আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

লামায় কাঠ ব্যাবসায়ী দু গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

বিপ্লব দাশ,বান্দরবান প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবানের লামায় সরকারি রিজার্ভের গাছ খেকো, অসংখ্য বন মামলার আসামী,অবৈধ গরু ব্যবসায়ী, একটি বিশেষ বাহিনীও বন বিভাগের নামধারী কথিত সোর্স ও চাঁদাবাজ ‘ওমর ফারুক বেচু’ এর নিয়মিত চাঁদাবাজি ও গাছ ব্যবসায়ীদের নামে-বেনামে অভিযোগ করে হয়রাণীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে লামা উপজেলা জোত মালিক,বিভিন্ন এলাকার গাছ ব্যবসায়ী, বাগান মালিক ও গাছ-বাঁশের জড়িত শ্রমিক। লামা প্রেস ক্লাব হলরুমে রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্যে সুলতান আকবর মোমিন জানান,আমরা বাগান মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করে বাগান সৃজন করে বিক্রি করি, কেউ ক্রয় করেন এবং হাজার হাজার শ্রমিকরা। এ কাজে শ্রম দিয়ে তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। উপজেলায় শ্রমজীবি মানুষের গাছ-বাঁশ ছাড়া তেমন কোন পেশা নেই। হাজার মানুষের জীবিকা যেখানে জড়িত সেই সেক্টরটি আজ কতিপয় চাঁদাবাজের দ্বারা ব্যাবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সম্প্রতি সময়ে দেশে যখন পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে সেই সুযোগে মো.ওমর ফারুক প্রকাশ (বেচু) বিভিন্ন সময় লামা বন বিভাগের তৈন রিজার্ভ হতে ফরেস্টার মোজাম্মেল হক এর সহযোগিতায় বিভিন্ন সময় রাতে ও দিনে একদল গাছ কর্তনকারী লেবার এর মাধ্যমে প্রায় ৫০০ গাছ কর্তন করে নিয়ে আসে। যার প্রমান স্বরুপ লেবার এর জবানবন্দি আছে। বন বিভাগ কর্তৃক ওমর ফারুক এর বিরুদ্ধে ৬/৭টি বন মামলা রয়েছে। বর্তমানে ওমর ফারুক বন মামলা হতে জামিনে আছে। প্রকৃতপক্ষে ওমর ফারুক একজন রিজার্ভ এর গাছ পাচারকারী, ওমর ফারুক প্রতিনিয়ত রিজার্ভের গাছ কর্তন করে বর্তমানে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ এ রুপান্তর হয়েছে। ওমর ফারুক বেচু কিছু দৃষ্কৃতিকারী লোকজনের সহযোগিতায় বিভিন্ন দপ্তরের মোবাইল নাম্বার, ই-মেইল
নাম্বার ও বিভিন্ন কর্মকর্তার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে, লামা বন বিভাগের বিভিন্ন জোত পারমিট করার তথ্য সরবরাহ করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রদান করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ী হতে নগদ অর্থ চাঁদা দাবি করেন ও হুমকি প্রদান করছে। সে বলে যে, আপনারা আমাকে নগদ অর্থ প্রদান না করিলে আমি আপনাদের জোত পারমিট এর বিরুদ্ধে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা,সিএফ, সিসিএফ এর বরাবরে মিথ্যা অভিযোগ করিব। এসব বলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভুয়া অভিযোগও করেন এবং নগদ অর্থ প্রদান করিলে তাহা প্রত্যাহার করেন। বর্তমানে ওমর ফারুক হতে নামা বন বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট হতে মাসিক মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছেন আরো বলছেন

আমি একজন লামা বন বিভাগ এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সোর্স হিসাবে কাজ করি। কথা না মানলে আপনাদের বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করিব। আজ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ওমর ফারুক দ্বারা অতিষ্ট হয়ে ব্যবসায় লোকসান হওয়ায় গৃহহারা। যারা গাছ এর কাজ করেন শ্রমিক হতে শুর করে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে। আরোও উল্লেখ্য যে, লামা বন বিভাগ এর বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ও অভিযোগ করিয়া নগদ অর্থ গ্রহণ করিয়াছেন যাহার স্বাক্ষীও আছে। আজ ওমর ফারুক প্রকাশ বেচুর চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট সাধারন ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকরা নিরুপায়। ওমর ফারুক একজন রিজার্ভ এর গাছ চোর। গাছ চুরি করে চকরিয়া, ডুলহাজারা, ও কক্সবাজার সহ বিভিন্ন রিসোর্টে গাছ প্রদান করে আজ কোটি টাকার মালিক।এদিকে বর্তমানে ৫ আগস্ট এর পরে নিজেকে বিএনপি নেতা বলেও দাবি করেন। বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়,ওমর ফারুক বিএনপি’র বা কোন অংগ সংগঠনে তাহার নাম নাই। এই মর্মে প্রশাসনিক ভাবে এই চাঁদাবাজ ও রিজার্ভ এর গাছ চোর কে যথাযথ ভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন কামনা করছি আমরা ব্যবসায়ীরা ও সচেতন নাগরিক সমাজ।

এদিকে ওমর ফারুক বেচু বিকাল ৩টায় উক্ত সংবাদ সম্মলনের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্যে বলেন লামা জোত মালিক কর্তৃক অবাধ কাঠ ব্যবসা চালু রাখার জন্য আমি মোঃ ওমর ফারুক ও আমার ছেলেকে হত্যা করে তাদের ব্যবসা চালু করার জন্য বিগত ২৬-০৯-২০২৪ইং জোত মালিক সমিতির অফিসে গভীর রাতে মিটিং করে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। গত ২৮-০৯-২০২৪ইং তারিখ টিটি এন্ডডিসির কাঠ ব্যবসায়ী কিছু সংখ্যক সন্ত্রাসীরা আনুমানিক বিকাল ৩.৪০ ঘটিকার সময় কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট এর সামনে আমাকে প্রাণ নাশের উদ্দ্যেশে মারধর করে একপর্যায়ে সেখান থেকে সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে তুলে নিয়ে লামা উপজেলা পরিষদের সম্মুখে প্রধান সড়কে আসলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল থেকে আমাকে উদ্ধার করে। কিছুক্ষণ পরে লামা কলা বাজারে আমার ছেলেকে মারধর করে। জোত মালিকের সমিতির কিছু সংখ্যক সদস্যরা। লামা জোত মালিকের ব্যবসা যদি বৈধ হয় তাহলে লামা বন বিভাগ কেন তাদের ব্যবসা হস্তক্ষেপ করবে। তারা বিগত ১৫/১৬ বছর ধরে লামা ফরেন্ট অফিসকে সৈরাচারী শেখ হাসিনার মনোভাব নিয়ে লুটপাট ও অবৈধ ব্যবসা করতেন লামা জোত মালিক সমিতি। আমাকে ও আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে যেতেই নেতেত্ব দেন (হারুন, সেলিম, খোকন, বাবুল, শামসু, ফতেহ আলী আরো সমিতির অন্যান্য সদস্যরা, আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে যে সকল অভিযোগ করেছে এসব অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট আমি প্রশাসনের নিকট এই হামলার সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ