সড়ক পরিবহন উপদেষ্ঠার সাথে যাত্রী কল্যাণ সমিতির বৈঠক

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অতীতের বৈষম্য দুর করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়সহ অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানসমূহে গণপরিবহনের আইন ও বিধি-বিধান তৈরি, ভাড়া নির্ধারণ, গণপরিবহনের যাত্রীসাধারণের সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণসহ যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিকে বাস মালিক সমিতি, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পাশাপাশি অংশীজন হিসেবে রাখার দাবী জানিয়েছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। গতকাল ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকালে রেলপথ মন্ত্রনালয়ে উপদেষ্টার দপ্তরে অর্ন্তবর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ঠা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সাথে বৈঠকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ এ দাবী জানান। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে প্রেরিত এক স্মারকলিপিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহনের প্রধানতম স্টেকহোল্ডার ১. যাত্রী বা জনগণ ২. বাস মালিক সমিতি ৩. শ্রমিক সংগঠন ৪. সরকার। জনসাধারনের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা বাস মালিক সমিতি, পরিবহন শ্রমিক সংগঠন ও সরকারের অন্যতম প্রধান কাজ। এই কাজের একমাত্র রাজস্ব যোগানদাতা যাত্রী তথা দেশের জনগণ। অথচ সরকার যাত্রীসেবার জন্য নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহন, নতুন নতুন ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তাঘাট নির্মাণ ও মেরামত, বাসের ভাড়া নির্ধারণ, সড়ক নিরাপত্তায় নানান পদক্ষেপ গ্রহণসহ যাত্রীস্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিগত সরকারের সময়ে বাস মালিক সমিতি, পরিবহন শ্রমিক সংগঠন ও সরকার মিলেমিশে করা হয়েছে। এতে করে পরিবহন খাতে নির্লজ্জ দলীয়করণ, চাদাঁবাজি, ধান্ধাবাজি, বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা চরম আকার ধারণ করেছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি ফোরামে যাত্রী সংগঠন তথা জনসাধারনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবী জানান যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত এই সংগঠনের নেতারা।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বিগত সরকারের অনিয়ম, দুর্নীতি, মালিক-শ্রমিকদের তোষামোদীর প্রতিবাদ করায়, যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় সোচ্চার থাকায় বিগত সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর বিরাগভাজন হওয়ায় যাত্রী কল্যাণ সমিতিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নানাবিদ প্রকল্পে নানান সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিগত সরকারের এমন নির্লজ্জ দলীয়করণ ও এধরনের বিভিন্ন বঞ্চনা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পুঞ্জিভূত ক্ষোভের গণবিষ্ফোরন ঘঠিয়ে এ দেশের নিরস্ত্র বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা অস্ত্রের বিরুদ্ধে এক অসম যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। এই যুদ্ধে প্রায় ২,০০০ ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছেন। ৪০,০০০ এর বেশি মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ২ লক্ষাধিক ছাত্র-জনতা আহত হয়ে এখনো হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন। এর মাধ্যমে গত ৫ আগষ্ট স্বৈরাচারের বিদায়ের পরও নতুন সরকারের সময়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এর আওতাধীন সহযোগী সংস্থা- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি), সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর (সওজ), ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানী লিমিটেড (এমআরটি-৬) মেট্রোরেল, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি), ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) তে যাত্রী তথা জনগণের প্রতিনিধিত্ব এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। তিনি অনতিবিলম্বে, অতীতের বৈষম্য দুর করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়সহ অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানসমূহে যাত্রীস্বার্থ তথা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিকে বাস মালিক সমিতি, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পাশাপাশি অংশীজন হিসেবে রাখার অনুরোধ জানান। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ঠা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির ধৈর্য্য সহকারে সকলের বক্তব্য শুনেন। এ সময় তিনি বলেন, এখন থেকে মন্ত্রনালয়ে সকল বৈষম্য দুর করা হবে। যাত্রী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে। তিনি মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কার্যক্রমের যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন যাত্রী কল্যাণ সমিতি উপদেষ্টা ও এফবিসিসিআই সাবেক পরিচালক আবদুল হক, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ সভাপতি তাওহীদুল হক লিটন, প্রচার সম্পাদক মাহামুদুল হাসান রাসেল প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু: বিচার ও যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামের পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পটিয়া থানার মোড় চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মী, নিহত দুই নারীর পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম তৌকির, মুখ্য সংগঠক মিছকাত আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সাকিবুল ইসলাম সাকিব এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ আশরাফুল (সিফাত)।বক্তারা বলেন, যৌতুকের দাবিতে নারীর ওপর নির্যাতন ও প্রাণহানির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যৌতুকপ্রথা নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা। এ সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে পরিবার ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
সমাবেশ থেকে যৌতুকপ্রথা নির্মূল, নারীর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ এবং দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নোয়াখালীতে সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বাড়ি দখল ও হামলার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীতে নিজের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন কাজী আজিজ উল্যা নামে এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, বাড়ির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরতে পারছেন না। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা।

ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম পাড়ার কাজী বাড়ির বাসিন্দা। তার দাবি, ৯৮ নম্বর মাইজদী মৌজায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। বাড়িটির নাম আজিজ টাওয়ার।

লিখিত বক্তব্যে কাজী আজিজ অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ মাঠকর্মী এবিএম আবদুল মতিন চৌধুরী ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর বোনের কাছ থেকে এক শতাংশ জমি কেনেন। পরে তিনি আরো দেড় শতাংশ জমির জাল দলিল তৈরি করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ফ্ল্যাটবাড়ির একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।

কাজী আজিজ বলেন, ২০২৩ সালের ১৩ মে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দাপট দেখিয়ে আবদুল মতিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী আজিজুর নাহারের নেতৃত্বে একদল লোক তার ফ্ল্যাটবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার বৃদ্ধ মা সারেজাহান বেগম ও বোন সেলিনা আক্তার বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। পরে বাড়িটির একতলা ইউনিট দখল করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবদুল মতিন চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেলে তিনি পুনরায় বাড়ির দখল বুঝে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর আবদুল মতিন চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী, ছেলেরা এবং বিভিন্ন এলাকার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আবারও বাড়িটিতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন কাজী আজিজ। এ সময় তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পুনরায় বাড়িটি দখল করা হয়।

কাজী আজিজের অভিযোগ, বর্তমানে বাড়ির ভেতরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান করিয়ে তাঁকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একাধিকবার বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এতে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাঁদের।

কাজী আজিজ উল্যা তার বসতবাড়ি দখল, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মতিন চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ