আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ওয়ার সিমেনট্রি ইতিহাসের অপর নাম

সোমা মুৎসুদ্দী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একটা সময় ছিলো ব্রিটিশ শাসন আমাদের পূর্বপুরুষেরাও ছিলো ব্রিটিশের অধীনে,সেই সাথে আমাদের প্রিয় চট্টগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাস আমাদেরকে সমৃদ্ধ করেছে, আমাদের আছে নিজস্ব, ইতিহাস ও সংস্কৃতি। ইতিহাস ঐতিহ্যের প্রথম পর্বের অনুভূতিতে আজ বলবো চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেনট্রির কথা।ওয়ার সিমেনট্রি, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি।

১৯৪১ সাল থেকে ১৯৪৫ সালে বার্মায় সংগঠিত যুদ্ধে যে ৪৫,০০০কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন তাদের স্মৃতি রক্ষা করার জন্য, মায়ানমার তৎকালীন (বার্মা),আসাম এবং বাংলাদেশের নয়টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে।একটি চট্টগ্রামে এবং অপরটি কুমিল্লায়। প্রতিবছর এবং প্রতিদিন, প্রচুর দর্শনার্থী যুদ্ধে নিহত সৈনিকদের প্রতি সম্মান জানাতে এসকল রণ সমাধি ক্ষেত্রে আসেন।চট্টগ্রাম রণ সমাধি মূলত,২য় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫)নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও ব্রিটিশ সৈন্যদের কবরস্থান।এটি

১৯৪৩থেকে ১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে।এটি চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদীবাগ এলাকার ১৯ নং বাদশাহ মিয়া সড়কে অবস্থিত।এয়ারপোর্ট থেকে দূরত্ব ২২কিলোমিটার। এবং পোর্ট থেকে দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। ওয়ার সিমেনট্রি চট্টগ্রাম আর্ট কলেজের এবং ফিনলে গেস্ট হাউজের খুব কাছেই অবস্থিত।এই সমাধিক্ষেত্রটি (C.W.G.C)কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ও তারাই এই সমাধিক্ষেত্রটি পরিচালনা করেন।প্রতিবছর নভেম্বর মাসে সকল ধর্মের ধর্মগুরুর মাধ্যমে এখানে একটি বার্ষিক প্রার্থনাসভা হয়ে থাকে।চট্টগ্রামে তৎকালীন সময়ে ছিলো অনেক বড় হাসপাতাল। এছাড়া চট্টগ্রামে ছিলো যুদ্ধ সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্র গভীর সমুদ্র বন্দর। যেখান থেকে মিত্র বাহিনী আরাকান এলাকায় তাদের সামরিক অভিযান পরিচালনা করতো। ব্রিটিশ

সেনাবাহিনী দিয়ে নির্মিত এই সমাধি ক্ষেত্রে প্রথমদিকে মোট ৪০০টি কবর ছিলো। বর্তমানে ওয়ার সিমেনট্রিতে ৭৫৫টি কবর আছে।এর মধ্যে অধিকাংশ হলো সেই সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকেরা। তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ এনে এখানে সমাহিত করা হয়।বিভিন্ন বাহিনী অনুয়ায়ী এখানে মারা যাওয়া শহীদদের মধ্যে ১৪ জন নাবিক,৫৪৩জন সৈনিক ১৯৪জন বৈমানিক ও ৪ জন বেসামরিক মানুষ ছিলেন।সব মিলিয়ে ৭৩৮জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিলো।ওয়ার সিমেনট্রির প্রবেশমুখে একটি মেমোরিয়াল আছে,যেখানে ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় সমুদ্রে নিহত রয়াল ইন্ডিয়ান নেভী ও মার্চেন্ট নেভী এর ৬,৪৬৯নাবিকের নাম ও পরিচয় সংরক্ষণ আছে।সমাধিক্ষেত্রটির প্রবেশমুখে একটি তোরণ ঘর যার ভেতরে দেয়ালে এই সমাধিক্ষেত্রটির ইতিহাস ও বিবরণ ইংরেজী ও বাংলায় লিপিবদ্ধ করে একটি দেয়াল ফলক

লাগানো রয়েছে।ভিতরে সরাসরি সামনে প্রশস্থ পথ,যার দুইপাশে সারি, সারি কবর ফলক।সৈন্যদের যার যার ধর্ম অনুযায়ী, তাদের কবর ফলকে,নাম মৃত্যু তারিখ পদবীর পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিক লক্ষ্য করা যায়। খৃষ্টানদের কবরফলকে ক্রুশ,মুসলমানদের কবর ফলকে আরবি লেখা উল্লেখযোগ্য।প্রশস্থ পথ ধরে সোজা সামনে রয়েছে সিঁড়ি দেওয়া বেদি তার উপর শোভা পাচ্ছে খৃষ্টান ধর্মের প্রবিত্র প্রতিক ক্রুশ প্রতি পর পর দুটি কবর ফলকের মাঝখানে সারি, সারি ফুলগাছ শোভা পাচ্ছে।এছাড়াও পুরো সমাধিক্ষেত্রে রয়েছে প্রচুর গাছ, যা আগত দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেনট্রি সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২ টা ও দুপুর দুইটা থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।আগে মূল সমাধিক্ষেত্রে ঢুকতে পারলেও কয়েক বছর ধরে নিরাপত্তার জন্যই সমাধিক্ষেত্রের ভেতরে ঢোকা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কেউ ঢুকতে চাইলে আগেই কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা পাস নিতে হবে।ইতিহাস ঐতিহ্যের নগরী চট্টগ্রাম, আমাদের আছে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি, শহরের মাঝেই একটুকরো সমাধিক্ষেত্র দেখার জন্য প্রতিদিন শত, শত লোক ভিড় করেন ও সৈনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, পরিবার পরিজন নিয়ে অবসরে আপনিও আসতে পারেন চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেনট্রি, সেই সাথে সবুজের নান্দনিকতা আপনাকে মুগ্ধ করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জীবন সংস্কৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কতনা অদ্ভূত সমাজ
মিথ্যাকে বিশ্বাস করে
সত্যের প্রমান চায়,
সাপের মতো খোলস বদল
স্বভাব থেকে যায় ।

কতনা অদ্ভূত সমাজ
ভাল কাজ মুছে যায়
সময়ের বাঁকে,
মন্দ কাজ রেকর্ড হয়
ইতিহাসের ফাঁকে ।

কতনা বিচিত্র জীবন সংস্কৃতি
একদিন না পেলে
ভুলে যায় স্মৃতি ,
স্বার্থের মোহে অন্ধ মানুষ
লাভের গায় গীতি ।।

কতনা অদ্ভূত মানুষ
অবুঝ তার মন,
সত্যকে আড়াল করে
মিথ্যার অনুশীলন।

কতনা অসহায় মানুষ
যত পায় তত চায় ,
অফুরন্ত চাহিদা তার
অভাব থেকে যায় ।

কতনা অবুঝ মানুষ
হিসেবের খাতায় ভুল
ক্ষনিকের মোহ মায়ায়
সৃষ্টির প্রেমে আকুল ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় টাকার কাছে
লোভের কাছে
বন্ধুত্বের কাছে
কখনো ভালবাসার কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় বিবেকের কাছে
সময়ের কাছে
অবশেষে মৃত্যুর কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
উজাড় করে জীবন,
একদিন নিজেই বোঝা
কেউ থাকেনা আপন।

কতনা অসহায় মানুষ
জানেনা তার কখন মরণ,
যেতে হবে ছেড়ে
মায়ার বাঁধন,
সব যাবে মুছে
কেউ করবেনা স্মরণ ।

এই বুঝি দুনিয়ার নিয়ম
বিদায়ের পরিনতি,
হাসি আর কান্নার মাঝে
জীবনের ইতি ।

রচনাকাল: ১৫/১২/২০২৫

দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংসকারীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মন্ত্রী শুক্রবার চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও স্বাধীনতা কমপ্লেক্স পরিদর্শন পরবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে তাঁর অবদান দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাধীনতা কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ করা হয়েছিল, যা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পুনরায় এর নাম ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়া। পরবর্তীতে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা,সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম, সেনাপ্রধান ও সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নাম ও অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে, তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। সরকার এসব স্থাপনা পুনর্গঠন করে জনগণের জন্য আবার উন্মুক্ত করবে।

দেশের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সামান্য মূল্য সমন্বয়কে কেন্দ্র করে দেশে যে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে, তা অযৌক্তিক। সকলকে দেশপ্রেমিক হতে হবে, কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বা গণতন্ত্রহীনতার দিকে আমরা যেতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি।

তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যা এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন।পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ