আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে একটি সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের দেশ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আবহমানকাল থেকেই এদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করে আসছে। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন আমরা সবাই এক পরিবার এবং এটা আমরা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই। বহুবছর ধরে এদেশে বিভিন্ন ধর্ম এবং উপাসনালয় পাশাপাশি অবস্থান করছে এবং ধর্মচর্চা পালন করে যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে একটি সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের দেশ।

আজ চট্টগ্রামের পাথরঘাটাস্থ সেন্টপ্লাসিট স্কুল ও চট্টগ্রাম জপমালা রানী ক্যাথিড্রাল গির্জা পরিদর্শন শেষে কাথলিক আর্চডাইয়োসিসের আর্চবিশপ হাউসে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম আর্চডাইয়োসিসের ভিকার জেনারেল ফাদার টেরেন্স রড্রিক্স’র সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, চট্টগ্রাম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক বোরহান উদ্দীন মো: আবু আহসান, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব নির্মল রোজারিও, চট্টগ্রামের বিভিন্ন গির্জার পাস্টারগণ, কাথলিক সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ব্রতধারী ব্রাদার ও সিস্টার এবং খ্রিস্টভক্তগণ উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম জপমালা রানী ক্যাথিড্রাল গীর্জা ৪০০ বছরের পুরোনো একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও এখানে স্কুল, কলেজ এবং হাসপাতাল রয়েছে। এসবের পাশাপাশি এতিম, দুস্থ ও বিধবাদের জন্য স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও শিক্ষার বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মানবতার সেবায়ও আমাদের নিয়োজিত থাকা দরকার। বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের নিয়ে আপনারা সমসাময়িক বিষয় যেমন ডেঙ্গু, মাদক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা এসব নিয়ে সেমিনার বা আলোচনা সভার আয়োজন করতে পারেন। এতে সবার মাঝে সৌহার্দ্যে ও ভাতৃত্ত্ব বোধ জেগে উঠবে।

তিনি আরো বলেন, একশ্রেনীর দুর্র্বূত্ত মাঝেমধ্যে উপসনালয়ে হামলা চালায়। আপনারা মনে রাখবেন রাষ্ট্র পক্ষপাতহীনভাবে প্রতিটি ধর্মের পাশে রয়েছে। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, ধর্মচর্চা, ধর্মঅনুশীলন এবং ধর্মপ্রচার এসব বিষয়ে সরকার সবসময় আপনাদের সহযোগিতা করে যাবে।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এবার প্রায় ৩২ হাজার মন্ডপে দুর্গাপূজা হবে। নির্বিঘ্নে পূজার কাযক্রম সম্পন্ন করার জন্য সরকার যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমি ৬৪ জেলার ডিসি, এসপিকে ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মাধ্যমে নির্দেশনা দিয়েছি যাতে স্থানীয় লোকদের সাথে যোগাযোগ করে জোড়দার নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয় যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। আমাদের উচিত সবাইকে সাথে নিয়ে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক লায়ন তাহের আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিষদের উত্তর জেলার সদস্য সচিব আবু সাঈদ, পরিষদের উত্তর জেলার যুগ্ন আহবায়ক আবুল কাশেম আজাদ (ভিপি শামীম), যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন,নাছির উদ্দিন বিপ্লব। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্রনেতা মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহবায়ক, অধ্যাপক ছালাহুদ্দীন মোহাম্মদ ছলিম নিজামীকে সদস্যসচিব এবং শহিদুল ইসলাম, আবুল বশর, মো. নিজাম উদ্দিন, মেসকাত উদ্দিন, কামরুল হাসান আজাদ, শামছু উদ্দিন, জিয়া উল হক জিল্লু, ইসমাইল হোসেন খোকন, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখকে সদস্য করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী একমাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেন জেলার নেতৃবৃন্দ।

গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মঞ্জিলে সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরস ও ফাতেহা আগামী ৬ জুলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ২২শে আষাঢ়, ৬ জুলাই ২০২৬ সোমবার গাউছুল আজম বাবা ভান্ডারী কেবলা কাবার প্রিয়তম সেজ পুত্রবধু, আওলাদে রাসুল (স.) ছানীয়ে ফারুকে আজম শাহসূফি হজরত সৈয়দ মাহবুবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র সহধর্মিণী, দয়াল মাওলা ছদরুল উলা চেয়ারম্যান বাবা মাইজভাণ্ডারীর আম্মাজান হজরত সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরস মোবারক ও ফাতেহা গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মঞ্জিলে মহাসমারোহে উদযাপিত হবে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের দাওয়াত জানানো হয়। আরজগুজার- দয়াল মাওলা ছদরুল উলা চেয়ারম্যান বাবা মাইজভাণ্ডারীর ৩ শাহজাদীগন ও আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী খেদমত পরিষদ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ