আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে আমবাগান শেখ রাসেল পার্ক এখন শহীদ ওয়াসিমের নামে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের একটি পার্ক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিমের নামে করার ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রাম নগরের আমবাগান এলাকায় ‘শেখ রাসেল’ পার্কের নাম বদলের ঘোষণা দেন মেয়র। মঙ্গলবার (সকালে পার্ক পরিদর্শন শেষে ‘শেখ রাসেল’ পার্কের নাম ‘শহীদ ওয়াসিম’ পার্ক হিসেবে নামকরণের ঘোষণা দেন তিনি। মেয়র বলেন, ার্কটি এখন থেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে এবং পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে। পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কাজ করা হবে। সবাই এখানে আসতে পারবে, হাঁটতে-ঘুরতে পারবে।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম পাহাড়-সমুদ্রনন্দিত একটা শহর। পর্যটন ট্যুরিজম সিটি। তবে ঠিকমতো ফোকাস করা যাচ্ছে না। এর কারণে পার্ক থাকার পরও কেউ ভালোভাবে ঘুরতে পারছে না। এ পার্কগুলোকে ভালো পর্যায়ে এনে আমরা চাই সবুজের সমারোহ গড়তে। এখানে পাহাড়ি একটা ভাব আছে, বসার জায়গা আছে।
মেয়র আজ থেকে পার্কের নতুন নামকরণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম। তাঁর নামে এ পার্ক নামকরণ করা হবে। আজ থেকে এটার নাম ‘শহীদ ওয়াসিম পার্ক’। এটা সবার জন্য উন্মুক্ত করতে চাই।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের নামে এ পার্ক করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। নগরের রেলওয়ে আমবাগান শহীদ শাহজাহান মাঠ সংলগ্ন জায়গার ওপর আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এ শিশু পার্ক নির্মিত হয়। রেলওয়ের বিশাল জায়গা জুড়ে অনেকটা ডিসি হিলের আদলে গড়ে তোলা হয়েছিল এ পার্ক। তবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেখানে দর্শনার্থীদের যাওয়া আসা নেই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

নতুন প্রজন্মের হাত ধরে কাঙ্খিত সাফল্যের বন্দরে নোঙর করতে পারবো : মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেছেন, মোবাইলে স্ক্রলিং করছিলাম। দেখলাম একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী অভিযোগ করছেন, তোমরা বিনিয়োগ বিনিয়োগ করো, বিনিয়োগের জন্য রোড শো করো।

সোমবার রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউতে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা করেন। এ সময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যখন অনুকূল পরিবেশ পাবেন তখন তাঁরা আমাদের অ্যাম্বাসাডর হবেন বলেও মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি। আমরা এগোচ্ছি, এটাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমার মনে হয় যে গতিতে এগোনোর কথা সেটা পারছি না। তাই সিরিয়াস হতে হবে। আমি আশাবাদী, নতুন প্রজন্ম আমাদের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ। আমি আশা করি, তাদের হাত ধরে আমাদের কাঙ্খিত সাফল্যের যে বন্দর তাতে নোঙর করতে পারবো। জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবো।

সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি পাবলিক ট্রাস্ট ও কনফিডেন্ট অর্জন করতে না পারে, আমরা যদি জনগণের আস্থা, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা অর্জন করতে না পারি তাহলে আমাদের অস্তিত্ব প্রশ্নের সম্মুখীন হবে। তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় অধিকতর দায়িত্বশীল, দেশপ্রেমিক হতে হবে।

পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গ খাপ খাইয়ে উন্নয়নের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে হবে। মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হবে। যারা সেবা দিচ্ছি, যারা নিচ্ছেন সবাই দেশের নাগরিক। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যদি আমরা কাজ করি, হৃদয়ে ধারণ করি হৃদয়ঙ্গম করি তাহলে আমরা উন্নত দেশ হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

অতন্দ্র প্রহরা আর দৃঢ় অঙ্গীকারে দেশের সুরক্ষায় বাংলাদেশ কাস্টমস’ প্রতিপাদ্যে এবার কাস্টমস দিবস উদযাপিত হচ্ছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মো. নেয়ামুল ইসলাম। প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ কাস্টমসের কার্যক্রমের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কাস্টমস বন্ড কমিশনার মো. মাহফুজুল হক ভূঞা বলেন, ২২ বছর কাস্টমস ও ভ্যাটে চাকরি করছি। শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারীদের কাছে সময় গুরুত্বপূর্ণ। বন্দরে আমদানি পণ্য পড়ে থাকা মানে ডেমারেজ। ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ, আপনাদের স্টাফদের আইনি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। তাহলে আর সময়ক্ষেপণ হবে না।

চট্টগ্রামের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার শেখ আবু ফয়সাল মো. মুরাদ বলেন, আমি যে চেয়ারে বসেছি তার বিপরীতে যিনি বসেছেন তিনি আমার চেয়ারেও বসতে পারতেন। সেটি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করলে সমস্যা থাকে না। মাইন্ডসেট চেঞ্জ করতে হবে।

কক্সবাজার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মো. ফজলুল হক বলেন, কাস্টমসের মূল কাজ ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন। এনবিআর অটোমেশনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এবার আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল হয়েছে। আমার অনুরোধ, সবাই সঠিক কাজটি করবো।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, কাস্টমস রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করে। বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাস্টমসের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, সমৃদ্ধ করতে হবে।
চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবিদা সুলতানা বলেন, আশা করি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কাস্টমস সেবা আরও বিস্তৃত হবে। নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করতে হবে। রপ্তানিতে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে চাই আমরা।

স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন বলেন, কাস্টমস বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আর্থসামাজিক প্রতিষ্ঠান। এটি বর্ডার ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। মানি লন্ডারিং বন্ধে কাস্টমসের ভূমিকা দৃঢ় হচ্ছে। ই অকশন কার্যক্রম গতিশীল করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়নে কাস্টমস নিরন্তর কাজ করছে। জাতীয় সুরক্ষায় কাজ করছে কাস্টমস।

সভাপতির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উদযাপন আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক ও কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট (আপিল) কমিশনার আবুল বাসার মো. শফিকুর রহমান বলেন, কাস্টমসকে জাতীয় ও সমাজের সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হয়। অন্যান্য দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয় আমাদের ব্যবসায়ীদের। তাই সময়টা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সর্বোত্তম চেষ্টা করবো দেশের উন্নয়নের জন্য। এ দেশকে ভালোবাসতে হবে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ