আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

ঘুর্ণিঝড় রেমাল তান্ডবে লন্ডভন্ড শরণখোলা, পরিদর্শনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক

মোঃ শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা বাগেরহাটঃ

বাগেরহাট:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় গত ২৬ শে মে আঘাত হানে ঘুর্ণিঝড় রেমাল। ঘুর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যায় বাগেরহাটের উপকুলীয় এ উপজেলাটি। গত ২৫ শে মে বিকেল থেকে একটানা চলতে থাকে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করে উপকূলে বসবাসরত হাজার হাজার মানুষ। ঘুর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডবে শরণখোলা উপজেলার খুড়িয়াখালী গ্রামের বেড়ীবাঁধ, বগী এলাকার বেড়িবাঁধ ও রাজৈর এলাকার বেড়িবাঁধ ছুটে লোকালয়ে প্রবেশ করে। এতে বিপাকে পড়ে জনজীবন। স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় অতিরিক্ত ৫ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে যায় নদীর উপকুলে বসবাসরত মানুষের বাড়ীঘর ও মাছের ঘের। আবহাওয়া অনুকুলে আসলে এলাকার মানুষের খোজ খবর নিতে ছুটে আসেন বাগেরহাট -০৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ খালিদ হোসেন ও বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবুল হাসনাত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দীন শান্ত, ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ, শরণখোলা থানা অফিসার ইনচার্জ এ এইচ এম কামরুজ্জামান, সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন রাজিবসহ বিভিন্ন এনজিও কর্মী ও রাজনৈতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ খালিদ হোসেন বলেন, ঘুর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডবে বিশেষ করে সাউথখালী ইউনিয়ন বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ইতোমধ্যেই ত্রান সহায়তা পৌছানোর কার্যক্রম চলছে। ক্ষতির হিসেব বিবেচনায় সবাইকে সরকারি সহায়তা প্রদান করার কথা বলেন।
বাগেরহাট-০৪ আসনের সংসদ সদস্য এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ বলেন, ঘুর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডব কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। এলাকার মানুষের প্রায় ঘরগুলোই বিপর্যস্ত হয়েছে। আমি ইতোমধ্যেই ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি। এলাকায় বেশ কিছু জায়গায় বেড়ীবাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সেগুলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে দ্রুত ঠিক করার কথা বলেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ