পাইকগাছায় সরকারি ইজারাকৃত খাল দখলের অভিযোগ 

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাইকগাছায় সরকার কর্তৃক ইজারা দেওয়া বদ্ধ খাল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ এনেছেন ইজারাপ্রাপ্ত আজিজুল ইসলাম গাজী।
প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কাটাবুনিয়া নদী(বদ্ধ) ৩০.৯২ একর জলমহলটি গত ইং- ০২/১/২০২৪ তারিখ ৩১.০০.০০০০.০৫০.০৩১.২৩.১০৯ নং স্মারকে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১৪৩১ থেকে ১৪৩৬ বঙ্গাব্দ মোট ৬ বছর মেয়াদে সরকারি জলমহাল কমিটি ইজারা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। সে মতে চাঁদখালীর কালিদাসপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লি: অনুকূলে প্রথম চার বছর ২ লক্ষ ৬৭ হাজার পাঁচ শত টাকা ও পরবর্তী দুই বছর উক্ত অংকের ২৫% বর্ধিত মূল্যে ইজারা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইজারাপ্রাপ্তের পর থেকে সমিতির সভাপতি মোঃ আজিজুল ইসলাম গাজী উক্ত জলমহালটি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত টাকা পরিশোধ পূর্বক শান্তিপূর্নভাবে ভোগদখল করে আসছে বলে জানান।
এমতাবস্থায় আজিজুল ইসলাম গাজী অভিযোগ করেন, গত ইং-০১/০১/২০২৫ তারিখ জনৈক আয়ূব আলী গং আমার ইজারাপ্রাপ্ত ৩০.৯২ একর জলমহালের মধ্যে ১ একর জমি বাঁধ বন্দী দিতে থাকলে আমি তাদের বাঁধা দেওয়ার পরও তাহারা আমার কথা কর্নপাত করেনি। এসময়ে আমি উপায়ন্তর না পেয়ে থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করলে ওসি সাহেব আমাকে এসিল্যান্ডের সাহেবের সরনাপূর্ন হতে বলে। তখন আমি বিষয়টি এসিল্যান্ড সাহেবকে অবগত করি। এসময়ে তিনি তাৎক্ষণিক থানা পুলিশকে সরকারি সম্পত্তি রক্ষার্থে ওসি সাহেবকে বলে দেন। সে মোতাবেক থানা থেকে এএসআই মাসুদ সরজমিনে যেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে আবারো আয়ূব আলী গং উক্ত জমিতে বাঁধ বন্দী দিতে থাকে। এ ঘটনা আমি থানা পুলিশকে অবগত করলে এএসআই মাসুদ আমাদের উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে এসিল্যান্ড সাহেব নির্দেশের আলোকে কাজ বন্ধ রেখে তাহার দপ্তরে যোগাযোগ করার জন্য উভয় পক্ষকে বলে দেন। এর পরও আয়ূব আলী গং উল্লেখিত নির্দেশনা অমান্য করে বহাল তবিয়তে অদ্য ০৫/০১/২০২৫ তারিখ বাঁধ বন্দীর কাজ চলমান রেখেছে। তাছাড়া এ খাল দিয়ে ইউনিয়নের একাধিক খালের পানি নিষ্কাশন হয় বলে জানান আজিজুল গাজী।
অপরদিকে আয়ূব আলী জানান, আমি ২০০১ সালে এ জমির মধ্যে থেকে ১ একর(৩ বিঘা) জমি স্থায়ী বন্দবস্ত পেয়েছি। এবং জমির কর খাজনা পরিশোধ করে আসছি। এছাড়াও এ জমি কৃষি ব্যাংকে বন্দক রেখে লোন নিয়েছি যা চলমান রয়েছে।
এবিষয়ে পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম জানান, বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি এবং নায়েব কে সরজমিন যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ