা ব্রিজটির পাশাপাশি বর্তমান সরকার শেষবার মেরামত করে ২০১৯ সালে।

১৫৩ নং রেলসেতুর মধ্যে কাঠের ওপর স্লিপার রয়েছে। সেই স্লিপার আটকানো লোহার ক্লিপ থাকলেও পাশাপাশি পুরাতন ব্রিজের অনেকাংশেই লোহার ক্লিপের পরিবর্তে লাগানো হয়েছে বাঁশের কঞ্চি।

এ সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী নিয়ে সিলেট -চট্টগ্রাম-ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রেন যাতায়াত করে। পাশাপাশি মেঘনা, পদ্মা,যমুনা তেলের ডিপোর জন্য ভারী মালবাহী ট্রেন এই সেতুর ওপর দিয়ে যাওয়া-আসা করে থাকে।

ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা চা শ্রমিক সন্তান বুধুম সরকার ও নাট্য কর্মী জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি এই রাস্তা দিয়ে আমি প্রতিদিন হাঁটতে আসা যাওয়া করি বেশ কিছুদিন ধরে এই সেতুতে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করে আসছে এবং ছোট্ট একটি সেতুতে ২৭ টি নাট বল্টু নেই, বাঁশের ব্যবহারে চালিয়ে নিচ্ছে এমন ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল।

এবিষয়ে শ্রীমঙ্গল পার্মানেন্ট ওয়ে ইন্সপেক্টরের (পিডব্লিউআই) গুলজার বলেন, আমার জানা মত রেল লাইনে বাঁশের ব্যবহার কখনো হবার কথা না। আর বাঁশ দিয়ে তো কখনো সম্ভব ও নয়। তার পর ও দেখছি অবহিত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ বলে তিনি রেখে দেয়।
এবিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু তালেব এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি এবিষয়ে স্টেশন মাস্টারকে অবহিত করেছি ও আগামীকাল আইনশৃঙ্খলা মিটিং তখন এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার করা বলবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ