আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

গৌরীপুরে সড়কের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছে শিক্ষার্থীরা

ওবায়দুর রহমান, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শনিবার (১০ আগষ্ট) দুপুর থেকে শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে যানজট নিরসনের জন্য তাদের কাজ করতে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের পানি, বিস্কুট ও খাবার প্রদান করে সহযোগিতা করছেন অনেকেই।
শনিবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গৌরীপুর পৌর শহরের উত্তর বাজার, মধ্যবাজার, পাটবাজার মোড়, গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মোড়, ঝলমল সিনেমা হল মোড়সহ সড়কের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিতে ভিজে অবস্থান নিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন শিক্ষার্থীরা। মাইটি-১৭, ২০১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যবৃন্দ, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যবৃন্দ। তাদের কারো হাতে লাঠি, মুখে বাঁশি। ট্রাফিক পুলিশের মতো ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছেন তারা।
পানির বোতল, বিস্কুট ও খাবার দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারীদেরকে সহযোগিতা করছেন উপজেলা ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন ব্যক্তি।
মাইটি-১৭’র শিক্ষার্থী ইমন ইসলাম আকাশ বলেন, ‘আজ শনিবার হাটবার। বাজারে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করতেই আজকে দুপুর থেকেই রাত দশটা পর্যন্ত আমরা গৌরীপুর পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও স্থানগুলোতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছি, যাতে যানজট না হয়।’
২০১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত ইবনে আলী সায়েম বলেন, আমাদের একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে সকল শিক্ষার্থী ভাইয়েরা রাজপথে শহীদ হয়েছেন সেই সুন্দর দেশ নির্মাণের জন্য আমরা কাজ করছি। আমাদের বাজারটি একটি মূল সড়কের উপর অবস্থিত। হাটের দিন বাজারে অনেক যানজট লেগে থাকে। সেই যানজট নিরসনে ও ব্যবসায়ীরা যাতে অবাধে ব্যবসাটা করতে পারে সেইজন্যই আমরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি।
বিএনসিসির ক্যাডেট সৌরভ জানান, বাজারের যানজট নিরসনে ও জনসাধারণের দূর্ভোগ লাঘবে আমরা সিনিয়র স্যারদের ও প্লাটুন কমান্ডারের পরামর্শে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। এই কাজে তিনি সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
গৌরীপুর উপজেলা ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদের সভাপতি শওকত হোসেন সুমন বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে যে সকল শিক্ষার্থী ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন তাদেরকে শুভেচ্ছা জানাই। আমরা এই সকল শিক্ষার্থীদেরকে সামান্য পানি ও খাবার দিয়ে একটু সহযোগিতা করছি।
ব্যবসায়ী দুলাল দেবনাথ বলেন, ছাত্রদের এই কাজটি খুবই ভালো লেগেছে। এই মোড়টিতে আগে সব সময় যানজট লেগে থাকতো। কিন্তু ছাত্ররা ট্রাফিকের কাজটি করাতে যানজট নেই। আমরা অত্যন্ত খুশি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাকিল আহমেদ বলেন, বাজারে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগটি খুবই মহৎ। এতে করে ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা ও পথচারীরা নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারছে। ছাত্রদের এই কার্যক্রমে ছাতা ও বাঁশি দিয়ে সহযোগিতা করেছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর প্রতিনিধি দলের বৈঠক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাপানের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মিৎসুই অ্যান্ড কোম্পানির বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারম্যান কেনিচিরো কাওয়ামোটো’র নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চবক চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এর সাথে ঢাকায় সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিনিধিদল বিস্তারিত আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দর সফর করেন। এ সময় তারা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পর্ষদ সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সাক্ষাতকালে সদস্য (হারবার ও মেরিন) চট্টগ্রাম বন্দরের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কার্যক্রম যেমন: ডিজিটালাইজেশন, অটোমেশন, রেকর্ড কনটেইনার হ্যান্ডলিং, আইএসপিএস জিরো অবজারভেশন এবং জিরো ওয়েটিং টাইম অর্জনসহ প্রভৃতি উন্নয়ন প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরেন ।

বৈঠকে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের উন্নয়ন এবং এর বাণিজ্যিক ও পরিচালনাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিৎসুই-এর বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় । প্রতিনিধিদলটি চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ সম্ভাব্যতা ও সুনীল অর্থনীতির উন্নয়নে একসাথে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন মিৎসুই-এর ডেপুটি কান্ট্রি চেয়ারম্যান রেইজি নাকানিশি এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড এনার্জি ডিভিশনের ডেপুটি ম্যানেজার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ