আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চান্দগাঁও থানা পুলিশের অভিযান

আন্তঃ জেলার মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় ৩ জন সদস্য গ্রেফতার

স ম জিয়াউর রহমান

৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর), সিএমপি, চট্টগ্রাম মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ চান্দগাঁও থানা জনাব মোঃ আফতাব উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই (নি:) ইমরান ফয়সাল সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ চান্দগাঁও থানার মামলা নং-১৬, তাং-১৭/১১/২০২৪ইং, ধারা-৩৮০ পেনাল কোড মামলার চোরাই যাওয়া মোটর সাইকেল উদ্ধার সহ আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনাকালে গুপ্তচরের তথ্যের ভিত্তিতে জানিতে পারেন যে, মামলার চোরাই যাওয়া মোটর সাইকেল ও আসামী ফেনী জেলা ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় আছে।
পরবর্তীতে এসআই (নি:) ইমরান ফয়সাল এসআই(নিঃ) মৃনাল কান্তি মজুমদার, এসআই(নিঃ) কাজী মনিরুল করিম, এসআই(নিঃ) হৃদয় মাহমুদ লিটন, এএসআই (নিঃ) জালাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স সহ ইং ০২/০১/২০২৫ তারিখ ১৪.০৫ ঘটিকার সময় নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন বসুরহাট নতুন বাস স্ট্যান্ড এর পশ্চিম পাশে মহিনের গ্যারেজে উপস্থিত হইয়া আসামী মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮)কে গ্রেফতার পূর্বক তাহার হেফাজত হইতে চোরাই যাওয়ার ০১টি Apache RTR উদ্ধার করেন। আটককৃত আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তি মতে এবং আসামীকে সহ অভিযান অব্যাহত রাখিয়া চান্দগাঁও থানাধীন ইং ০৩/০১/২০২৫ তারিখ রাত ০১.৩০ ঘটিকার সময় চান্দগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলায় (ব্যাচেলর বাসা) উপস্থিত হইয়া আসামী মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২) ও আসামী নীরব শীল @ সুজন (২৯) দ্বয়কে আটক করেন। উল্লেখিত আসামীদ্বয়ের স্বীকারোক্তি মতে চান্দগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলায় (ব্যাচেলর বাসা) সামনে হইতে ক) ০১ (এক)টি লাল কালো রংয়ের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল ও খ) ০১ (এক)টি লাল কালো সাদা রংয়ের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল এবং গ) ০১টি ডিসকভার মোটর সাইকেল, যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্টো-হ-১৮-৪১৫১ উদ্ধার করি।

উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল।
১) ০১ (এক)টি লাল কালো রংয়ের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল।
২) ০১টি ডিসকভার মোটর সাইকেল, যাহার রেজিঃ নং-চট্টমেট্টো-হ-১৮-৪১৫১।
৩) ০১ (এক)টি লাল কালো সাদা রংয়ের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল।
৪) ০১টি Apache RTR মোটর সাইকেল গাড়ী।

গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম-ঠিকানা- ১। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮), পিতা-মৃত ইউসুফ আলী, মাতা-রাবিয়া বেগম, সাং-সাইতলা, তোফাজ্জল এর বাড়ী, পোঃ ঝালাইউরা, থানা-শ্রীমঙ্গল, জেলা-মৌলভীবাজার, বর্তমানে-ফতেয়াবাদ, সন্ধীপ কলোনী, ওয়ার্ড নং-০১, থানা-হাটহাজারী, জেলা-চট্টগ্রাম, ২। মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২), পিতা-মোঃ শাহাদাৎ হোসেন @ শাহাদাৎ মিয়া, মাতা-বকুল আক্তার @ পারভীন, সাং-রাঙ্গুনিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে, গুচ্ছ গ্রাম, বকুলের ৬০নং ঘর, থানা-রাঙ্গুনিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে- বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে, মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলা (ব্যাচেলর বাসা), ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড, থানা-চান্দগাঁও, জেলা-চট্টগ্রাম, ৩। নীরব শীল @ সুজন (২৯), পিতা-বাদল শীল, মাতা-মৃত স্বরসতী শীল, সাং-সাধনপুর, রেবোতি শীলের বাড়ী, ওয়ার্ড নং-০৪, থানা-বাঁশখালী, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-বসুন্ধরা ক্লাবের বিপরীতে, মেম্বারের বিল্ডিংয়ের নীচ তলা (ব্যাচেলর বাসা), ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড, থানা-চান্দগাঁও, জেলা-চট্টগ্রাম।
গৃহিত আইনগত ব্যবস্থাঃ চান্দগাঁও থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০১/২০২৪ইং, ধারা-৪১৩/১০৯ পেনাল কোড রুজু করা হয়েছে।
থানার রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস যাচাই করিয়া ধৃত ০১নং আসামী মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৮) ১। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার ,এফআইআর নং-৩৮, তারিখ- ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৫২৪, তারিখ- ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৮০ পেনাল কোড, ২। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার এফআইআর নং-২৫, তারিখ- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৫১১, তারিখ- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৪৫৭/৩৭৯ পেনাল কোড, ৩। মৌলভীবাজার এর শ্রীমঙ্গল থানার নন জিআর নং-২৩৬/১৭, তারিখ- ০৯ আগস্ট, ২০২৩; ৪। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার এফআইআর নং-২৪/৬৭, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২; জি আর নং-৬৭/২২, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২; ধারা- ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন এর ১৯(ধ)/১৯(ভ), ৫। সিএমপি এর বায়েজিদ বোস্তামি থানার এফআইআর নং-৭/৫১০, তারিখ- ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৮; ধারা-১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১) এর ৯(খ), ৬। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার এফআইআর নং-১৬, তারিখ- ০৯ জুলাই, ২০১৭; ধারা-১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২২(গ), ৭। চট্টগ্রাম এর হাটহাজারী থানার , এফআইআর নং-৭, তারিখ- ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩; জি আর নং-৩১০, তারিখ- ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, ৮। ফেনী এর সোনাগাজী থানার ,এফআইআর নং-১৫, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; জি আর নং-১৭৩, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; ধারা- ৩৭৯/৪১১/৪১৩ পেনাল কোড, ৯। ফেনী এর সোনাগাজী থানার এফআইআর নং-১৩, তারিখ- ০৬ জুন, ২০২৩; জি আর নং-১৪২, তারিখ- ০৬ জুন, ২০২৩; ধারা- ৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড মামলা সমূহে এবং ধৃত ০২নং আসামী মোঃ আবুল কালাম আজাদ (২২) ১। চট্টগ্রাম এর রাউজান থানার এফআইআর নং-১৪, তারিখ- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; জি আর নং-৩১, তারিখ- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪; ধারা- ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, ২। ফেনী এর সোনাগাজী থানার এফআইআর নং-১৫, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; জি আর নং-১৭৩, তারিখ- ১৫ জুলাই, ২০২৩; ধারা-৩৭৯/৪১১/৪১৩ পেনাল কোড মামলা সমূহে অভিযুক্ত মর্মে পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ