আজঃ বুধবার ১৩ মে, ২০২৬

উপজেলা নির্বাচনের ২য় ধাপে ১১৬ কোটিপতি প্রার্থী: টিআইবি

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ২য় ধাপে ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী। এই ধাপে অংশ নিতে যাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৫৭ শতাংশের বেশি প্রার্থী পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ করেছেন বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবি আরও জানায়, ২য় ধাপে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৭০ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ প্রার্থী ব্যবসায়ী।
আগামী ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠেয় ১৬০ উপজেলায় নির্বাচনে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আজ ১৯ মে রবিবার ধানমন্ডিতে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০২৪ (২য় ধাপ)-এ অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ ও টিআইবির পর্যবেক্ষণ প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। টিআইবি জানায়, ১ম ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ৭০ শতাংশ ব্যবসায়ী, ৬৭ শতাংশ ভাইস চেয়ারম্যান এবং ২৪ শতাংশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ব্যবসায়ী ছিলেন।
এছাড়া চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে কোটিপতি রয়েছেন ১০৫ জন। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তুলনায় এবার কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে। চেয়ারম্যান ছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে আট জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। সব পদে মোট কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা ১১৬ জন। কোটিপতির হিসাব করা হয়েছে অস্থাবর সম্পদের ভিত্তিতে। টিআইবি জানায়, জমির মতো স্থাবর সম্পদকে মানদণ্ড হিসেবে আনা হয়নি কারণ এগুলোর মূল্য নির্ধারণ করা কঠিন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ২য় ধাপে ১৬০টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন থেকে ১৫৭টি উপজেলার প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য পাওয়া গেছে, এই ১৫৭টি উপজেলার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫৯৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৮৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫২৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। টিআইবির বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২য় ধাপে ৭০ দশমিক ৫১ শতাংশ চেয়ারম্যান প্রার্থী নিজেদের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ২য় সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ পেশা কৃষি দেখিয়েছে। ৩য় ও ৪র্থ স্থানে রয়েছেন আইনজীবী (৪ দশমিক ১৭ শতাংশ) ও শিক্ষক (৪ দশমিক ১৭ শতাংশ)। একইভাবে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রায় ৬৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ প্রার্থী নিজেদের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ৫২ শতাংশ নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নিজেকে গৃহিণী হিসেবে দেখিয়েছেন। ২য় সর্বোচ্চ ২৯ শতাংশ ব্যবসায়ী বলেছেন। এর পরের অবস্থানে রয়েছেন শিক্ষক ও কৃষক। টিআইবি বলছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ক্রমেই বাড়ছে ব্যবসায়ী প্রার্থীদের সংখ্যা। ২০১৪ সালের ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তুলনায় ব্যবসায়ী প্রার্থীর সংখ্যা ৮ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে গৃহিণী/গৃহকর্মী, কৃষিবিদ ও শিক্ষক প্রার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমছে।
টিআইবির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ক্ষমতায় থাকাকালীন আয় ও সম্পদ দ্রুত বৃদ্ধির প্রবণতা স্পষ্ট। শুধু ভোটাররাই নয়, তাদের স্ত্রী এবং নির্ভরশীলদের আয় ও সম্পদও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। যারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছেন তাদের আয় ও সম্পদ বেশি থাকারও একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা গেছে। এর আগে ১ম ধাপে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের প্রায় ৭০ শতাংশই ছিলেন ব্যবসায়ী। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে কোটিপতি ছিলেন ৯৪ জন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রমেশ শীলের নামে কমপ্লেক্সের পাশাপাশি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা সাংসদ এরশাদ উল্লাহর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে “একুশে পদকপ্রাপ্ত” উপমহাদেশের প্রখ্যাত কবিয়াল রমেশ শীলের ১৪৯তম জন্ম উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে লোকসংস্কৃতি, স্মৃতিচারণ ও উন্নয়ন প্রতিশ্রুতিতে মুখর ছিল সমাধিস্থল প্রাঙ্গণ। রোববার (১০ মে) রাতে দ্বিতীয় দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ বলেন, “রমেশ শীল আজ থেকে ১৪৯ বছর আগে মৃত্যুবরণ করলেও তিনি আজও আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তিনি অমর হয়ে আছেন।যে আধ্যাত্মিক চেতনা রমেশ শীলের মনের মধ্যে জাগ্রত ছিল, সে চেতনার মাধ্যমে তাঁর গান ও ছন্দ তিনি মানুষের জন্য রেখে গেছেন।” তিনি আরও বলেন, বাংলার লোকসংস্কৃতি সমৃদ্ধ করতে রমেশ শীলের অবদান অনন্য। বোয়ালখালীকে তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে শুধু বাংলাদেশ নয়, উপমহাদেশের মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিয়েছেন।

রমেশ কমপ্লেক্স বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরশেদ খান যে জায়গাটি নির্ধারণ করেছিলেন সেটি অর্পিত সম্পত্তি হওয়ায় কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সমন্বয় করে তা সমাধানের চেষ্টা চলছে। জটিলতা না কাটলে সরকারি খাস জমিতে কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।এ সময় তিনি রমেশ শীলের নামে একটি লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান। পাশাপাশি বলেন, রমেশ শীলের কর্মকাণ্ড সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনার বিষয়ে সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতাই রায়ের কাছে কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্ট এর পক্ষ থেকে আবেদন করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “গুণী মানুষের স্মৃতিকে অম্লান করা আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। রমেশ শীল মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি গণমানুষের কবি। তাঁর জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।”এছাড়া তিনি এলাকাবাসীকে রমেশ শীলের স্মৃতি সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
রমেশ শীল স্মৃতি ট্রাস্ট এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মানস চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং ট্রাস্টের সদস্য শিক্ষক, সাংবাদিক প্রলয় চৌধুরী মুক্তির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান বক্তা ছিলেন শাহেনশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এ ওয়াই এমডি জাফর। তিনি বলেন, রমেশ শীল ছিলেন লোকজ সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যাঁর গান ও কবিতা আজও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন রমেশ শীল স্মৃতি ট্রাস্ট এর কোষাধ্যক্ষ কাজল শীল। মহান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অদুল-অনিতা ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান শ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী।বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক চেয়ারম্যান আজিজুল হক, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান সুজন, বোয়ালখালী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন শীল, সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও বোয়ালখালী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান।আয়োজকরা জানান, রমেশ শীলের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা হচ্ছে।দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে আলোচনা, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।

এলাকার ভাগ্য উন্নয়নে নিজের জীবন দিয়ে হলেও তা পূরণ করবো-এমপি রুমা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার চাটমোহর উপজেলার পৌর সভার ঐতিহাসিক বালুচর খেলার মাঠ প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার ১২ মে সন্ধ্যায় তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এডঃ আরিফা সুলতানা রুমা উক্ত কথাগুলি বলেন।

পাবনা – সিরাজগঞ্জের সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকায় এসে উষ্ণ সংবর্ধনায় সিক্ত হয়েছেন ৩৩০,পাবনা-সিরাজগঞ্জ সংরক্ষিত মহিলা আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এডঃ আরিফা সুলতানা রুমা।

চাটমোহর পৌরসভার ঐতিহাসিক বালুচর খেলার মাঠ প্রাঙ্গণে চাটমহর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্দ্যোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এডঃ আরিফা সুলতানা রুমা কে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পাবনা-সিরাজগঞ্জের সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য মাননীয় এডঃ আরিফা সুলতানা রুমা বলেন, “আমি আপনাদের পাবনা – সিরাজগঞ্জ দুই জেলারই মেয়ে।
আপনাদের সাথে থেকে আপনাদের জন্য নিজের জীবন দিয়ে সবার ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে চাই। দীর্ঘ সময় ধরে আমি ৭০,পাবনা-৩ এলাকার উন্নয়নের সকল অবহেলা কাজ আমি কাছ থেকে দেখেছি।
কোথায় কোথায় কি কি সমস্যা আছে, অবশ্যই আপনারা আমাকে নির্দ্বিধায় বলবেন। আমি আমার জীবন দিয়ে হলেও এই এলাকার উন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে কাজ করে যাবো।”

তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সকলের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আরো এগিয়ে যেতে চাই।
এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করব।”

মঙ্গলবার ১২ মে বিকেল প্রায় ৫টার দিকে ঢাকা থেকে সড়কপথে চাটমোহর এর কাছিকাটা এলাকায় পৌঁছালে হাজার হাজার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে সিক্ত করেন।

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় পৌঁছে তিনি প্রথমে আফ্রাতপাড়া কবরস্থানে গিয়ে তার পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করেন।উল্লেখ্য, এডঃ আরিফা সুলতানা রুমা চাটমোহর পৌরসভার আফ্রাতপাড়া মহল্লার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মরহুম আলহাজ আক্কাস আলীর কন্যা।

চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালুর সঞ্চালনায় সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জিয়ারুল হক সিন্টু, সাবেক ভিপি সেলিম রেজা, বিএনপি নেতা রবিউল করিম তারেক, অধ্যক্ষ এম এ মাহমুদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফুলচাঁদ হোসেন শামীম, যুগ্ম আহ্বায়ক জান্নাতুল নাঈম জুঁই সহ ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর উপজেলার বিএনপি ও পৌর বিএনপি অনেক নেতাকর্মীরা।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ