চট্টগ্রামে আসার পথে চিন্ময় ব্রহ্মচারী আটক, সনাতনীদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক শ্রীকৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) সংগঠক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।ঢাকা থেকে বিমানে চট্টগ্রামে ফেরার উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন বলে ইসকনের এক কর্মকর্তা জানান। এদিকে তাকে আটকের খবর চট্টগ্রামে এসে পৌঁছলে কোতোয়ালী থানাধীন চেরাগীর মোড়ে সনাতনীরা বিক্ষোভ করেন। সন্ধ্যা ৭টায় এ রিপোর্ট লেখাকালে শত শত সনাতনী সংগঠক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তি দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
জানা গেছে, ইসকন নেতা চিন্ময় ব্রহ্মচারীর বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানায় রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাকে নগরের কোতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হতে পারে বলে জানা গেছে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনি ‘চিন্ময় প্রভু’ নামে পরিচিত। এছাড়া তিনি পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ।
তাকে আটকের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে সাদা পোশোকে কিছু লোক সাদা একটি গাড়িতে তুলে নেয় বলে অভিযোগ করেন তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী আদিত্য দাশ।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর ব্যক্তিগত সহকারী আদিত্য দাশ বলেন, গাড়ি থেকে এয়ারপোর্টে নামার পর বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে কয়েকজন লোক এসে ডিবি পরিচয়ে ‘স্যারের সঙ্গে কথা আছে’ বলে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। ঢাকা থেকে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে নভোএয়ারে চট্টগ্রাম ফেরার কথা ছিলো আমাদের এমনটি বলেছেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‘আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে দেখে রাইখেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের এক সহকারী ব্যবস্থাপকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে হালিশহরের এ ব্লকের নিজ বাসা থেকে মোহাম্মদ আবুল হোসাইন (৪৬) নামে ওই ব্যাংকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্দ্বীপের সারিকাইত ইউনিয়নে আবুল হোসাইনের বাড়ি। জনতা ব্যাংক মুরাদপুর শাখার ঋণ শাখার দায়িত্বে ছিলেন।

মরদেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়। চিরকুটে ব্যাংকের ঋণ বিতরণ নিয়ে চাপ, একটি মামলার কারণে দুশ্চিন্তা এবং নিজের আর্থিক সংকটের কথাও উল্লেখ করেছেন আবুল হোসাইন।চিরকুটে লেখা রয়েছে, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমাকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আপনারা দেখে রাখবেন। আবুল হোসাইন অফিসের ‘চাপ ও হতাশা’ থেকেই আত্মহত্যা করেছেন ধারণা পুলিশের।

হালিশহর থানার ওসি মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ বাসা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মরদেহের পাশ থেকে পাওয়া চিঠিতে লিখেছেন, মুরাদপুর শাখার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নানাবিধ প্রেশার, লোন দেওয়া না দেওয়া, ফাইল আরও কত কী?
এতে আরও লেখা হয়, ব্যবসার বকেয়া ও মানুষের কাছে পাওনা টাকা আদায় না হওয়ায় তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন।’ ওই সংকটের মধ্যে গত ৪ আগস্ট স্ত্রীর নামে থাকা একমাত্র ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করতে বাধ্য হন বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

চিঠিতে ২০২১ সালের একটি ঋণ বিতরণের বিষয়ও এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই ঋণ বিতরণকে কেন্দ্র করে লালদীঘি শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক হিসেবে তার এবং আরও তিন সহকর্মীর বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা করা হয়েছে।আমি নির্দোষ ও নিরপরাধ শতভাগ। এ চিন্তায় গত দুই সপ্তাহ যাবৎ আমি ঘুমাতে পারি নাই-উল্লেখ ছিল চিঠিতে।নিজের স্ত্রী সম্পর্কে আবুল হোসাইন লিখেছেন, আমার স্ত্রীর মতো এত মমতাময়ী, দরদি স্ত্রী পাওয়া আমার সৌভাগ্য।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।


মানববন্ধন থেকে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম কে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। না হলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোডে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, ডিবি কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা সংবলিত স্থানে একজন নারীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাবনা প্রেসক্লারেবর সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাজানো ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ন্যাক্কারজনক। যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও সাজানো তথ্য প্রচার স্বাধীন সাংবাদিকতার হুমকিস্বরূপ। তাই আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাবনা ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ তিনি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।
না হলে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি করেন বক্তারা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক পাভেল মৃধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সম্পাদক আব্দুল মতীন খান, সাবেক সভাপতি ও এনটিভি-সমকালের স্টাফ রিপোর্টার এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চীফ উৎপল মির্জা, একুশে টিভি মানব জমিনের সটাফ রিপোর্টার রাজিউর রহমান রুমী, বাংলাদেশ টুডে প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান, জিকে সাদী, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, প্রথম আলো প্রতিনিধি সরোয়ার মোর্শেদ উল্লাস, আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী বাবলা, এটিএন নিউজ ও আগামীর সময় প্রতিনিধি রিজভী জয়, ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি জিয়াউল হক রিপন, বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা সমিতি পাবনার সভাপতি আব্দুল মজিদ প্রমুখ। এ সময় প্রায় শতাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক নামধারী একটি কুচক্রী মহল পাবনা প্রেসক্লাবের বিপরীতে প্রায় একই নামে সংগঠন খুলে মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। মূলধারার সংবাদকর্মীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি কতিপয় অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় এক তরুণী কে ব্যবহার করে পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সাজানো নাটকের আশ্রয় নেয়।

মানববন্ধন শেষে ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পাবনা পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিক নেতারা। আর তার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি রাজশাহী ও পাবনার জেলা প্রশাসক কে।

এদিকে এর আগে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নাফিসা তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেন যে, সুবর্ণা হালিম নামের এক নারী নেত্রী তাকে জিম্মি করে প্রেসক্লাব সম্পাদত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মা-বাবার উপস্থিতিতে সোহেল রানা বিপ্লব নামে এক কথিত সাংবাদিক এই সাজানো বক্তব্য ভিডিও ধারণ করেন। নাফিসা ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে থানায় দেওয়া মিথ্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিম পরিবার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে এনেছিলাম আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে কেউ হয়তো ভিডিও করেছে।পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ