আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

নগরীর বন্দরটিলায় আদালতের আদেশ অমান্য করে দোকানে তালা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রান নগরীর ইপিজেড থানাধীন দক্ষিণ হালিশহর বন্দরটিলা বাজারের রাস্তার পাশে নির্মল চন্দ্র রায় ও বিমল চন্দ্র রায় এর জুয়েলারী দোকানে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিদার পক্ষের মোঃ মাসুদ গং তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। চট্টগ্রাম ৩য় সিনিয়র সহকারী জজ ও ঘরভাড়ার নিয়ন্ত্রক আদালত, চট্টগ্রাম ৩০ দিনের মধ্যে দোকান সংস্কার করে ভাড়াটিয়া নির্মল চন্দ্র রায়কে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বললেও জমিদার মোঃ মাসুদ গং আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উল্টো নতুন করে দোকানে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন। ভাড়াটিয়া নির্মল রায় দোকান খুলতে গেলে এবং দোকানের সামনে ময়লা পরিস্কার করতে গেলে জমিদার মোঃ মাসুদ গং বাধা প্রদান করেন এবং উল্টো নানা রকম হুমকি ধমকি দিয়ে দোকান খুলতে দেননি এবং দোকানের সামনে দীর্ঘদিনের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করতে দেননি। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের লোকজন পরিস্কার করতে আসলে তাদেরকেও তাড়া করেন। অভিযোগ রয়েছে মোঃ মাসুদ শ্রমিক লীগ নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন নানা রকম অপকর্ম করে আসছেন বন্দরটিলা এলাকায়। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব খাটিয়ে এতদিন দোকানটি সংস্কার করতে খুলে দেননি। বাধ্য হয়ে নির্মল রায় সিনিয়র সহকারী জজ ও ঘর ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আদালত, চট্টগ্রাম বরাবরে গত ১৫ জুন ২০২৩ একটি মামলা দায়ের করেন, যাহার মামলা নং-ঘরভাড়া-২৭/২৩। এ বিষয়ে ইপিজেড থানার এস.আই মোঃ সাজ্জাদ বলেন- নির্মল রায়ের পক্ষে আদালতের আদেশ রয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী আমরা জমিদারকে দোকান সংস্কার করে খুলে দিতে বলেছি। এ বিষয়ে জমিদার মোঃ মাসুদ বলেন – আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করেছি। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে ১ম পক্ষ জমিদার মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এর কাছ থেকে ২য় পক্ষ ভাড়াটিয়া নির্মল চন্দ্র রায় ও বিমল চন্দ্র রায় দোকানটি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা সালামী মূলে দখল স্বত্ব নিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ