চট্টগ্রাম মহানগর থেকে আ.লীগ-ছাত্রলীগের ৪৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে আ.লীগ-ছাত্রলীগের ৪৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, নগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছে। নগরের বিভিন্ন থানায় গত ২৪ ঘণ্টায় এদের গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা থেকে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

তারা হলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মো. ছালামত আলী চৌধুরী (৭০), আলমগীর মিয়া (৩২), মো. আলাউদ্দিন (৩৮), সাব্বির হোসেন মণ্ডল (৪৬), আরফান উদ্দিন (৩৩), রহিম উদ্দিন রাজিব (২৭), মো. সাজ্জাদ হোসেন রিয়াজ (২৭), মুহাম্মদ আরিফ সিকদার প্রকাশ মুন্না (৩৩), মো. রনি (৩৯), মো. শামীম (২৮), মো. শাহজাহান প্রকাশ সাজু (৪০), মো. জাকির হোসেন (২২), মো. শরিফ উদ্দিন (২২), মো. নুরুল ইসলাম (৫৬), মো. নুরুল আলম (৫৫), আবু আহাম্মেদ

(৫৭), মো. আসিফুর রহমান প্রকাশ আসিফ (৩৮), আব্দুল মালেক সওদাগর (৫৫), মাহফুজুর রহমান প্রকাশ সুজন (২৭), মিরাজ উদ্দিন প্রকাশ রবিন (২৪), মো. পারভেজ(২৭), মুনতাসির আবছার প্রকাশ রিফাত (২৩), মো. নুরুল জামান (২৩), মো. ইবনে মিজান প্রকাশ রুবেল (৪৫), তুহিন মুরাদ (৩২), মো. জাহিদুল ইসলাম (৩৮), মো. ইশতিয়াক মুন্না (৩৫), মো. ইলিয়াছ (৫১), মো. আব্দুল মমিন আনজুম (২৭), মো. আব্দুল আলী প্রকাশ কালু, মো. ওয়াহিদ (২৭), মো. মোজাম্মেল তারেক (২৪), সৈয়দ নিজামুল হক (২৮), মো.গোলাম নবী (৫৫), মো. আনিসুল ইসলাম প্রকাশ সৌমিক (৩১), মো. মাহিম (১৯),

মো. আরিফ হোসেন (২৪), মো. শহিদুল ইসলাম শাওন (২৪), মো. আলী আজগর (৪০),মাহমুদুল হক (৫০), মো. আরিফ (২০), মো. সুমন (৩০), তৌহিদুল ইসলাম (৩২), এসএম সেলিম উদ্দিন (৫৪), মো. মনির (৩৬) ও মো. সানি (২৯)।
চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি) মাহমুদা বেগম জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে ও সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে এক বা একাধিক মামলার আসামি ৪৬ জনকে গ্রেফতার করা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আওয়ামী লীগ ফেরানোর চেষ্টা করছে জামায়াত : মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান কথাবার্তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশেদ খাঁন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।

জামায়াতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে রাশেদ খান বলেছেন, দলটি মুখে এক কথা বলে, আর ভেতরে অন্য কিছু ধারণ করে। তারা একদিকে সরকারকে সহযোগিতার কথা বলছে, অন্যদিকে কীভাবে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনে ১৯৯৬ সালের মতো আন্দোলন করা যায়, সেই চেষ্টা করছে। এ কারণে তাদের ভূমিকা নিয়ে সবার মধ্যে সন্দেহ ও সংশয় তৈরি হয়েছে।

সরকার পতনের আন্দোলনের জন্য জামায়াত বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে বেছে নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তারা রাজপথে থাকবেন। যারা বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা না করে সরকার পতনের আন্দোলন করবে এবং সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করবে, দেশের জনগণ তাদের শক্ত হাতে রুখে দেবে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খাঁন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সবার দায়িত্ব ছিল রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করা। কিন্তু জামায়াতের সেই বিষয়ে কোনো মনোযোগ নেই। ইসলামকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে কীভাবে ক্ষমতায় যাওয়া যায়, দলটি সেই চেষ্টা করছে। ইসলামি মূল্যবোধের কথা বলে তারা ইসলামেরই ক্ষতি করছে। এ সময় বর্তমান সরকারকে সহযোগিতার বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের আমিরের ইতিবাচক অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি জানান, মাত্র সাত মাসের একটি সরকারের বিরুদ্ধে কেন লংমার্চ করা হচ্ছে, সে প্রশ্ন তুলেছেন হেফাজতের আমির। মুনাফিকি আচরণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করায় হেফাজতের আমিরসহ সংগঠনটির নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

বাপ-দাদার সম্পত্তি ছেড়ে দেয়ার হুমকি
আতংকে দিন কাটাচ্ছে একটি পরিবার
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় বাপ দাদাদের আমল থেকে ভোগ দখলে থাকা একটি সম্পত্তি ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। ওই মহল নিজেদের অংশ রয়েছে দাবি করে জায়গাটি চেড়ে না দিলে জায়গার মালিকের ক্ষতি করবে বলেও শাসিয়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে বাকলিয়ার ১৮ নং ওয়ার্ডের কালামিয়া বাজারের মিয়াখান রোড আবুল খায়ের সওদাগরের বাড়ির ইসলাম ভিলার মৃত হাজী নুরুল ইসলামের পুত্র মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ (৫৬) দুইটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। একই সাথে চট্টগ্রাম আদালতে একটি মামলাও করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার পাশাপাশি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জানা গেছে, বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী নয়া খালের দক্ষিণ পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি আরএস খতিয়ান নং-৩৩৩৮, দাগ নং-২১৩৫৪,২১৩৫৫ জায়গায় মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ টিনসেড ঘর এবং খালী জায়গা পৈত্রিক সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে রয়েছেন। গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজাখানী নয়া খালের দক্ষিণ পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনিতে মৃত ফজল করিমের পুত্র মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪৮), মোহাম্মদ আজিজ (৫০),তাদের সহযোগী মিন্টু (২৮) মোহাম্মদ হারুন উর রশিদকে জানান, উক্ত জমিতে তাদের অংশ রয়েছে। যদি তাদের জায়গা ছেড়ে না দেন তাহলে যে কোন ধরনের ক্ষতি করবে বলে হুমকী প্রদান করে। মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ তাদের কাগজ পত্র নিয়ে বসতে বললে তাকে গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখায়। এতে নিরুপায় হয়ে মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ ১৮ জুলাই বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং: ১১৬৮) দায়ের করেন।

একই সাথে বাকলিয়া থানাধীন রাজাখালী বিশ্ব রোড পূর্ব পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি টিনের ঘর সেমি পাকা দোকান ও দুতলা ভবন বিএস নামজারী খতিয়ান নং -৫৪২/১৩, দাগ নং-৬৪২১,৬৪২২,৬৪২৩,৬৪২৪ জমির পরিমাণ ৩২শতক খরিদা সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ দখলে রয়েছেন মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ। গত ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় রাজাখালী বিশ্ব রোড পূর্ব পাশে ইসলাম সওদাগরের কলোনি টিনের ঘর সেমি পাকা দোকান ও দোতলা ভবনে এসে রাজাখালী খালের দক্ষিণ পাড়ের বাসিন্দা মৃত ফজল করিমের পুত্র মো. ইদ্রিস মিয়া (৫৬), মো. আজিজ মিয়া (৫০), মৃত শমসের আলীর পুত্র মো. আব্বাস আলী (৫৫), তাদের সহযোগী মো. সাদেক প্রকাশ কালু(৩৫) মোহাম্মদ হারুন উর রশিদকে জানায় উক্ত জমিতে তাদের অংশ রহিয়াছে। যদি জায়গা ছেড়ে না দেয় তাহলে যে কোন ধরনের ক্ষতি করবে বলিয়া হুমকী প্রদান করে এবং মোহাম্মদ হারুন উর রশিদের ভাড়াটিয়াদের ঘর ছেড়ে চলে যেতে বলে। মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ তাাদের কাগজ পত্র নিয়ে বসতে বললে তাকে ও তার পরিবার পরিজনদের গালাগালিসহ প্রাণনাশের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখায়।

এ বিষয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং: ১০৪) দায়ের করেছেন।
এর আগে মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ বাদী হয়ে একটি মিস মামলা (নং-১২৮৫/২৬ ) দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম মহানগরের উপ সহকারী প্রশাসিনিক কর্মকর্তা গত ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটের রেকর্ডের জন্য আদেশনামা প্রদান করেন। এতে বিরোধীয় ভুমি দখল মালিকানা বিষয়ে নির্ধারিত ছক মোতাবেক স্ক্যচ ম্যাপসহ প্রতিবেদনের জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ওই ভূমিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে বলা হয়।

মোহাম্মদ হারুন উর রশিদ বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি এদের অংশ রয়েছে। সেটা ভালো কথা, তবে কাগজপত্র নিয়ে বসতে বললে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ করে আমাকে ও আমার পরিবারকে হৃমকি দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, জায়গা আমাদের তারা কাগজ পাবে কোথায়, সেজন্য তারা বসতে পারছেনা। শুধ জায়গা ছেড়ে দিতে হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই প্রার্থীসহ ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন, ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ