আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

কালুরঘাট সেতুতে কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সংস্কারাধীন কালুরঘাট সেতুতে যান চলাচলের জন্য শুরু হয়েছে কার্পেটিংয়ের কাজ। এর আগে বিশেষ প্রযুক্তিতে কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে সেতু সংস্কার কাজে নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পায়ে হেঁটে সেতু পারাপারে সেতুর ডানপাশে নব নির্মিত ওয়াকওয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এখন আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করার পালা। আসন্ন ঈদ উল আযহার আগেই সেতুর এ ওয়াকওয়ে পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশলীরা।
রেলওয়ে প্রকৌশলীরা জানান, সেতুর ডান পাশে নব নির্মিত ওয়াকওয়ের কাজ শেষ হয়ে গেছে। আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই ওয়াকওয়ে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। অল্প কিছু কাজ রয়েছে। তা সম্পন্ন করা হচ্ছে।
বুধবার (৫ জুন) থেকে সেতুতে যান চলাচলের জন্য সেতুর সড়ক পথের কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু করা হয়েছে। এই কাজ শেষ হলে যানবাহন পারাপারের জন্য সেতু উন্মুক্ত করা হবে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারিত রেলপথে ট্রেন চলাচলের জন্য গত বছরের ১ আগস্ট কালুরঘাট সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হয়। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শে সেতুটিকে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে তোলা হয়। তবে অর্থ সংকটের কারণে সেতুর সংস্কার কাজ বিলম্ব হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। তারা জানান, সেতু সংস্কারের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের সাথে চুক্তি হওয়া ৪৩ কোটি টাকার মধ্যে এ পর্যন্ত মাত্র ১৫ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। এ পর্যন্ত বেশ কয়েক দফায় সেতুটির সংস্কার কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এছাড়া গত ৩০ এপ্রিল দুপুরে কর্ণফুলী নদীর পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একটি ডক ইয়ার্ডে যাওয়ার সময় তীব্র বাতাস আর জোয়ারের কারণে এমভি সামুদা–১ নামের একটি লাইটার জাহাজ ভেসে এসে সংস্কারাধীন কালুরঘাট সেতুতে ধাক্কা দেয়। এতে সেতুর ওয়াকওয়ের রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে মূল স্ট্রাকচারে বড় ধরনের তেমন ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন সেতুর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। এই কারণে সেতুর সংস্কার কাজ আরও দুই মাস পিছিয়ে যায়। পুরো সেতুর সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার আগে রেল কর্তৃপক্ষ প্রথমে কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালুর জন্য সেতুর ট্রেন লাইনের সংস্কার কাজ শেষ করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে তোলে। গত বছরের ১ ডিসেম্বর পর্যটন নগরী কক্সবাজার রুটে প্রথমবারের মতো যাত্রীবাহী (কক্সবাজার এক্সপ্রেস) ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এর আগে গত বছরের ১১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে দোহাজারী কক্সবাজার রেললাইনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন সেতুর উপর দিয়ে কক্সবাজার রেল রুটে প্রতিদিন দুটি আন্তঃনগর ট্রেন এবং একটি স্পেশাল ট্রেন এবং দোহাজারী বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেলবাহী ট্রেন চলাচল করছে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিঞা বলেন, সেতুতে যুক্ত হওয়া নব নির্মিত ওয়াকওয়ের কাজ শেষ হয়েছে। কোরবানির ঈদের আগে তা উন্মুক্ত করা হবে। ওয়াকওয়ে দিয়ে উভয় পাড়ের মানুষ চলাচল করতে পারবেন। আশা করি জুন মাসেই সেতুতে সড়ক পথের কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ