আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশী নিহত

বিজয় রায়, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশি কিশোরকে হত্যার পর মরদেহ নিয়ে গেল বিএসএফ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৩ নং ধনতলা ইউনিয়নের কান্তি ভিটা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে শ্রী জয়ন্ত কুমার সিংহ (১৫) নামে বাংলাদেশি এক কিশোর নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন তার বাবাসহ আরও একজন। হত্যার পর ওই কিশোরের মরদেহ সীমান্তের ওপারে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার ৩ নং ধনতলা ইউনিয়নের কান্তি ভিটা সীমান্ত এলাকায় মেইন পিলার ৩৯৩ এর পাশে এ ঘটনা ঘটে। জয়ন্ত কুমার উপজেলার ফকির ভিঠা গ্রামের শ্রী মহাদেব কুমার সিংহের ছেলে। আহতরা হলেন- জয়ন্তের বাবা শ্রী মহাদেব কুমার সিংহ এবং একই ইউনিয়নের নিটালডোবা গ্রামের দরবার আলীর ছেলে বাংঠু মোহাম্মাদ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির বলেন, বিএসএফের গুলিতে একজন মারা গেছে এবং দুজন আহত হয়ে রংপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মরদেহ এখনো বিএসএফের কাছে রয়েছে। ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানজির আহমদ বলেন, মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান আছে ৷

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফ্যাসিস্টের কোন পুলিশকেই দেশে থাকতে দেব না, এবক্তব্য আইজিপি দেননি: পুলিশ সদর দপ্তর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ, জনাব আলী হোসেন ফকিরকে উদ্ধৃত করে—“কনস্টেবল, এসআই, ওসি, এসপি, ডিআইজি—ফ্যাসিস্টের কোনো পুলিশকেই দেশে থাকতে দেব না। দেশকে নিরাপত্তা দিতে আমরাই যথেষ্ট”—এ মর্মে একটি ভুয়া বক্তব্য সম্বলিত ফটোকার্ড কৃত্রিমভাবে তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের গণসংযোগ শাখা এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার গণসংযোগ শাখা প্রতিবাদলিপিতে বলেছে-আইজিপি মহোদয় কোথাও এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি। এ ধরনের ভুয়া ফটোকার্ড বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
ছবি সংগৃহীত –
[email protected]

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর পালন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে কয়েক ঈদুল ফিতর পালন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাদপুরের এসব গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

হাজীগঞ্জ উপজেলায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান পীর মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব গ্রামের মানুষ রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

আজ ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ উদযাপনকারী হাজীগঞ্জ উপজেলার গ্রামগুলো হচ্ছে – সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

জানা যায়, ১৯২৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ধর্মীয় রীতিনীতি চালু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর তার ছয় ছেলে এ মতবাদ অনুসরণ ও প্রচার অব্যাহত রেখেছেন।প্রতিবছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের এসব গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ