চমেকেও চিকিৎসা সেবা বন্ধ, চিকিৎসকদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

করা নাহলে পরবর্তী কর্মসূচী গ্রহনসর্বশেষ খবরে জানা যায়, দোষীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সারা দেশের মতো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়ে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর ও চিকিৎসকদের উপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে রোববার দুপুর থেকেই জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগের চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে চমেকের প্রধান ফটকে কর্মবিরতিতে যান চিকিৎসকরা।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসন বিভাগ। তবে চমেকের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন রিসিভ হয়নি।
এদিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ও বহির্বিভাগে রোগীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দুপুর থেকেই চিকিৎসকের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে চিকিৎসা প্রার্থীদের।
চমেকে চিকিৎসা নিতে আসা মো. আকাশ ও আব্দুল মোনাফ নামক রোগীর অভিভাবকেরা জানান, দুপুরে মেডিকেলের ৬ তলায় ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ২ নম্বর ইউনিট থেকেও সকল রোগীদের ফাইলপত্র ডিউটিরত চিকিৎসকরা নিয়ে গেছেন। বলেছেন চিকিৎসা দেওয়া হবে না। সব বন্ধ আপনারা ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে যান। কেউ কেউ ভয়ে বের হলেও অনেকেই রয়ে গেছেন।
এমনকি সকালে বহির্বিভাগে কিছু সময়ের জন্য চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলেও দুপুরের পর থেকেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন এর মুঠোফোনে ফোন করেও মন্তব্য জানা যায়নি। সর্বশেষ খবরে জানা যায়, দোষীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করা নাহলে পরবর্তী কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পণ্যের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত নজরদারি বাড়ানো জরুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে পরিবহন খরচ বাড়ায় কয়েকটি পণ্যের দাম ইতোমধ্যে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সড়ক ও নৌপথে পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। ডিজেলের দাম এক লাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ার ধাক্কা পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণগুলোর একটি পরিবহন ব্যয়। শুধু সড়কপথ নয়, নৌপথেও বেড়েছে পরিবহন খরচ। খাতুনগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্য পাঠাতে লাইটারেজ জাহাজ ব্যবহার করা হয়। ডিজেলের দাম বাড়ায় এসব জাহাজের পরিচালন ব্যয়ও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে পণ্যের দামে।
খাতুনগঞ্জের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, আগে যে ট্রাকটি চট্টগ্রামে পণ্য আনতে ২৫ হাজার টাকা ভাড়া নিত, ডিজেলের দাম বাড়ার পর সেই ভাড়া প্রায় ১০ হাজার টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ ২৫ হাজার টাকার ভাড়া এখন প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হয়েছে। বাড়তি এই পরিবহন ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু বক্কর বলেন, ডিজেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ভাড়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। আগে বগুড়া থেকে ট্রাকে করে পণ্য আনতে আমাদের সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা খরচ হতো। এখন সেটি প্রায় ১০ হাজার টাকা বেড়ে গেছে। একইভাবে নৌপথেও ভাড়া বেড়েছে। শুধু দেশের ভেতরে নয়, বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্য পরিবহনেও ব্যয় বেড়েছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, আদা ৩ টাকা বেড়ে ৯৫ টাকা এবং রসুন ৪ টাকা বেড়ে ১২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় লাল মরিচ ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৫০ টাকা এবং ভারতীয় মিষ্টি মরিচ ৫ টাকা বেড়ে ৪৪০ টাকা হয়েছে। চিনির দামও কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকায়।
এ ছাড়া মোটা মসুর ডালের দাম ২ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা, মুগ ডাল ৮ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকা, মটর ডাল ২ টাকা বেড়ে ৫৪ টাকা এবং সাদা মটর ৩ টাকা বেড়ে ৫৪ টাকা হয়েছে। চিকন মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫৭ টাকা কেজি দরে। তবে ছোলার দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ছোলা ৯৫ টাকা এবং ভারতীয় ছোলা ৯৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি বেড়েছে ভোজ্যতেলের দামও।
এক ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ডিজেলের প্রভাবে স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে যে হারে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে, সে তুলনায় পণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীলই আছে। কিন্তু মানুষের আয় না বাড়ায় কেনাকাটা কমেছে।
বাজারে যাতে অপ্রত্যাশিতভাবে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানো না হয়, সেজন্য নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে এর প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বাড়তি খরচের চাপ ক্রেতার ওপরেই পড়ছে। সেজন্য বাজারে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

দীর্ঘদিন ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করল চবি ছাত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম দীর্ঘদিন ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) রাত ২টায় শিক্ষার্থী মহুয়ার মৃত্যুর বিষয়টি সহপাঠীদের নিশ্চিত করেছেন তার বোন। মহুয়ার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দিতে। তারা ঢাকার সাভার উপজেলায় থাকতেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার আগে থেকেই ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এই শিক্ষার্থী। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইসরাফিল হোসেন মানিক বলেন, মহুয়া গত আগস্টের ১৪ তারিখ আমাকে ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়ে বলেছিল, ভাইয়া, সাভার এনাম মেডিক্যালে জরুরি ঙ+ রক্ত লাগবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কার জন্য রক্ত লাগবে? তখন বলল, ‘ভাইয়া, আমার জন্যই। আমার রক্তের প্লাটিলেট অনেক কমে গেছে, তাই প্লাটিলেট দেওয়া প্রয়োজন।

এরপর রক্তের ব্যবস্থা করার জন্য প্রায়-৭৮ জনকে নেওয়া হলেও কারও সাথেই গ্রুপের মিল ছিল না। পরে একজনের সাথে মিল পাওয়া গেলে ওই রাতেই তাকে প্ল্যাটিলেট দেওয়া হয়’।
তিনি আরও বলেন, ‘লিউকেমিয়ার চিকিৎসা চলছিল ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে। কিছুদিন আগে হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে মাত্র একদিনের জন্য বাড়ি ফিরেছিল। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার কথা ছিল তার’।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ