আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নেত্রকোণায়’ বিজয় একাত্তর ‘ পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন ও কবি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় কবি সম্মাননা ও ‘বিজয় একাত্তর ‘ পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন এবং লেখক কপি বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারী,২০২৫) মোক্তারপাড়াস্হ আর্যগৃহে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।নেত্রকোণা আবৃত্তি নিকেতন ও বিজয় একাত্তরের পক্ষ থেকে শিল্প সাহিত্যাঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ভালোবাসার কবি তানভীর জাহান চৌধুরীকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন, প্রফেসর ননী গোপাল সরকার। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন –প্রফেসর শীতাংশু কুমার ভদ্র,প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল,বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাস আহমেদ কোরেয়েশী,কবি ও সাংবাদিক কামাল হোসাইন, সাংবাদিক পল্লব চক্রবর্তী, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি সাংবাদিক শামীম তালুকদার, প্রভাষক কনক পন্ডিত, কবি তৌফিক

আজিজ,সিনিয়র শিক্ষক প্রশান্ত সরকার, প্রত্যাশা সাহিত্য গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক রিপন,কবি ও শিক্ষক সাইফুন্নাহার, কবি তানভীয়া আজিম,কবি রীমি ফেরদৌসী, সাংবাদিক সোহেল রেজা,সাংবাদিক আব্দুর রহমান, কবি ও সাংবাদিক মুহা. জহিরুল ইসলাম অসীম, কবি হাবীবা আক্তার সাজেদা,কবি দেবব্রত দাস,বাচিক শিল্পী পহেলী দে, কবি পারভেজ কামাল প্রমুখ। আবৃত্তি করেছেন, অবন্তী, পূর্বা, পৃথা,বর্ষা ও বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী কবি পহেলী দে।

অনুষ্ঠানের প্রারম্ভেই কবি তানভীর জাহান চৌধুরীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন নেত্রকোণা আবৃত্তি নিকেতনের শিক্ষার্থীবৃন্দ।কবিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন কবি সাইফুন্নাহার ও কবি তানভীয়া আজিম।কবির হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি প্রফেসর শীতাংশু কুমার ভদ্র। কবি তানভীর জাহান চৌধুরী উক্ত অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করেন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কৃষিবিদ শহিদুল ইসলামের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিবচর উপজেলায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় উপজেলার সূর্যনগর বাজার এলাকার হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের একটি আন্ডারপাসের নিচে মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশে খবর দিলে শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

পরে জানা যায়, নিহত ঐব্যক্তিটি কৃষিবিদ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। তিনি আন্তর্জাতিক গম ও ভূট্টা গবেষণা কেন্দ্র(সিআইএমএমওয়াইটি)- এর রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পটুয়াখালী জেলার মহিপুর ইউনিয়নের সেরাজপুর গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে ঢাকার গুলশান এলাকায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের একটি শাখায় পে-অর্ডার জমা দিতে গিয়ে শহীদুল ইসলাম নিখোঁজ হন।

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের সাথে সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাহাড়তলীস্থ চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি) এর সাথে চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের মতবিনিময় সভা শুক্রবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে আয়োজিত সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাাখেন চক্ষু হাসপাতালের উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাষ্টি আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানীর পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ছানি রোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন।

বক্তব্য রাখেন, কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ফাহমিদা, মো. মামুন প্রমূখ। ম্যানেজিং ট্রাষ্টি মো. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠাতা আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এমন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন যা বাংলাদেশ নয় দক্ষিণ এশিয়ায় আছে বলে মনে হয়না। তিনি এ প্রতিষ্ঠানটি যাতে সুরক্ষিত থাকে সে জন্য সাঈদ আল নোমানকে লক্ষ্য রাখার আহবান জানান।

সভায় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তার আত্মজীবনী ‘প্লেজার অ্যান্ড পেইন’’ নামক গ্রন্থটি সাঈদ আল নোমানের হাতে তুলে দেন। এ সময় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন সাঈদ আল নোমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার যে দুঃসাহস দেখিয়েছে সেজন্য তিনি তার এই সাহসকে শ্রদ্ধা করেন। এমন দুঃসাহস জন্য আমরা গর্বিত।

তিনি বলেন, এমন শিক্ষিত, নন্দিত ব্যক্তি রাজনীতিতে আসার খুব কম নজির রয়েছে। তিনি তাঁর আরো সফলতা কামনা করেন। সাঈদ আল নোমান বলেন, মানবতার কন্যানে মানুষকে ভাালোবেসে আমার অভিভাবক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে এই ৫৪ বছরে অনেক জঞ্জাল, সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমরা যদি আমাদের সামষ্টিক শক্তি ধরে রাখতে পারি তাহলে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারবো।

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট। খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ