আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন-ভূমিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু শেষ করে যেতে পারেন নি। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে হবে। আর স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে স্মার্ট নাগরিকের পাশাপাশি স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থপনা প্রয়োজন।
গতকাল বুধবার বেলা ১১ টায় নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামে ভূমি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত স্মার্ট বাংলাদেশ: স্মার্ট ভূমিসেবা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদ্ধতি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দেশের মানুষ যদি স্মার্ট ভূমিসেবা সম্পর্কে না জানে তাহলে আমাদের একার পক্ষে এটা অনেক সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠবে। আমরা যারা শিক্ষিত তারাও ভূমির অনেক বিষয়ে জানি না। তাই নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ভূমি সংক্রান্ত বেশকিছু বিষয় রাখা হয়েছে। যাতে অন্তত কেউ নবম শ্রেণি পযর্ন্ত পড়লে ভূমি সংক্রান্ত কিছু ধারণা পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, ভূমি সপ্তাহ উদযাপনের পরেও সারাবছর অফিসে ভূমিসেবা বিষয়ক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়া জরুরি। একদম জেলা থেকে ইউনিয় পযর্ন্ত সব জায়গায় ভূমি সংক্রান্ত সকল বিষয় হাতে কলমে শেখানো হবে। অনলাইনের মাধ্যমে একজন গ্রাহক যাতে ঘরে বসে ভূমিসেবা নিতে পারে সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের কৃষি জমিতে বড় বড় বিল্ডিং বানিয়ে মানুষ ঘর তৈরি করছে। কিন্তু শুধু ঘর থাকলে হবে না আপনাকে দু’বেলা ভাতও খেতে হবে। তাই কৃষি জমি, নদী ও পুকুর সংরক্ষণের বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নদীর পাড় কোনভাবেই ভরাট করা যাবে না। যেভাবে মানুষ জমি, পুকুর ভরাট করে ঘর তৈরি করছে তাতে আজ থেকে ৫০ বছর পর আর কোন কৃষি জমি অবশিষ্ট থাকবে না।
এসিল্যান্ড অফিসারদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, তারা যেন তাদের অফিসে যাওয়া প্রত্যেক নাগরিকদের সম্মান দিয়ে কথা বলেন। তাদের সমস্যাগুলো মনোযোগ সহকারে শুনে কিভাবে তা সমাধান করা যায় সে ব্যাপারে পরামর্শ দিবেন এবং আপনারা জনগণের কাছে স্মার্ট ভূমিসেবার বিষয়টি ভালো করে বুঝিয়ে বলবেন। ফলে অদূর ভবিষ্যতে ভূমি সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমা একেবারে কমে যাবে। জনগণকে খুব প্রয়োজন ছাড়া ভূমি অফিসে যেতে হবে না। তারা ঘরে বসেই সকল সেবা অনলাইনের মাধ্যমে পেতে পারে।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান’র সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্যে করেন সহকারী কমিশনার ভূমি নুসরাত ফাতেমা চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) এমদাদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আ স ম মাহতাব উদ্দিন, অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায় বক্তৃতা করেন। এসময় অসংখ্য ভূমি সেবাগ্রহীতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে মন্ত্রী ভূমিসেবা সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন এবং ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চেক বিতরণ করেন। এছাড়াও মহানগরে ভূমিসেবা প্রদানকারী বিভিন্ন সার্কেলের ভূমি অফিসের মাঝে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মাঝে সনদ প্রদানের শেষে তিনি ভূমিসেবার সকল স্টল ঘুরে দেখেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-৯ আসনে এমপি পদপ্রার্থীর গাড়িতে হামলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে বৃহত্তর সুন্নি জোট সমর্থিত ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মনোনীত চেয়ার প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রচারণার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার সাবেরিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এতে তার গাড়িবহরের সামনের গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওয়াহেদ মুরাদ বলেন, প্রচারণার প্রথম দিনে আমি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান কাজী মইনুউদ্দিন আশরাফীর বাসায় দোয়া নিতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আন্দরিকল্লা আসার পথে কে বা কারা আমার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে। এতে গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙে যায়।


তবে কেউ আহত হয়নি। কারা হামলা করতে পারেন এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই আসনে অনেক জনপ্রিয়। আমার জনপ্রিয়তা দেখে হামলা করতে পারে। তবে কে বা কারা হামলা করছে জানি না। আমাকে ভয় দেখাতে হামলা হতে পারে। আমি বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি।এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন বলেন, গাড়িতে ইটের আঘাত করা হয়েছে, এমন একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টির খোঁজখবর নিচ্ছি।

চট্টগ্রামে হাজী কাচ্চি ঘর সিলগালা জরিমানা গুনল দুই প্রতিষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ‘হাজী কাচ্চি ঘর’ নামে একটি রেস্তোরাঁ সিলগালা করা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।খাবারে নিষিদ্ধ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রঙের ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের অভিযোগে বুধবার নগরের চান্দগাঁও এলাকার মোহরায় এই অভিযানে পরিচালনা করা হয়।

একই অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ কেক ও রসমালাই বিক্রির দায়ে ‘দোহা ফুড’কে ১৫ হাজার টাকা এবং অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার ও মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি বিক্রির অপরাধে ‘খাজা স্টোর’কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে অভিযান পরিচালনাকারী জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ জানান, হাজী কাচ্চি ঘর নামের ওই প্রতিষ্ঠানে রান্নায় প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রঙের ব্যবহার পাওয়া গেছে।

এছাড়া রান্নার জন্য মজুত রাখা হয় বাসি গ্রিল ও চিকেন ফ্রাই। অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে খাদ্য তৈরির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করা হয়। এছাড়া আরও দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে অনুমোদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ – ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় এতে অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর প্রেস রিলিজে বলা হয় উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এইপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও নির্দেশনার ক্ষমতা পাবে।

নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওযার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ