বিশ্ব জ্যোতিষ সম্মেলনে প্রখ্যাত জ্যোতিষী শ্রী কার্তিক কুমার আচার্য্যের জ্যোতিষ শাস্ত্রে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন

স ম জিয়াউর রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের ওয়ার্ল্ড এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির উদ্যোগে ২৪তম আন্তর্জাতিক জ্যোতিষ সম্মেলন কলকাতার আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রোড হোটেল হিন্দুস্থান ইন্টারন্যাশনালে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের মহাপ্রজ্ঞাবান জ্যোতিষী পন্ডিত মলয় শাস্ত্রী। উক্ত সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন মায়ানমারের পন্ডিত টিন ও, ড. চো চো উইন, ড. নন্দ খেউ, বাংলাদেশের ঢাকার বিশিষ্ট জ্যোতিষী হারুনুর রশিদ এবং সিলেটের বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের সদস্য

এডভোকেট দিলীপ কুমার দাশ এবং জ্যোতিষী অধ্যক্ষ এ.আর. আচার্য্য, ও দক্ষিণ ভারতের কেরালার প্রখ্যাত জ্যোতিষী প্রফেসর ড. দিবাকরণ কুগ্ধকাটু সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের জ্যোতিষীবৃন্দ।
সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রখ্যাত জ্যোতিষী শ্রী কার্তিক কুমার আচার্য্যকে তাঁহার গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশেষ অবদানের জন্য অনারেবল ‘ডক্টর অব এস্ট্রোলজী’ পিএইচডি ডিগ্রী প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য যে, কার্তিক কুমার আচার্য্য চট্টগ্রামের হাজী মুহাম্মদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় হতে মাধ্যমিক এ ফার্স্ট ক্লাস এবং চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজ থেকে উচ্চ

মাধ্যমিক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হইতে অর্থনীতি বিভাগে অনার্স এবং চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় হতে ২০২২ সালে অর্থনীতিতে মাষ্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।
এছাড়াও তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড হইতে জ্যোতিষ, স্মৃতি, পৌরহিত্য, কাব্য, ব্যাকরণ, পুরাণ, বেদসহ সপ্তমতীর্থ উপাধি অর্জন করেন। ইহা ছাড়াও তিনি জ্যোতিষশাস্ত্রে ২০১৫ সালে জ্যোতিষ জ্ঞানী ২০১৬ সালে জ্যোতিষ ভাস্কর, ২০১৭ সালে জ্যোতিষ সম্রাট ও স্বর্ণপদক সহ একাধিক সম্মানসূচক উপাধি প্রাপ্ত হন এবং জ্যোতিষ গ্রন্থ “বেদের চক্ষু জ্যোতিষশাস্ত্র”, “পৌরহিত্য”, “ঋষিদের আবিষ্কার স্মৃতিশাস্ত্র”, “ঋষিদের রত্ন স্মৃতিশাস্ত্র”, “স্মৃতিশাস্ত্রকে জানুন” উক্ত পুস্তকসমূহে তিনি সহকারী সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার সহ- সাধারণ সম্পাদক। তিনি চট্টগ্রাম শহরেই জন্মগ্রহণ করেন। তাহার পিতা অধ্যক্ষ এ. আর. আচার্য্য আজ ৪৯ বৎসর এই জ্যোতিষ শাস্ত্রে চট্টগ্রামে মোমিন রোড সাত্তার ম্যানসনে জ্যোতিষ শাস্ত্রে সনাতন ধর্মে দশবিধ সংস্কারের সুধীজনের প্রিয় একজন জ্যোতিষশাস্ত্রী। তিনি পোপাদিয়া বিপুলা সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের অন্যতম সদস্য, বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি পরীক্ষার চট্টগ্রাম কেন্দ্রের কেন্দ্র সম্পাদক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‘আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে দেখে রাইখেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের এক সহকারী ব্যবস্থাপকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে হালিশহরের এ ব্লকের নিজ বাসা থেকে মোহাম্মদ আবুল হোসাইন (৪৬) নামে ওই ব্যাংকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্দ্বীপের সারিকাইত ইউনিয়নে আবুল হোসাইনের বাড়ি। জনতা ব্যাংক মুরাদপুর শাখার ঋণ শাখার দায়িত্বে ছিলেন।

মরদেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়। চিরকুটে ব্যাংকের ঋণ বিতরণ নিয়ে চাপ, একটি মামলার কারণে দুশ্চিন্তা এবং নিজের আর্থিক সংকটের কথাও উল্লেখ করেছেন আবুল হোসাইন।চিরকুটে লেখা রয়েছে, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমাকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আপনারা দেখে রাখবেন। আবুল হোসাইন অফিসের ‘চাপ ও হতাশা’ থেকেই আত্মহত্যা করেছেন ধারণা পুলিশের।

হালিশহর থানার ওসি মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ বাসা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মরদেহের পাশ থেকে পাওয়া চিঠিতে লিখেছেন, মুরাদপুর শাখার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নানাবিধ প্রেশার, লোন দেওয়া না দেওয়া, ফাইল আরও কত কী?
এতে আরও লেখা হয়, ব্যবসার বকেয়া ও মানুষের কাছে পাওনা টাকা আদায় না হওয়ায় তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন।’ ওই সংকটের মধ্যে গত ৪ আগস্ট স্ত্রীর নামে থাকা একমাত্র ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করতে বাধ্য হন বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

চিঠিতে ২০২১ সালের একটি ঋণ বিতরণের বিষয়ও এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই ঋণ বিতরণকে কেন্দ্র করে লালদীঘি শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক হিসেবে তার এবং আরও তিন সহকর্মীর বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা করা হয়েছে।আমি নির্দোষ ও নিরপরাধ শতভাগ। এ চিন্তায় গত দুই সপ্তাহ যাবৎ আমি ঘুমাতে পারি নাই-উল্লেখ ছিল চিঠিতে।নিজের স্ত্রী সম্পর্কে আবুল হোসাইন লিখেছেন, আমার স্ত্রীর মতো এত মমতাময়ী, দরদি স্ত্রী পাওয়া আমার সৌভাগ্য।

ব্যবসায়িক অংশীদারকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেফতার-৮

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে অপহরণকারী চক্রের মূল হোতাসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহৃত ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিনকে (৩৬) উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার পক্ষিয়া ইউনুস মোক্তার বাড়ির মৃত মোস্তফার ছেলে মো. শান্ত মিয়া (৩২), আনোয়ারা উপজেলার ভিংরোল মাস্টার আশরাফ আলীর বাড়ির মৃত আহমদ হোসেনের ছেলে মো. আবুল হাশেম (৫২), আকবরশাহ থানার লতিফপুর রেলবিট এলাকার মৃত সোলেমানের ছেলে মো. আকরাম (৩৪), মীরসরাই উপজেলার গড়িয়াহাস এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. মঈন উদ্দিন রায়হান (২৯), সীতাকুণ্ডের কেদারখীল এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন (৩৫), গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ এলাকার মুসলিম আলীর ছেলে মাহবুব রহমান (২৬), ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চবরপুর এলাকার সুজল হকের ছেলে মানিক হোসেন (৩০) এবং জোরারগঞ্জের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে

মো. ফারুক (৩৪)।বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইনস্ মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, বুধবার নগরের আকবরশাহ, পাঁচলাইশ ও মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, আবুল হাশেম ও আকরাম ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিনের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। পাওনা টাকা উদ্ধারের উদ্দেশ্যে তারা শান্ত মিয়াকে এক লাখ টাকায় ভাড়া করে অন্যদের সহযোগিতায় হেলালকে অপহরণ করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। আকরাম আবুল হাশেমের মেয়ের জামাই।হেলাল উদ্দিন নগরের পাঁচলাইশের শুলকবহর রওশন বোর্ডিংয়ের পাশে গাড়ির গ্যারেজ পরিচালনা করেন। তার ব্যবসায়িক অংশীদার আবুল হাশেম, বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায় ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে হেলাল ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও আরও ৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এ টাকা আদায় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

এর জেরে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে আবুল হাশেমসহ কয়েকজন হেলালকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়। পরদিন অপহরণকারীরা হেলালের মোবাইল থেকে তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে হেলালকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে শান্ত মিয়া, আবুল হাশেম ও আকরামকে গ্রেফতার করা হয়। আকরামের হেফাজত থেকে হেলালের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জের মহামায়া লেকে বন বিভাগের পরিত্যক্ত কটেজ থেকে হেলালকে উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে মঈন উদ্দিন রায়হান, আমজাদ হোসেন, মাহবুব রহমান, মানিক হোসেন ও ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। আবুল হাশেম ও আকরাম পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য শান্ত মিয়াকে এক লাখ টাকা দিয়ে অন্যদের ভাড়া করে হেলালকে অপহরণ করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ