নোবিপ্রবিতে ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধ, প্রক্টরসহ ৯জনের পদত্যাগ

রিপন মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার নোয়াখালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আলটিমেটামের নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপকক্ষ এমন সিন্ধান্ত গ্রহণ করে। পদত্যাগ করা কর্মকর্তারা হলেন প্রক্টর অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক বিপ্লব মল্লিক, ভাষাশহীদ আবদুস সালাম হলের প্রভোস্ট কাউসার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট রুহুল আমিন, হজরত বিবি খাদিজা হলের প্রভোস্ট মো. রফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অবন্তী বড়ুয়া, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট মুহাম্মদ মহিনুজ্জামান, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ ও অতিরিক্ত পরিচালক মোহাইমেনুল ইসলাম।

গতকাল শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় রিজেন্ট বোর্ডের একটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা যায়, শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী পদত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, পাঁচটি আবাসিক হলের প্রভোস্টসহ নয়জন। গতকাল তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। আগামীকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খুলে দেওয়া, সোমবার থেকে অনলাইনে ক্লাস শুরু এবং ২৫ আগস্ট থেকে সশরীর ক্লাস শুরু হবে।

রেজিস্ট্রার মো. জসীম উদ্দিন পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে বিষয়টি উপাচার্যকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, প্রক্টরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তা এবং প্রভোস্টদের নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ দাবি করে বিবৃতি দেন। অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ছাত্র ও শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

খেজুরে তেল মেখে প্যাকেটজাত চট্টগ্রামের ফলমণ্ডিতে অভিযানে জরিমানা গুনল ৫ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বাজার তদারকি অভিযানে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।অভিযানে ফলমন্ডিতে খেজুরেৃ তেল মেখে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্যাকেটজাত করার চিত্র দেখতে পায়। এছাড়া

মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণে অনিয়ম ও বাজারজাত এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে এসব জরিমানা করা হয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহর নেতৃত্বে নগরীর ফলমন্ডি, স্টেশন রোড ও দেওয়ানহাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় মেসার্স আল্লাহওয়ালা এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা, মেসার্স এন্ড ব্রাদার্সকে ২ হাজার টাকা এবং মেসার্স রাউজান এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া মোড়কজাত বিধি অনুসরণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খেজুর রেখে তেল মিশিয়ে প্যাকেটজাত ও বাজারজাত করার দায়ে তুহিন এন্টারপ্রাইজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, দেওয়ানহাট এলাকার তায়েফ রেস্তোরাঁয় রান্নায় ক্ষতিকর উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াকরণের দায়ে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফয়েজ উল্ল্যাহ জানান, বাজারে পণ্যের সঠিক মূল্য প্রদর্শন, খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার ইঙ্গিত চুয়েট ভিসির

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তিনি পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে তাকে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দেওয়ার খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে হাসপাতাল থেকে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান তিনি।এর আগে বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
উপাচার্য জানান, দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় তিনি ও তার সঙ্গে থাকা আরও ১০ জনের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। তাদের মধ্যে দুজন অ্যালামনাই সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সরকারি চিকিৎসক ও সিভিল সার্জনের পরামর্শে তাকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে তিনি জানান, সরকার আমাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে।
এদিকে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে অসত্য দাবি করে একটি বিবৃতি দিয়েছে উপাচার্য। এ প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমি পদত্যাগ করেছি এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে পদার্পণ করব না, এ রকম কোনো বক্তব্য আমি দিইনি। যখন আমাকে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তখন আমার কথা বলার মতো পরিস্থিতি ছিল না।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসে যান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় উপাচার্যসহ অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের বের করে আনা হয়।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণবের দাবি, ‘ভিসি হিসেবে এই চুয়েট ক্যাম্পাসে তিনি আর কখনো ফিরে আসবে না’ এই শর্তে জেলা প্রশাসক উপাচার্যকে নিয়ে গেছেন।
এদিকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মচারী সমিতির সদস্যরা।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ