আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

নগরকান্দায় একই রাতে ৪ বাড়িতে ডাকাতি 

মিজানুর রহমান  নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ঃ

Oplus_0
সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক রাতে ৪ বাড়িতে দুর্ধর্ষ  ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ১৫ ডিসেম্বর শনিবার দিবাগত রাতে বিভিন্ন সময়ে  উপজেলার চরযোশরদী ইউনিয়নের বানেশ্বরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ডাকাত দল  বানেশ্বরদী গ্রামের তৈয়াব মুন্সীর বাড়ি,  সাইফুল মন্ডলের বাড়ি, ইকবাল খন্দকারের বাড়ি ও কটক খন্দকারের বাড়িতে ডাকাতি করে নগদ অর্থ স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়।

প্রবাসী সাইফুল মন্ডলের স্ত্রী রুনা বেগম বলেন, রাত আনুমানিক তিনটার দিকে ১০/১২ জনের একটি ডাকাত  দল  আমার বাসায় সামনে এসে ডাকাডাকি করে এবং দরজা খুলতে বলে । আমি ঘুম থেকে জেগে দরজা খুলতে রাজি না হওয়ায় আমার দরজার কেচি গেইট  ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। সবাই মুখোশ পরা এবং তাদের হাতে রামদা ছিল। আমি বাসায় একা থাকার সুবাদে ওরা আমাকে হাত বেঁধে ফেলে। পরে আমার বাসার সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে ও মেশিনটি খুলে নিয়ে যায়। এরপর  আলমারি ভেঙ্গে আলমারিতে থাকা সাড়ে ৩ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পরে আমার হাত বাধা অবস্থায় পাশে আমার চাচতো  বোনের বাড়িতে আমাকে নিয়ে যায়। আমাকে বলে  পাশের বাড়ির তোর বোন রোকসানাকে ডেকে তুলবি।   অস্ত্রের  মুখে আমি বাধ্য হই আমার বোনকে ডেকে তুলতে। বোন আমার ডাকে  দরজা খোলা  মাত্র ডাকাতরা ভিতরে গিয়ে আমার বোনের বাড়িতে লুটপাট চালায়।

তৈয়াব মুন্সির স্ত্রী  রোকসানা বেগম জানান, রাত আনুমানিক চারটার দিকে আমার বোন আমাকে ডাকলে আমি তৈরি করি দরজা খুলে দেই।  আমি বুঝে ওঠার আগেই ১০/১২ জন  ডাকাত দল আমার ঘরে ঢুকে পড়ে। আমার স্বামী তৈয়ব মুন্সী একটি মামলায় আসামী হয়ে জেলাজতে আছেন। ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে আমাদের পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে আলমারি ভেঙ্গে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা স্বর্ণলঙ্কা ও ৬ টি মোবাইল ফোন  নিয়ে যায়। এভাবে এক এক করে চারটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে নিশ্চিন্তে পালিয়ে যায় ডাকাত দল।

থানার এস আই আমিনুর রহমান বলেন,  আমি অভিযোগ পেয়ে  সরে জমিনে গিয়েছিলাম। তৈয়াব মুন্সী একজন মাদক ব্যবসায়ী। তাই মনে হচ্ছে ঘটনাটি সাজানো নাটক। তৈয়ব মুন্সি যদি ডাকাতি নাটক সাজায় তবে  অন্যান্য বাড়িতে ডাকাতের ঘটনায় জিজ্ঞাসা করা হলে এসআই বলেন অন্যান্য বাড়ির লোকদের   কোন অভিযোগ নেই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ