আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গাজীপুরে যুবলীগ নেতার ভয়ে ঘরছাড়া অসহায় ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরে আওয়ামী যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম(৪০) এর ভয়ে বিগত এক সপ্তাহ যাবৎ ঘরছাড়া অসহায় কসমেটিক্স ব্যবসায়ী মোঃ এন্তাজ আলী ও তার পরিবার। প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন।
ভুক্তভোগী মোঃ এন্তাজ আলী সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া কয়রা বাজার মৃত আব্দুল খালেক এর ছেলে। বর্তমানে সে গাজীপুর মহানগরীর সদর মেট্রো থানা লক্ষ্মীপুরা এলাকার রোকন এর ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছে।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকালে স্থানীয় একটি পত্রিকার অফিসে এসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে নিজের অসহায়ত্ব তুলে ধরে ভোক্তভোগী মোঃ এন্তাজ আলী বলেন, গাজীপুর মহানগরির ২৭নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আবুল কাশেমের মেয়ের সাথে আমার ছেলের আমাদের অগোচরে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক ঘরে তুলে। একসময় তারা দুজনে ভালোবাসার টানে পরিবার কাউকে কিছু না জানিয়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায়।
তারই ধারাবাহিকতায় যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম ও তার সহযোগীরা আমাকে ধরে আমার চোখ বেঁধে বেধড়ক মারধর করে থাকে, এসময় আমার ছোট মেয়ে মিম আক্তার(১৬)এগিয়ে আসলে তাকেও আবুল কাশেম জনসমক্ষে বেধড়ক মারপিট করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। তারপর আবুল কাশেম ও তার সহযোগীরা আমাকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে একটি অটোরিকশা তুলে ধান গবেষণার নির্জন কবরস্থানে নিয়ে আবারও অমানবিক ভাবে আমাকে মারধর করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা ৪(চার)টি সাদা কাগজে জোরপূর্বক আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিক স্বাক্ষর নেয়। পরবর্তিতে জিএমপি সদর মেট্রোথানা পুলিশে সহযোগিতায় আমি গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় অবস্থায় মারধরের বিষয় নিয়ে আমি যাতে কোন রকম বাড়াবাড়ি না করি এই মর্মে যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম হাসপাতালে এসে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দিয়ে যায় এবং সে আমার ভাড়া বাসা ও দোকানে তালাবদ্ধ করে রাখে।
এমতাবস্থায় আবুল কাশেমের ভয়ে আমি হাসপাতাল থেকে এই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাই, সেখানেও গিয়ে আবুল কাশেম ও তার সহযোগীরা পুনরায় আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দিতে থাকে। আমি ও আমার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমি প্রশাসনের নিকট ন্যায়বিচার চাই। এ ঘটনায় ভোক্তভোগী মোঃ এন্তাজ আলীর স্ত্রী মোসাঃ মাফিয়া (৪২) বাদী হয়ে জিএমপি সদর মেট্রোথানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত আবুল কাশেম গাজীপুর মহানগরীর ২৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।
এ বিষয়ে জিএমপি সদর-মেট্রো থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি প্রেম ভালোবাসা নিয়ে। থানায় আমরা একটি অভিযোগ পাই। পরবর্তিতে উভয়পক্ষ অভিযোগ করছে, তারা আমার কাছে আসছিল, তারা বলছে যে আমরা ছেলে মেয়েকে খুঁজতেছি। খুঁজে একটা সেটেলমেন্টে যাব। তিনি আরও বলেন, তারা যদি এ বিষয়ে মামলা করতে চায় আমরা মামলা নিবো এবং সম্পূর্ণ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটে সাত আসনে জিতেছে ‘না’ ভোট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গতকাল সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গণভোটে সারাদেশের মোট সাতটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে।
সাতটি আসনের মধ্যে তিনটি গোপালগঞ্জ জেলার। বাকি আসনগুলো হলো- বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-১৩। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ফলাফল শিট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি জানিয়েছে, বান্দরবানে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭টি। ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬টি।
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ৮০ হাজার ৫৮০টি হ্যাঁ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬২৯টি।
রাঙামাটিতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯টি। সেখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন।
এছাড়া খাগড়াছড়িতে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৩ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৫টি এবং ‘না’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২টি।এদিকে, গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় গোপালগঞ্জ-১ আসনে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৯৮টি। পক্ষান্তরে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৫৪ হাজার ৭১৬টি।গোপালগঞ্জ-২ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৩০১টি, ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯০টি।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৯৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৩৬৮টি

চট্টগ্রামে মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দনকাননস্থ মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স সারকারী হিসেবে দুইদিন বন্ধ দেয়ার নিয়ম থাকলেও একদিন বন্ধের নোটিশ দেয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের একদিন বন্ধের নোটিশ সাঁটানোর পর থেকে শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। এদিকে একদিন বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম)’র কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি।
জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারী মার্কেটটি বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের নোটিশ সাাঁটানো হয়।সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম) ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত

ওই নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” অনুষ্ঠিত হবে। “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬” উপলক্ষ্যে সরকারী গেজেট বন্ধ থাকায় আগামী ১২/০২/২০২৬ বৃহস্পতিবার সকল বৈদ্যুতিক দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ থাকবে। অতএব, আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ রেখে

“আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” এ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।অন্যদিকে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন তাদের নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত
আজ সোমবার দেয়া নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১১ ও ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং, রোজ- বুধবার ও বৃহস্পতিবার, ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ।

অতএব আমরা বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে উক্ত ২ দিন আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ রাখার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করিতেছি। এ বিষয়ে সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক বলেন, আমরা মার্কেট দুইদিন বন্ধ রাখার নোটিশ দিয়েছি। তবে মালিক পক্ষের একদিন বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ