চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটিতে পদ বঞ্চিত এনামুল হকে অনুসারীরা প্রেসক্লাবের সামনে নতুন বিএনপির আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

মানববন্ধনে যোগ দিতে আসা অধিকাংশই এস আলম গ্রুপের কারখানায় কর্মরত শ্রমিক, এমনটাই অভিযোগ প্রতিপক্ষের।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এস আলম গ্রুপের ‘গাড়িাকান্ড’র কারণে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটিতে পদ বঞ্চিত এনামুল হকে অনুসারীরা প্রেসক্লাবের সামনে নতুন বিএনপির আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে যোগ দিতে আসা অধিকাংশই এস আলম গ্রুপের কারখানায় কর্মরত শ্রমিক।
বৃহস্পতিবার (৬ ই ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় মিছিল সহকারে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হতে থাকে তারা। এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া ছবি সম্বেলিত প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায় এনামের অনুসারীদের।
এরআগে দুপুর একটায় প্রেসক্লাবের সামনে একদফা জড়ো হবার চেস্টা করে তারা। তবে স্থানীয় বিএনপির পূর্বঘোষিত ফ্যাসিবাদ বিরোধী মিছিলের কারণে তারা বেশি সময় অবস্থান করতে ব্যর্থ হয়। পটিয়া ও কর্ণফুলী উপজেলা থেকে বাসযোগে এনামের অনুসারীরা জামালখান এলাকায় এসে স্থানীয় ছাত্রদল-যুবদল কর্মীদের বাঁধার মুখে পড়ে। প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রলীগ – আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে চলা মিছিলের মুখোমুখি হয় এনামের অনুসারীরা। পরে তারা এলাকা ত্যাগ করে। পুনরায় বেলা তিনটার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হয় তারা। তবে পুলিশের বাধার মুখে পনের মিনিটেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হকের অনুসারীরা।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে করা মানববন্ধনে অংশ নিতে আসা কয়েকজন জানান ‘ইলিয়াস কন্ট্রাক্টর’ ও ‘ মাহবু ‘ নামের দুই ব্যক্তি তাদেরকে পাঠিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুইজনই এস আলম গ্রুপের ঠিকাদার। তারা এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক সরবরাহ করে থাকেন।
আবু আহমেদ ও বশির উদ্দিন নামের দুই বিক্ষোভকারী জানান, বিএনপি কি নিয়ে মানববন্ধন করেছে তাদের জানা নেই। তবে ইলিয়াস বাসযোগে তাদের শহরে পাঠিয়েছেন। তাদের সাথে কথা বলার সময় পাশ থেকে কয়েকজন লোক এসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে নিষেধ করেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন ঘোষিত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সম্বলিত প্লেকার্ড বহন করে তারা। সাবেক সিটি মেয়র প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ‘ এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ‘ সাথে ইদ্রিস মিয়ার সখ্যতার অভিযোগ তোলে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতারা। তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে নতুন আহবায়ক ইদ্রিস মিয়ার সখ্যতা ছিলো। তিনি মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না।
পুলিশের অনুরোধে তারা সাড়ে তিনটার দিকে প্রেসক্লাব এলাকা ত্যাগ করে চেরাগি পাহাড়ের দিকে মিছিল নিয়ে সরে যান।
৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর ‘এস আলম’ গ্রুপের লক্ষাধিক কোটি টাকা পাচারের বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতা এনামুল হক, আবু সুফিয়ান,মামুন মিয়াসহ দলটির নেতাদের সাথে দেশের অর্থ লুটপাটকারী এস আলম গ্রুপের সখ্যতার বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনা সমালোচনার জন্ম দেয়। নতুন কমিটি ঘোষণার পর মানববন্ধনে এস আলম গ্রুপের শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করা নিয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির কোন নেতা কথা বলতে রাজি হন নি। মুঠোফোনে এনামুল হকের সাথে যোগাযোগ করা করা হলে তিনিও সাড়া দেন নি।
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর দেশের আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলমের বিলাসবহুল গাড়িকাণ্ডে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি। গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের কালুরঘাট এলাকার একটি ওয়্যারহাউস থেকে একে একে ১৪টি বিলাসবহুল গাড়ি বের হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। আলোচিত-সমালোচিত শিল্প গ্রুপ এস আলমের গাড়িগুলো পার করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দক্ষিণ জেলা বিএনপির তখনকার তিন নেতার বিরুদ্ধে। তাঁরা হলেন আগের কমিটির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক ও সদস্য মামুন মিয়া। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওই তিন নেতাকে দল থেকে শোকজ করা হয়। পরে তাঁদের তিনজনের প্রাথমিক সদস্যপদ স্থগিত করা হয়। অভিযুক্ত এনামুল হকসহ ওই নেতাদের নতুন আহবায়ক কমিটিতে পদে রাখা হয়নি। পদবঞ্চিত এনামুল হকের অনুসারীরা নতুন আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে জড়ো হয় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে।
প্রসঙ্গত, গত রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচ সদস্যের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয় আলী আব্বাসকে। আংশিক এই কমিটিতে আরও আছেন লিয়াকত হোসেন ও মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। তাদের দুজনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।এর মধ্যে আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মার্গের সামনে নিহত ছাত্রী মাইশার মায়ের আহাজারি : ‘আমার মাইশা’ কই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মার্গের সামনে মাইশার মা সালমা বেগম কেবল চিৎকার করে বারবার ডাকছিলেন মেয়েকে। ‘আমার মাইশা, আমার ঝি। কখনো আহাজারি, কেন এমন হলো!’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে চমেক হাসপাতালে শুধু সালমা বেগম নয়, মাইশার সহপাঠী শিক্ষার্থীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা কোনোভাবেই মাইশার এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না।

মাইশা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্রী। বাড়ি মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া এলাকায়। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতেন। সকালে সীতাকুণ্ডের কুমিরায় ক্যাম্পাসের সামনে বাসচাপায় মারা যান। মাইশার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেও সহপাঠীদের কথা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ কো-অর্ডিনেটর জাহেদ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, ক্লাস বাতিল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ফিরে যাচ্ছিলেন মাইশা ও তার এক বান্ধবী। বাসের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তারা। তাদের তোলার জন্য একটি বাস দাঁড়ায়। ওই মুহূর্তে পাশ থেকে একটি লরি বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি উল্টে দুই শিক্ষার্থীর গায়ের ওপর পড়ে। হাসপাতালে মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মাইশার বান্ধবী রাজিয়া বেগম সামান্য চোট পেয়েছেন। তার বাড়িও মিরসরাইয়ে। কিন্তু এমন ঘটনায় রাজিয়া হতভম্ব। তাকে ফেনীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থেকে হাসপাতালে ছুটে আসেন মা সালমা বেগম। তিনি এসে দেখেন সব শেষ। এরপর আহাজারি করতে থাকেন সালমা বেগম।

কয়েক বছর আগে মাইশার বাবা মারা যান। দুই ভাইবোনের মধ্যে মাইশা বড়। নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। পড়ালেখা শেষ করে মা ও একমাত্র ভাইয়ের দায়িত্ব নেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেল একটি সড়ক দুর্ঘটনায়। মাইশার মা কীভাবে নিজেকে সান্ত্বনা দেবেন।

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলছে। দুপুর দেড়টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছিল। শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্রী দূর্ঘটনায় মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা এলাকা অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাস্তা পারাপারের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মাইশা মুশফিরাত (২১) নামে এক শিক্ষার্থী মারা যান। আহত হন তার দুই সহপাঠী।নিহত মাইশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
স্থানীয়দের বরাতে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট শফিউল আলম জানান, সকালে দুটি লরি পরস্পরকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। একটি লরি ৮ নম্বর রুটের একটি লোকাল বাসকে ধাক্কা দিলে বাসটি উল্টে গিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। তাদেরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাইশাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান ইভা জানান, দুর্ঘটনার শিকার তিন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সকালে ক্যাম্পাসে আসছিলেন।সার্জেন্ট শফিউল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত দুটি লরি এবং বাস জব্দ করা হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক ওই শিক্ষার্থীকে মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে দুর্ঘটনার খবর জানার পর প্রতিবাদে মহাসড়কের দুই পাশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধের কারণে উভয়পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।

এ সময় পাঁচদফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চালককে গ্রেপ্তার, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, ডিপোর অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, ক্যাম্পাস ফটকে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ