আজঃ শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজার:

কক্সবাজারে পাহাড় ধ্বসে গর্ভবতী স্ত্রীসহ স্বা’মী’র মৃ’ত্যু

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজার শহরের বাদশা ঘোনায় পাহাড় ধ্বসে গর্ভবতী স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের পুলিশ লাইনের পিছনে বাবশা ঘোনা এলাকায় এই পাহাড় ধ্বসের

ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন, স্থানীয় ওমর ফারুক জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আনোয়ার হোসেন ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মাইমুনা আক্তার।

কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর

হেলাল উদ্দিন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পাহাড় ধ্বসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

প্রতিবেশী এবং স্বজনেরা জানিয়েছেন, রাতভর ভারী বর্ষণের কারণে হঠাৎ ভোররাতে পাহাড় ধ্বসে পড়ে। তখন ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশকে বারবার কল করা হলেও কেউ সাড়া দেয়নি। পরে স্থানীয়রা

কয়েকঘন্টা চেষ্টা করে মাটি কেটে তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করে।

জানা গেছে, নিহত আনোয়ার হোসেন বাদশা ঘোনা ওমর ফারুক জামে মসজিদের মোয়াজ্জেম। তার সাথে ৭ মাস আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাইমুনা। তাদের এই অকাল মৃত্যুতে শোকাভিভূত বাদশা ঘোনা এলাকার মানুষ এবং তাঁদের আত্মীয়স্বজন।

এদিকে, গত কয়েকদিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে কক্সবাজারে। বুধবার (১৯ জুন) কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পৃথক ৪টি স্থানে ও পালংখালীতে পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক স্কুল ছাত্রসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১ জন স্থানীয় বাসিন্দা ও অপর ৯ জন রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ