আজঃ বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিকদল কমিটি অনুমোদন।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল চট্টগ্রাম মহানগর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিকদল কমিটি ৭১বিশিষ্ট।
সভাপতি কাজি ফোরকান রেজা ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম সোহাগ কে দিয়ে ৭১ বিশিষ্ট একটি কমিটি অনুমোদন করেন চট্টগ্রাম মহানগরীর।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর সড়ক পরিবহন শ্রমিক দলের সভাপতি – ফোরকান রেজা, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ রাজেন হোসেন সম্রাট ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এ নুর জনি সহ সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনআহমদ নুর এরিক, সাংগঠনিক সম্পাদক চট্টগ্রাম বিভাগ। বিশেষ অতিথি বক্তব্য তিনি বলেন এ সরকারের প্রথম সংস্কার হলো দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
সংস্কারের নামে দেশে নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে। চারদিকে মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

উল্লেখ্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি০১/০২/২০২৪ ইং
কাজি ফোরকান রেজা ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম সোহাগ কে মোট ৭১সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল চট্টগ্রাম মহানগর শাখা কমিটি ঘোষনা করে, প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজেন হোসেন সম্রাট ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মালেক সুমন। সেইসাথে তারা এই কমিটি স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাজেন হোসেন সম্রাট তিনি বলেন। সভায় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন এবং দলের প্রতি আনুগত্য থাকার পরামর্শ দেন। সেইসাথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম এবং আরো যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি এক মিনিট দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ জেএনপি খানকা শরীফে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশন পরিচালনা করেন আলহাজ মোহাম্মদ ইয়াসিন। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মোহাম্মদ সৈয়দ মুসা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল কাদের এবং প্রধান বক্তা ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এ সময় শাখার পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক আলহাজ মোহাম্মদ মুনসুর আলম। আরও বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী নুর নবী, ইউনিয়ন মল শাখার সভাপতি মোহাম্মদ ছৈয়দ হোসাইন মানিক, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এবং সদস্য মোহাম্মদ আলমগীর ও মোহাম্মদ আব্দুল করিম।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশন পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ হাসান মুরাদ। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মোহাম্মদ মনছুর আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী মোহাম্মদ ওমর গনি এবং প্রধান বক্তা ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ মোবারক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ ইকতিয়ার, মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল গফুর নোমানী, মাওলানা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মাওলানা মোহাম্মদ আমিন ও হাজী ইয়াকুব,সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক আরমান চৌধুরী সহ আরও অনেকে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মাঈনুদ্দীন, মাওলানা মোহাম্মদ মুনসুর আলম, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ ইয়াসিন, মোহাম্মদ মুনসুর, মোহাম্মদ শাফি, হাফেজ এনাম, মোহাম্মদ হারুন এবং মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল হক।আলোচনা সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ১৪৪ সদস্যবিশিষ্ট গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।

এতে আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুল কাদের সভাপতি,
মোহাম্মদ মুনসুর আলম নির্বাহী সভাপতি এবং
নুরুল আবছার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল করিম। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের অবদান অবিস্মরণীয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিক কাজ করে মজুরি নিবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই মজুরি নেওয়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকরা কত বিড়ম্বনার স্বীকার হয় তা যারা ভুক্তভোগী একমাত্র তারাই জানেন। নির্যাতিত ও ভুক্তভোগী শ্রমিকদের বেতন কাঠামোর ধরন কিভাবে নির্ধারণ করা হবে তা এদেশের শিল্প এবং শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল। এতে করে শ্রমিক মালিকদের দ্বন্দ্ব বিভাজন প্রতিনিয়ত লেগেই থাকতো।

এমনিই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নিয়ম নীতির আলোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মাধ্যমে সমাধান করার জন্য শ্রমিকের বেতন, মজুরি বোর্ড গঠন, বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে সরকারি গেজেট প্রণয়ন আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ-এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী ও সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোজাম্মেল হকের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অদ্য ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় মাঝিরঘাটস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি এম. নুরুল হুদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাস্টার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন এই দুই নেতার অবদান দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তারা আমাদের অনুসরনীয় ব্যক্তিত্ব। নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে শ্রমিকদের গেজেটের মজুরি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মনিরুল ইসলাম মাস্টার।

তিনি বলেন, নৌ-সেক্টরে বিরাজমান সংকট থেকে উত্তরণের তাদের অবদান স্মরণীয়। এতে আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার জামান মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজগর হোসেন তালুকদার, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম, সহ সম্পাদক রশিদ আহমদ মাস্টার, সাজ্জাদ হোসেন জনি, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান বাবু ড্রাইভার, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সাব্বির আফরোজ, ইয়াহিয়া খান কুতুবী, মিরাজ হোসেন, সোহাগ লস্কর, আল আমিন, মো. ফিরোজ সুখানী, কাজল মোড়ল প্রমুখ। সভায় আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরআন তেলাওয়াত এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন আইচ ফ্যাক্টরী রোড মহিউসুন্নাহ মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হক।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ