মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করায় রুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও রুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য রাজিব মাহমুদ কর্তৃক বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা রুয়েট লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

এ সময় তারা ‘বিশ্বনবীর অপমান, সইবেনারে মুসলমান’, ‘আমার নেতা তোমার নেতা, বিশ্বনবী মোস্তফা’, ‘একশন টু একশন, ডাইরেক্ট একশন’, ‘বিশ্বের মুসলিম, এক হও লড়াই কর’, ‘নবীর দুশমনের ঠিকানা, এই দুনিয়ায় হবেনা’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের বিক্ষোভ মিছিল পালন করে এবং মিছিল শেষে সকলে জমায়েত হয়ে ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন।

দাবিগুলো হলো: এস আর মাহমুদকে রুয়েট থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে হবে; অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে; প্রশাসন থেকে স্পষ্ট বিবৃতি প্রদান করতে হবে; এস আর মাহমুদ অবস্থান স্পষ্টকরণ এবং অবস্থান স্পষ্ট না করলে সনদ বাতিল করতে হবে; এস. আর. মাহমুদসহ সকল নবী অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে; সংবিধানে নবী অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ড আইন করতে হবে।

শিক্ষার্থীরা রাসুল (সা.)-কে মানবতার দূত, হৃদয়ের স্পন্দন এবং কলিজার টুকরো উল্লেখ করে আবেগাপ্লুত হয়ে তাঁর অপমানের কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তারা আরও বলেন, ‘আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য। আমরা চাই উক্ত ব্যক্তির যথাযথ আইনি বিচার নিশ্চিত হোক এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন রাসূলের নামে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার সাহস না পায়, সেই বার্তা দিচ্ছি।’

প্রসঙ্গত রাজিব মাহমুদ রুয়েট যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০১০-১১ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে রুয়েট অ্যালামনাই গ্রুপে তিনি বিশ্বনবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করেন। তার এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানালে গ্রুপের অ্যাডমিন প্রতিবাদকারীদের গ্রুপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় রুয়েটের প্রাক্তন ও বির্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ এবং উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রতিবাদে ও শাস্তির দাবি জানিয়ে রুয়েটের ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দিতে দেখা যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পণ্যের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত নজরদারি বাড়ানো জরুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে পরিবহন খরচ বাড়ায় কয়েকটি পণ্যের দাম ইতোমধ্যে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সড়ক ও নৌপথে পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। ডিজেলের দাম এক লাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ার ধাক্কা পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণগুলোর একটি পরিবহন ব্যয়। শুধু সড়কপথ নয়, নৌপথেও বেড়েছে পরিবহন খরচ। খাতুনগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্য পাঠাতে লাইটারেজ জাহাজ ব্যবহার করা হয়। ডিজেলের দাম বাড়ায় এসব জাহাজের পরিচালন ব্যয়ও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে পণ্যের দামে।
খাতুনগঞ্জের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, আগে যে ট্রাকটি চট্টগ্রামে পণ্য আনতে ২৫ হাজার টাকা ভাড়া নিত, ডিজেলের দাম বাড়ার পর সেই ভাড়া প্রায় ১০ হাজার টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ ২৫ হাজার টাকার ভাড়া এখন প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হয়েছে। বাড়তি এই পরিবহন ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু বক্কর বলেন, ডিজেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ভাড়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। আগে বগুড়া থেকে ট্রাকে করে পণ্য আনতে আমাদের সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা খরচ হতো। এখন সেটি প্রায় ১০ হাজার টাকা বেড়ে গেছে। একইভাবে নৌপথেও ভাড়া বেড়েছে। শুধু দেশের ভেতরে নয়, বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্য পরিবহনেও ব্যয় বেড়েছে।
খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, আদা ৩ টাকা বেড়ে ৯৫ টাকা এবং রসুন ৪ টাকা বেড়ে ১২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় লাল মরিচ ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৫০ টাকা এবং ভারতীয় মিষ্টি মরিচ ৫ টাকা বেড়ে ৪৪০ টাকা হয়েছে। চিনির দামও কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকায়।
এ ছাড়া মোটা মসুর ডালের দাম ২ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা, মুগ ডাল ৮ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকা, মটর ডাল ২ টাকা বেড়ে ৫৪ টাকা এবং সাদা মটর ৩ টাকা বেড়ে ৫৪ টাকা হয়েছে। চিকন মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫৭ টাকা কেজি দরে। তবে ছোলার দাম এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ছোলা ৯৫ টাকা এবং ভারতীয় ছোলা ৯৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর পাশাপাশি বেড়েছে ভোজ্যতেলের দামও।
এক ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ডিজেলের প্রভাবে স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে যে হারে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে, সে তুলনায় পণ্যের দাম এখনো স্থিতিশীলই আছে। কিন্তু মানুষের আয় না বাড়ায় কেনাকাটা কমেছে।
বাজারে যাতে অপ্রত্যাশিতভাবে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানো না হয়, সেজন্য নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে এর প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বাড়তি খরচের চাপ ক্রেতার ওপরেই পড়ছে। সেজন্য বাজারে নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

চট্টগ্রামে নকল ঘি বিক্রি, ২ লাখ টাকা জরিমানা গুনল এম আর কনজিউমারস

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে নকল ঘি বিক্রি করার অপরাধে এম আর কনজিউমারস প্রোডাক্টসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করাসহ নানা অপরাধে আরও তিন প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) নগরীর বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকার অধিদপ্তর চট্টগ্রাম।

অভিযানে নকল ঘি উৎপাদনের দায়ে এম আর কনজিউমারস প্রোডাক্টস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয় বিক্রয় ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় আরিফের ফল বিতানকে ১ হাজার টাকা, পারভিন ট্রেডার্সকে ১০ হাজার টাকা, এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকার অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ