আজঃ শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

কল্লোল সুপার মার্কেট অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র: ব্যবসায়ীদের সংবাদ সন্মেলন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিকের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী মিমি সুপার মার্কেট সংলগ্ন কল্লোল সুপার মার্কেট নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী দোকানিরা। গতকাল রোববার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেছেন তারা। কল্লোল সুপার মার্কেট দোকান-মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের অর্থ সম্পাদক খোকন মজুমদার লিখিত বক্তব্যে জানান, কল্লোল সুপার মার্কেটের মূল মালিক আতিয়া বানু।তিনি ১৯৮৮ সালে সিডিএ থেকে পাঁচতলা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করার অনুমতি পান। তবে আর্থিক সংগতি না থাকার কারণে তিনি বিভিন্ন জনের কাছে নির্মিতব্য দোকানগুলোর পজেশন সালামির ভিত্তিতে হস্তান্তর করেন এবং ভিন্ন ভিন্ন তারিখে চুক্তিবদ্ধ হন। উক্ত চুক্তিপত্র মূলে কল্লোল সুপার মার্কেট দোকান-মালিক সমবায় সমিতির দোকানদাররা একদিকে দোকানগুলো নিজেই অলিওয়ারিশান স্থলবর্তী পরবর্তীক্রমে ভোগ দখল বা ব্যবসা বাণিজ্য করার অধিকার আইনানুগভাবে লাভ করেন। সম্পত্তির মূল মালিক আতিয়া বানু দোকান মালিকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা সালামি নেন এবং তিনতলা ভবন নির্মাণ করেন। সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী ভবনটি কিনেছেন দাবি করে বেআইনি ও অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।
দোকানদার এনামুল হক বরেন, কল্লোল সুপার মার্কেট নামীয় ভবনটি ১৯৮৯-৯০ সালে বহুতল ভবনের ফাউন্ডেশন দিয়ে শুধু তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়। যার ভীত, ফাউন্ডেশন অত্যন্ত মজবুত ও সুদৃঢ় অবস্থায় এখনো আছে। এটি আরও ৬০-৭০ বছর পর্যন্ত নিশ্চিন্তে ব্যবহার উপযোগী। এরপরও মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর অপচেষ্টার অংশ হিসেবে কু-উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করতে উক্ত ভবনকে জরাজীর্ণ দেখিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দিয়ে ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছেন। যার ফলে ন্যায় বিচার পেতে সাধারণ দোকানদারগণ বিভিন্ন আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলবৎ রয়েছে। কিন্তু তিনি যেনতেন প্রকারে মার্কেট গুটিয়ে দিয়ে ডেভেলপারের মাধ্যমে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অপচেষ্টায় লিপ্ত আছেন।
তিনি বলেন, কল্লোল সুপার মার্কেট নিয়ে ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেলে অর্ধশত পরিবার বাঁচবে। না হয় ন্যায্য বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আমাদের পরিবার, সন্তানদের নিয়ে পথে বসতে হবে। কারণ আমাদের পরিবারের যাবতীয় খরচের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম হলো আমাদের এই ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মোহাম্মদ মামুন, এনামুল হক, সরোয়ার আলম, জহিরুল ইসলাম, আবদুল হাফিজ জিসান প্রমুখ। এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ মোহাম্মদ মামুন বলেন, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী কল্লোল সুপার মার্কেটটি দিদারুল কবির থেকে কিনেছেন ২০১৬ সালে। ভবন ভাঙার পরিকল্পনার আগে উনি আমাদের সঙ্গে বসেননি, আলোচনাও করেননি। ৩৩-৩৪ বছর ব্যবসা করে আসছি। ১৯৮৮ সালে সিডিএ ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়েছে। এত কম সময়ে যদি ভবনের মেয়াদ চলে যায় তাহলে চট্টগ্রাম শহরের অর্ধেক ভবন ভেঙে ফেলতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর নগরের আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজীর দেউড়ি মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন এক সংগ্রামী কণ্ঠ।তাঁকে নির্মমভাবে প্রকাশ্যে জুমার নামাজের পর হত্যা করলেও আজও বিচার না হওয়ায় দেশের জনগণ ক্ষুব্ধ। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শহীদ হাদির হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন চলবে এবং এই দাবি আদায় করে নেওয়া হবে।

বক্তব্য রাখেন জুলাই ঐক্য চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়কারী আবরার হাসান রিয়াদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইবনে হোসেন জিয়াদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব, তৌসিফ ইমরোজ, আরমান শাহরিয়ারসহ অন্যান্য নেতারা।

গণভোট নিয়ে মিথ্যাচার ছড়ানো হচ্ছে-আলী রীয়াজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, গণভোট নিয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পলাতক ফ্যাসিবাদীরা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে লুটপাটের টাকা খরচ করে এ পরিকল্পিত মিথ্যাচার করছে।

জনগণকে সত্যটা জানানোর মধ্য দিয়ে মিথ্যাকে পরাভূত করতে হবে।তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, আলেম সমাজ, ছাত্র, আপামর জনতা নির্যাতিত-নিপীড়িত হয়েছেন।জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর সেই শহীদদের রক্তেই রচিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব শহীদের রক্তের দায় আমরা যেন ভুলে না যাই।গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মুখ্যসমন্বয়কের দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভাগীয় প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ সম্মেলনের আয়োজন করে।চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন,

বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জ-এর ডিআইজি মো. আহসান হাবীব পলাশ।চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত ইমামগণ সম্মেলনে অংশ নেন।
নবীন প্রজন্মের জন্য একটি ভবিষ্যত তৈরি করার দায়িত্ব আমাদের সবার উল্লেখ করে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, যে প্রতিশ্রুতি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে ছিল, চব্বিশের গণঅভ্যত্থানে ছিল,

সেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আমরা চাই কিনা তা নির্ধারণেই এবারের গণভোট।বিগত দিনে দুর্নীতির ভয়াবহ অবস্থার কথা তুলে ধরে গণভোটে সরকারের পক্ষে প্রচার কার্যক্রমের মূখ্য সমন্বয়ক আলী রীয়াজ বলেন, দুর্নীতি ঠেকানোর কোনো পথ এত দিন পরেও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমাদের দেশে করা সম্ভব হয়নি। সরকারি দলের লুটপাটকে উপেক্ষা করে বিরোধী দলকে দমনে দুর্নীতি দমন কমিশনকে বারবার ব্যবহার করা হয়েছে।

বিদ্যমান সংবিধানে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ত্রুটির সুযোগ নিয়ে এতদিন দুদককে এ হীন স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে মন্তব্য করে আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই সনদে এ বিদ্যমান ব্যবস্থাকে সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে সম্মতি দিলে সরকারের অর্থিক বিষয়াদি তদারকির জন্যও সংসদে বিরোধী দলের নেতৃত্বে একাধিক কমিটি গঠন করা সম্ভব হবে, জানান আলী রীয়াজ।

ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী গণভোটকে ঘিরে ব্যাপক অপপ্রচার চালাচ্ছে জানিয়ে বিশেষ অতিথি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐক্যমত্য) মনির হায়দার বলেন, সেই ফ্যাসিস্টরা এখন লুটপাটের টাকায় মিথ্যাচার ছড়িয়ে, অপপ্রচার চালিয়ে জাতির ঘুরে দাড়ানোর প্রয়াসকে ব্যর্থ করে দিতে চাইছে।

গণভোট নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমরা এখানে এসেছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ আমাদের জাতির ভবিষ্যত গড়ার একটি স্থায়ী দলিল। এই সত্যটি জনগণকে বোঝালে মিথ্যা এমনিতে বিলীন হয়ে যাবে।

মনির হায়দার বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষরা একটা বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, যেখানে নাগরিকদের সমতা, মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। অথচ ৫৪ বছর পরে এসেও আমরা একটি বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার জন্য যুদ্ধ করছি।তিনি বলেন, যে পরিবর্তনের জন্য আমরা ফ্যাসিবাদকে উৎখাত করেছিলাম, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথ ধরে সেই প্রচেষ্টাকে সামনের দিকে নিয়ে যেতেই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।

ধর্ম সচিব মো. কামাল উদ্দিন উপস্থিত আলেম ওলামাগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে বান্দার হক, মজলুমের হক তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। বিগত আমলে শত অত্যাচার- নির্যাতন করেও আলেমদের সত্য বলা থেকে বিরত রাখা যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আপনারা ভূমিকা রাখলে সব ভোট ‘হ্যা’ -এর পক্ষেই পড়বে।’

সভার সভাপতি চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আলেম সমাজের উদ্দেশে বলেন, জনগণ গণভোট সম্পর্কে অল্প-বিস্তর জানেন কিন্তু সে ভোটে তারা অংশ নেবেন কিনা সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য মানুষ আপনাদের সম্মতির অপেক্ষা করে আছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের পরিচালক সরকার সরোয়ার আলম, লালখান বাজার জামে মসজিদের খতিব ড. মুফতি হুমায়ুন কবীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে অতিথিরা গণভোট নিয়ে আলেমদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ