আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে তিন মাদক কারবারির যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ৪ বছর আগে ১ লাখ ৪৬ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার মামলায় তিন মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে একটি আদালত।দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মোহাম্মাদ ইব্রাহীম, জাহেদ হোসাইন ও মাহমুদুল হক। মোহাম্মাদ ইব্রাহীম ও জাহেদ হোসাইন আগে থেকে হাজতে ছিলেন। মাহমুদুল হক জামিনে ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় সবাই আদালতে হাজির ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডিতদের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায়।
গতকাল বুধবার ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়াই ঐ মাদক কারবাররি বিরুদ্ধে সাজার আদেশ দেন চট্টগ্রাম ৭ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আ স ম শহিদুল্লাহ কায়সার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল যোগে ইয়াবা পাচারকালে পুলিশের অভিযানে ১ লাখ ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার হন আসামি মোহাম্মাদ ইব্রাহীম, জাহেদ হোসাইন ও মাহমুদুল হক।এ ঘটনায় তখন নিয়মিত মামলা রুজু করা আনোয়ারা থানায়। দীর্ঘ ৩১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষকে পরীক্ষা করে এই আসামিদের সাজা দেয়া হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পিপি এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, এটি মূলত ২০২০ সালের আনোয়ার থানার একটি মাদক মামলা। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঐ তিন মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পথশিশুদের আইন দিয়ে নয় আদর দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনুন – আমীরুল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পথশিশুদের প্রতি সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের ডিসি আমীরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পথশিশুরা আমাদেরই সন্তান। অযত্ন ও অবহেলায় বেড়ে উঠলেও এদের মধ্যেও রয়েছে অসীম মেধা ও সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা ও দিকনির্দেশনা পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে “আমরা চাটগাঁবাসী” সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পথশিশু ও কিশোরদের জন্য ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং ভালোবাসা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পথশিশুদের কাছে টানতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে সমাজে অপরাধ প্রবণতাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল এবিএম ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি গোলাম মওলা মুরাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী, পাঁচলাইশ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম এবং প্রোগ্রামের স্পন্সর ওয়াহিদ ইলেক্ট্রিশিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বাতেন।

আমরা চাটগাঁবাসীর যুগ্ম সম্পাদক জানে আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাঁচলাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুল আবসার, স্বর্ণলতা স্কুলের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, আরটিআর তারেক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠক তাহসান হাবিব, অধরা মেঘ কলি ও মোঃ আলীসহ অনেকে।অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে ডিসি মহোদয় বাছাইকৃত শিশু-কিশোরদের নিজ কার্যালয়ে তুলে এনে ঈদের জামা উপহার দেন।

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার ইফতার মাহফিল ও “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য এবং “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক এক আলোচনা সভা শনিবার ১৪ মার্চ বিকেল ৪টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুর নাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পত্রিকার উপদেষ্টা ও টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্ধারিত প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: মঞ্জুরুল কিবরিয়া।

নগরীতে একাধিক ইফতার মাহফিল ও তীব্র যানজটের অনিবার্য কারণে নির্ধারিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত হতে না পারায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব শাহসূফি শাহজাদা সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী গোলাপ রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন উদ্যোক্তা, গবেষক ও সংগঠক সিআরবির সমন্বয়ক জিয়াউল হক খন্দকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা বলেন, মাহে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মাস। এই মাস মানুষের ভেতরের নৈতিক শক্তিকে জাগ্রত করে এবং সমাজে ন্যায়, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিটি অনেক সময় কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। এখন সময় এসেছে বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করার।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে নগরীর অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অত্র সংগঠন ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার বোয়ালখালী প্রতিনিধি আলমগীর রানার সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ মজুমদার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক সোনার বাংলার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ইমরান হোসেন। দৈনিক বর্তমান বাংলার প্রধান সমন্বয়কারী সিরাজুল মনির। মানবাধিকারকর্মী শাহজালাল।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দেশবার্তার ব্যুরোচীফ মো: আনিসুর রহমান ফরহাদ, দৈনিক ঘোষণার বিশেষ প্রতিনিধি এস এম সামজাত, সূফি কথার বার্তা সম্পাদক আল সিরাজ ভাণ্ডারী, হাফিজুল মোর্শেদ, মো: রাশেদ, আলমগীর, আবুল বাশার, আবদুল্লাহ আল হাবিব, মো: রানা, শাফায়েত উদ্দিন, মো: নাছির, নুরুল আবসার, আবদুল মাবুদ, সুমাইয়া, জান্নাতুল ফেরদৌস, মো; সাঈদ, মো: ইভান প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন লেখক ও গবেষক এস এম ওসমান। নাতে রাসুল(দ:) পরিবেশন করেন এইচ এম নিজামুদ্দীন চৌধুরী আলিফ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আদনান লাভলু, আরফাত শাওন, আবিদুর মাহিন, নিজামুদ্দিন আলিফ, আতিকুর আবির প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের আমদানি-রপ্তানির বড় অংশই এই নগরীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই “বাণিজ্যিক রাজধানী” শব্দটি যেন শুধু স্লোগান না হয়ে বাস্তবে রূপ পায়, সে লক্ষ্যে সরকার, সিটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ী সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম, সততা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষাকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারলে সমাজে ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও সততা ও নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শেষে দেশ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া, মোনাজাত ও ইফতারের আয়োজন করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ