আজঃ মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

চসিক’র একের পর এক ঘাট ইজারা চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে প্রতিবাদমুখর ১২ শতাধিক সাম্পান মাঝি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) একের পর এক ঘাট ইজারা দেওয়ায় প্রতিবাদের ফেটে উঠেছে প্রায় ১২ শতাধিক সাম্পান মাঝি। কর্ণফুলী নদীর ১০ ঘাটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বৈঠা বর্জন ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করছে কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত একাধিক সংগঠন। সোমবার সকাল ৬টা থেকে কর্ণফুলী নদীর ঘাটগুলোতে সাম্পান চলাচল বন্ধ রেখে প্রতিবাদ করছে ১২ শতাধিক সাম্পান মাঝি। বংশ পরম্পরাই জন্মগত পেশাদার পাটনিজীবী (সাম্পান মাঝি) সমিতি গুলোকে চসিকের সদরঘাট, অভয়মিত্রঘাট ও বাংলাবাজার নৌ ঘাট তিনটি না দিয়ে বহিরাগতদের খাস আদায়ের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে মাঝিরা এ কর্মসূচী পালন করছে।
এতে নতুনব্রিজঘাট, তোতারবাপের হাট, বিডব্লিউ ঘাট, দক্ষিণপাড় পুরাতন ব্রিজঘাট, সদরঘাট, অভয়মিত্র, কর্ণফুলী ঘাট, বাংলা বাজার ঘাট, সল্টগোলা ঘাটে (পাটনিজীবী নাই) ইঞ্জিনচালিত সাম্পান চলাচল বন্ধ দেখা যায়। তবে জরুরি রোগী সেবা ও খাদ্যদ্রব্যের পারাপারে মানবিকতা দেখাচ্ছেন মাঝিরা। নদীর অন্যান্য ঘাটে যাত্রী পারাপার চলছে।
সোমবার সকালে সরেজমিনে নৌ ঘাটে উপস্থিত সাম্পান মাঝিরা জানান, ২০০৩ সালের পাটনিজীবী নীতিমালা তোয়াক্কা না করে একের পর এক অবৈধভাবে মাঝিদের ঘাট ছাড়া করছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এতে দেয়ালে মাঝিমাল্লাদের পিট ঠেকে যাওয়ায় বাধ্য হয়েছে বৈঠা বর্জন ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করতে।
চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান চালক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পেশাগত সাম্পান মাঝি (পাটনিজীবী) থেকে ঘাট কেড়ে নিয়ে পাটনিজীবী নীতিমালা লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের ইজারা দিচ্ছে। ঘাট হারা মাঝিরা চসিকে লিখিত অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। তাই বৈঠা বর্জন চলছে।
অপরদিকে, বিগত ২০২০ সালের ২৯ এপ্রিল সরকার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ পেশাদার জন্মগত পাটনিজীবী সমিতিকে নৌ ঘাটগুলো ইজারা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু চসিকের প্রধান রাজস্ব নির্দেশনাটিও মানছেন না বলে মাঝিদের দাবি।
জানতে চাইলে চসিকের রাজস্ব কর্মকর্তা সাব্বির রাহমান সানি বলেন, ঘাটগুলোর বিষয়ে আপনারা প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন। এসব উনি ডিল করেন। আমার বরাবরে আসে না এসব বিষয়। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপ-সচিব) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, হাইকোর্টের আদেশ মানতে হবে। কিছু করার নেই। খাস কালেকশনে ঘাট চলছে। যেহেতু আদালতের নির্দেশে স্থগিত ইজারা। রিট শুনানির জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, গত ২০ অক্টোবর চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে অভয়মিত্র ঘাটের খাস কালেকশনের জন্য চসিক এস্টেট শাখার বাজার পরিদর্শক দূর্বাদল চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এমনকি এ কাজে লোকবল, যাত্রী পারাপারে নৌকা, সাম্পান সরবরাহ-সহ অন্যান্য সহযোগিতার জন্য ২১ অক্টোবর থেকে আবু নাসের সাজ্জাদ ও আব্দুল কাদের ফিরোজ নামে দু’ব্যক্তিকে নিয়োজিত করেন। যারা ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড বিএনপি নেতা। এতেই ক্ষেপে গিয়ে বৈঠা বর্জন ও অবস্থান ধর্মঘটের ঘোষণা দেন কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন।
এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন ও ইছানগর সদরঘাট সাম্পান মালিক সমিতির সভাপতি এসএম পেয়ার আলী ও চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল হোসেন।
ইছানগর বাংলাবাজার সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ লোকমান দয়াল বলেন, চসিকের বোঝা উচিত ঘাট হারালে শত শতা মাঝিরা তাঁদের পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করবে। অনেকের বাপ দাদা তিন পুরুষের এই পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য না করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি চসিকের প্রশাসকের প্রতি। এছাড়াও, অভয়মিত্র ঘাটের অনেক মাঝিদের অভিযোগ চসিকের ১৯টি ঘাট নিয়ে যখন যেমন ইচ্ছা খেলা খেলছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপ-সচিব) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সকল অনিয়মের হেডকোয়ার্টার এই রাজস্ব কর্মকর্তা। এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মাঝিরা।
চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান চালক সমিতি ও বাংলা বাজার সদরঘাটের মাঝিরা জানান, প্রতি বছর ১৯ ঘাট থেকে রাজস্ব আদায় হতো প্রায় ৬ কোটি টাকারও বেশি। কিন্তু চৌদ্দশত একত্রিশ বাংলায় এসে আইনি জটিলতায় এবার ঘাটগুলো ইজারা দিতে পারেনি চসিক। সে সুযোগে খাস কালেকশনের নামে চমিকের একাধিক অসাধু কর্মকর্তারা নিজের আখের গোছাচ্ছেন।
দৈনিক আদায়কৃত টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। সাদা কাগজে চসিক সিল দিয়ে টাকা পরিশোধের সার্টিফিকেট দেওয়া হলেও সেখানে টাকার পরিমাণ উল্লেখ নেই। রাজস্বের টাকা লুটপাট করতেই চসিকের গুটিকয়েক কর্মকর্তা এমন অপকৌশল বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে অভয়মিত্র ঘাটের সহযোগি হিসেবে নিয়োজিত ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাসের সাজ্জাদ বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে সিটি কর্পোরেশন থেকে ঘাট নিয়েছি। কোন অবৈধ ভাবে নিইনি। আজ (সোমবার) থেকে খাস কালেকশন করার কথা দৈনিক সাড়ে তিন হাজার করে। কিন্তু ঘাটে এসে দেখি অবস্থান ধর্মঘট। সাম্পান চলছে না। এতে সাধারণ মানুষজন কষ্ট পাচ্ছে। আমরা চাই দ্রুত এটির সমাধান হোক। ইতিমধ্যে সাম্পান সমিতির মাঝিদের প্রস্তাব দিয়েছি বসার। তবে কোন আশঙ্কা নেই ভাড়া বাড়ার।
এ বিষয়ে কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন সভাপতি এস.এম পেয়ার আলী বলেন, ‘বৈঠা যার ঘাট তার’ এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন করবো। প্রতিটি ঘাটের সকল সাম্পান মাঝিদের নিয়ে গঠিত সমিতির অনুকূলে ঘাট ইজারা দিতে হবে। বহিরাগতদের ঘাট দিয়ে খাস কালেকশন চলবে না।
নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরাম উল্লাহ বলেন, বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন স্যারদের জানিয়েছি। এটি যেহেতু চসিকের রাজস্ব শাখার বিষয়। তবে নৌ পুলিশ মাঠে রয়েছে।
বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা গবেষক ডাক্তার মাহফুজুর রহমান মাঝিদের সাথে একাত্ত্বতা ঘোষণা করে বলেন, যার পেশা যেটা তাকে সেটা করার সুযোগ করে দেয়ার নাম স্বাধীনতা ও স্বদেশ প্রেম। কিন্তু কিছু অসাধু দূর্বৃত্ত এই গরীব মাঝিদের পেশা কেড়ে নিয়ে নদীতে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে। যা দুঃখজনক।
এই বিষয়ে কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতির ফেডারেশনের উপদেষ্টা সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, ২০১৬ সালে হাইকোর্টে রিট মামলার আদেশ অনুাযাায়ী পাটনিজীবী নীতিমালার ভিত্তিতে কর্ণফুলীর সাম্পান ঘাট ইজারা দেয়ার বিষয়টি মিমাংষীত। কিন্তু সিটি কর্পোরেশন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা হাইকোর্টের আদেশের তোয়াক্কা না করে হঠাৎ বহিরাগত কিছু ব্যক্তিদের মাঝিদের ঘাট পরিচালনা করার দায়িত্ব দেন। এতে উ্দ্ভূদ পরিস্থিতিতে ঘাট বন্ধ থাকায় উভয় তীরের হাজার হাজার যাত্রী চরম বেকায়দায় পড়ে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈশ্বরদী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের জন্য পাঠানো শীতবস্ত্র হস্তান্তর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকায় বসবাসকারী ঈশ্বরদীবাসীর সমন্বয়ে গঠিত “ঈশ্বরদী এসোসিয়েশন” ঢাকার পক্ষ থেকে ঈশ্বরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড মোঃ আসাদুজ্জামান এর কাছে আন্তরিক সহযোগিতা পৌঁছে দেন।

শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ঢাকা থেকে ছুটে আসেন ঈশ্বরদী এসোসিয়েশন ঢাকা এর সভাপতি ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ও ঈশ্বরদীর কৃতি সন্তান মোঃ আবু বক্কর তপন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলা চত্বরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আসাদুজ্জামান এর কাছে এ শীতবস্ত্র হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালের যুগ্ন জেলা ও দায়েরা জজ মোঃ সিরাজুল ইসলাম মামুন, ঈশ্বরদী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জহুরুল ইসলাম, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক শেখ ওয়াহেদ আলী সিন্টু, ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির নির্বাহী সদস্য সেলিম আহমেদ, ঈশ্বরদী অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম ফেরদৌস, সংগঠক আফসার আলী, ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন ও পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সেলিম উদ্দিন প্রমূখ।

আবু বক্কর তপন বলেন, ঢাকাস্থ ঈশ্বরদী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আমরা সব সময় দুস্থ, গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, বিভিন্ন উপকরণ এবং শীত মৌসুমে শীতার্ত মানুষদের মাঝে আন্তরিক সহযোগিতা শীতবস্তু পৌঁছে দেই। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঈশ্বরদী উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দুস্থ, গরিব ও অসহায় শীতার্ত মানুষদের শীত নিবারণের জন্য ১০০০ টি সোয়েটার ও জ্যাকেট হস্তান্তর করেছি।

তিনি আরো বলেন, এ সমাজের ধনাঢ্য বিত্তমানেরা তাদের হাত প্রসারিত করে অসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ালে শীত থেকে তারা রক্ষা পাবে। প্রতিবছর আমরা এভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকি। আগামীতে ঈশ্বরদী এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে আরও বেশি দুস্থ,গরিব ও অসহায় মানুষদের শীত নিবারনে জন্য তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবো।

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর নগরের আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাজীর দেউড়ি মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়ের পক্ষে আপসহীন এক সংগ্রামী কণ্ঠ।তাঁকে নির্মমভাবে প্রকাশ্যে জুমার নামাজের পর হত্যা করলেও আজও বিচার না হওয়ায় দেশের জনগণ ক্ষুব্ধ। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শহীদ হাদির হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন চলবে এবং এই দাবি আদায় করে নেওয়া হবে।

বক্তব্য রাখেন জুলাই ঐক্য চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়কারী আবরার হাসান রিয়াদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইবনে হোসেন জিয়াদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব, তৌসিফ ইমরোজ, আরমান শাহরিয়ারসহ অন্যান্য নেতারা।

আলোচিত খবর

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সোমবার ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ