আজঃ সোমবার ২৯ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের অর্ধগলিত লাশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানাধীন রেললাইনের পাশ থেকে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার পরিচয় শনাক্ত না হলেও পুলিশ বলছে, লাশটি তিন থেকে চারদিন আগের। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে কলোনির ১৯ নম্বর পরিত্যক্ত ভবন সংলগ্ন রেললাইনের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থলে যাওয়া খুলশী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বেলাল বলেন, আমরা দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে এসে লাশটি উদ্ধার করেছি। তার আনুমানিক বয়স ২৮ বছর। এটি সম্ভবত তিন থেকে চারদিন আগের। মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে তিনি আরো বলেন, এখানে পাশেই রেললাইন রয়েছে। আর রেললাইনের অদূরে একটি ১৯ নম্বর পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। সেখানেই এই যুবকসহ কয়েকজন থাকতো। নেশা করে তারা রাতে রেললাইনে ঘুমায় আবার সকালে চলে যায়। লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ভাঙ্গুড়ার আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে এসিল্যান্ড;

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বরাদ্দ সরকারি ঘর বিক্রি, দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত রাখা এবং পরিত্যক্ত ঘরে জুয়া, মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত তৎপর হয়েছে পাবনা জেলা প্রশাসন।পাবনা জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম এর নির্দেশনায় আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মিজানুর রহমান।

গত মঙ্গলবার উপজেলার চর-ভাঙ্গুড়া, পৌরসভাসহ বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘুরে দেখেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দা, উপকারভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং বিক্রি হয়ে যাওয়া ও দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ঘর গুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে, ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ অর্থ-বছরের মধ্যে ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্মিত ১০১টি আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘরের মধ্যে অন্তত ৩৫টি ঘর আশি(৮০) হাজার থেকে সাড়ে তিন (৩,৫০,০০০) লাখ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২৫টি ঘর দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,
এসব পরিত্যক্ত ঘরে নিয়মিত জুয়া, মাদক সেবন ও নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেন পাবনা জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম।
তাঁর নির্দেশনায় অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে নামেন
ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপে স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে যে, দীর্ঘদিনের অভিযোগের একটি কার্যকর সমাধান মিলবে অবশ্যই।

স্থানীয়দের মতে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের মাথা গোঁজার স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করা। কিন্তু অনিয়ম ও দুর্বল তদারকির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সেই লক্ষ্য ব্যাহত হয়েছে। তাই তারা প্রশাসনের চলমান উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরকারি ঘর ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সচেতন মহলের অভিমত, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত মাঠপর্যায়ের তৎপরতা সরকারি প্রকল্পে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। তদন্ত শেষে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বাস্তবায়নের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়মও অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

পরিদর্শন শেষে ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, “জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্তে যেসব উপকারভোগী সরকারি আশ্রয়ণ ঘর বিক্রি করেছেন অথবা বরাদ্দ পাওয়ার পরও সেখানে বসবাস করছেন না, তাদের বরাদ্দ সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বাতিল করা হবে। এরপর যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের নামে নতুন করে আবার ঘর বরাদ্দ দেওয়া হবে। সরকারের এই মানবিক প্রকল্পের কোনো ধরনের অপব্যবহার বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জাফর উল্লাহ খান’র মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের শোক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হালিশহর থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব হাবিবুল্লাহ খান রাজু’র পিতা জাফর উল্লাহ খান চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য ২৭ জুন শনিবার বিকাল ৩.৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে সহ আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ। এক শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে আমরা একজন নিবেদিত প্রাণ, সৎ ও মানবিক ব্যক্তিত্বকে হারালাম।

ব্যক্তি জীবনে তাঁর অবদান, সততা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। উনার প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহ তাআলা উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দান করুন – আমিন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ