আজঃ বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে সেইফটি ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের পটিয়া নিজ বাড়ির সেইফটি ট্যাংক থেকে নুরুল হক (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি হাঈদগাঁও ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কোরবান আলীর বাড়ির বাসিন্দা এবং পেশায় স্ক্র্যাব ব্যবসায়ী ছিলেন।নস্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুরুল হকের সঙ্গে তার ছেলে বাবলুর পারিবারিক কলহ চলছিল। কিছুদিন আগে এই বিরোধের কারণে নিহতের স্ত্রী ও ছেলের বউ বাবার বাড়িতে চলে যান। তবে ঈদ উদযাপনের জন্য তারা বাড়িতে আসছিলো।

গত কয়েক দিন ধরে নুরুল হকের ঘরের সেইফটি ট্যাংক থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে ট্যাংকের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানান, ঘটনার দিন বাবা ছেলের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, বাবলুর মারধরের কারণেই নুরুল হকের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেশীরা জানান, দুই মাস আগেও বাবলু তার বাবা মাকে মারধর করেছিল, যা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশ হয়েছিল। পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) তদন্ত আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পটিয়া থানা নিয়ে আসে । পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঝনিহতের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এই ঘটনা কাউকে আটক করা হয়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে এস ড্রাইভ অভিযানে ৫ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে বিশেষ এস ড্রাইভ অভিযানে ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা উত্তর বিভাগ। বুধবার ভোরে মহানগর গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলশী থানার দামপাড়া এলাকার কে-স্কয়ার কনভেনশন হলের বিপরীত পাশে বাস কাউন্টারের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. রাসেল (২৯) ও মো. মোফাজ্জল হোসেন (৬২)।

অভিযানকালে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেহ তল্লাশি করে রাসেলের কাছ থেকে ৩ হাজার পিস এবং মোফাজ্জল হোসেনের কাছ থেকে ২ হাজার পিসসহ মোট ৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

সীতাকুণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে : মীর হেলাল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীতাকুণ্ড উপজেলায় সম্প্রতি সংগঠিত পৈশাচিক ঘটনায় অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার কথা জানালেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ বোস্তামী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এ ধরনের ঘটনা আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি অবগত আছেন এবং তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। বিচার নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন, তা করা হবে।সীতাকুণ্ড উপজেলায় সম্প্রতি সংগঠিত পৈশাচিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশু কন্যার পরিবারের খোঁজ খবর ও সমবেদনা জানাতে বুধবার কুমিরা বাজার এলাকায় গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে জানিয়ে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি করার সাহস না পায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনা আমাদের সবাইকে মানসিকভাবে আঘাত করেছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আছি এবং থাকবো।
শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ও স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তারা যেন নিরাপদে খেলাধুলা করতে পারে এবং স্বাভাবিক শৈশব-কৈশোর কাটাতে পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে গত সোমবার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কে গলা কাটা অবস্থায় জান্নাতুল নাইমা ইরা (৭) নামের এক শিশুকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ১ মার্চ রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে হাসপাতালের আইসিইউতে শিশুটির মৃত্যু হয়। এদিন বাবু শেখ ওরফে মাহবুব আলম (৪৫) নামের এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়। পরে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা করা হয়।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ