আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করলো প্লেল্যান্ড

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আাগামী ৪এপ্রিল ২০২৫ রাজশাহীতে শুভ উদ্ভোদন হতে যাচ্ছে, প্লেল্যান্ড। রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করলো দেশের প্রথম মাল্টিস্পোর্ট গেম জোন ‘প্লে ল্যান্ড’। যা রাজশাহীবাসীর জন্য উন্মোচিত করলো এক নতুন দিগন্ত। রাজশাহী নগরীর নাদের হাজির মোড়, নিউ বাইপাস রোডে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে দেশের প্রথম মাল্টিস্পোর্ট গেম জোন ‘প্লে ল্যান্ড’।

৪ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এর শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। খেলাধুলা আর নির্মল বিনোদনের এক অসাধারণ মেলবন্ধনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এসেছে এই আধুনিক স্পোর্টস হাবটি, যেখানে একই ছাদের নিচে উপভোগ করা যাবে বিভিন্ন ধরণের খেলাধুলা ও আড্ডা।

রাজশাহীর ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য ‘প্লে ল্যান্ড’ যেন এক নতুন বার্তা নিয়ে এলো। যারা শারীরিক কার্যকলাপ ও খেলাধুলাকে ভালোবাসেন, আবার বন্ধুদের সাথে আনন্দের সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি হতে যাচ্ছে এক অসাধারণ ঠিকানা।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পিকেলবলের উন্মাদনা: ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, সার্কেল ক্রিকেটের পাশাপাশি ‘প্লে ল্যান্ড’ এনেছে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পিকেলবলের সুযোগ! বিশ্বজুড়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করা এই খেলাটি এখন রাজশাহীর ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের হাতের নাগালে। নতুন এই খেলাটি নিঃসন্দেহে রাজশাহীর তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে যাচ্ছে এবং একটি নতুন ক্রীড়া সংস্কৃতির জন্ম দেবে।

ইনডোর স্পোর্টস ও বোর্ড গেমসের অফুরন্ত ভান্ডার: শুধু মাঠের খেলাই নয়, ‘প্লে ল্যান্ড’-এ রয়েছে বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় ইনডোর স্পোর্টস ও বোর্ড গেমসের বিশাল সম্ভার। বন্ধুদের সাথে তুমুল আড্ডার মাঝে মেতে ওঠা যাবে উনো, চেস, ক্যারাম, লুডো, ফুসবল টেবিল গেম, স্লিং-পাকের মতো জনপ্রিয় সব গেমে। এছাড়াও রয়েছে সাব-সকার ও আর্কেড বাস্কেটবলের মতো আধুনিক গেমস, যা গেমপ্রেমীদের দেবে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। ছেলেরা যেখানে ফুটবল টার্ফ এ মেতে উঠবে, সেখানে মেয়েরা বিভিন্ন বোর্ড গেম নিয়ে হাসি-ঠাট্টায় মশগুল হতে পারবে, আবার একসাথে সবাই ভাগাভাগি করে নিতে পারবে একে অপরের খেলার আনন্দ।

‘ডাইস & ডাইন’: খেলার ফাঁকে মুখরোচক আহার: খেলার ক্লান্তি আর পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য ‘প্লে ল্যান্ড’ নিয়ে এসেছে ‘ডাইস & ডাইন’ নামের একটি বিশেষ স্ন্যাকস কর্নার। এখানে পাওয়া যাবে মজাদার চা, সুস্বাদু সিঙ্গারা, ক্রিস্পি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার আইটেম এবং ঠান্ডা পানীয়। তাই খেলার ফাঁকে একটু বিশ্রাম আর হালকা খাবার মনকে করে তুলবে আরও চাঙ্গা। অনেক সুন্দর একটা পরিবেশে, এরকম একটা প্লেল্যান্ড পাওয়া রাজশাহী বাসীর জন্য অনেক, অনেক আনন্দের বিষয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ