রায়পুরায় ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতিকে লক্ষ করে গুলি, প্রতিবাদে সড়কে আগুন, যান চলাচল ব্যহত।

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদী জেলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার অলিপুরা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য কাজল মিয়াকে লক্ষ করে আবারও গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাতে উপজেলার অলিপুরা ইউনিয়নের বোয়ালমারা-জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি কাজল মেম্বারকে গুলি করে আহত করে দুর্বৃত্তরা।

ভুক্তভোগী কাজল মিয়া অলিপুরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। ইউপি মেম্বারের ওপর গুলির ঘটনায় রাত ৮ টার দিকে রায়পুরা-বারৈচা আঞ্চলিক সড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তার অনুসারী ও সমর্থকরা। ফলে কয়েক ঘন্টা সড়কটি দিয়ে যান চলাচল বন্ধ ছিলো।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর এলাকা দিয়ে প্রেসার মাপতে যান ইউপি সদস্য কাজল মিয়া। এসময় একটি চলন্ত হায়েস তার কাছে এসে গতিরোধ করে। টের পেয়ে ইউপি সদস্য কাজল মিয়া দৌড়ে চলে যাওয়ার সময় পেছন থেকে গুলি ও ককটেল ছুঁড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বাড়ির সামনে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে রাত ৮ টায় রায়পুরা থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রায়পুরা থানার তদন্ত কর্মকর্তা প্রবীর কুমার ঘোষ। যান চলাচল স্বাভাবিক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন৷ ঘটনার ব্যাপারে তাৎক্ষনিক পুলিশের কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য কাজল মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন যাবত জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলমগীর, মহসিনদের সাথে দ্বন্দ্ব চলছিলো। এরই জের ধরে একাধিকবার তারা আমার ওপর গুলি চালিয়েছে। আজ প্রেসার মাপতে যাওয়ার পর একটি কালো রঙয়ের গাড়ি আমার কাছে আসলে আমি দৌড়ে বাড়িতে ঢুকে যাই। এসময় তারা গুলি চালায়। গুলিটি আমার বাড়ির ওয়ালে লেগেছে এবং তারা কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‘আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে দেখে রাইখেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের এক সহকারী ব্যবস্থাপকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে হালিশহরের এ ব্লকের নিজ বাসা থেকে মোহাম্মদ আবুল হোসাইন (৪৬) নামে ওই ব্যাংকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্দ্বীপের সারিকাইত ইউনিয়নে আবুল হোসাইনের বাড়ি। জনতা ব্যাংক মুরাদপুর শাখার ঋণ শাখার দায়িত্বে ছিলেন।

মরদেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়। চিরকুটে ব্যাংকের ঋণ বিতরণ নিয়ে চাপ, একটি মামলার কারণে দুশ্চিন্তা এবং নিজের আর্থিক সংকটের কথাও উল্লেখ করেছেন আবুল হোসাইন।চিরকুটে লেখা রয়েছে, আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমাকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে আপনারা দেখে রাখবেন। আবুল হোসাইন অফিসের ‘চাপ ও হতাশা’ থেকেই আত্মহত্যা করেছেন ধারণা পুলিশের।

হালিশহর থানার ওসি মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ বাসা থেকে ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মরদেহের পাশ থেকে পাওয়া চিঠিতে লিখেছেন, মুরাদপুর শাখার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নানাবিধ প্রেশার, লোন দেওয়া না দেওয়া, ফাইল আরও কত কী?
এতে আরও লেখা হয়, ব্যবসার বকেয়া ও মানুষের কাছে পাওনা টাকা আদায় না হওয়ায় তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন।’ ওই সংকটের মধ্যে গত ৪ আগস্ট স্ত্রীর নামে থাকা একমাত্র ফ্ল্যাটটিও বিক্রি করতে বাধ্য হন বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

চিঠিতে ২০২১ সালের একটি ঋণ বিতরণের বিষয়ও এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই ঋণ বিতরণকে কেন্দ্র করে লালদীঘি শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক হিসেবে তার এবং আরও তিন সহকর্মীর বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা করা হয়েছে।আমি নির্দোষ ও নিরপরাধ শতভাগ। এ চিন্তায় গত দুই সপ্তাহ যাবৎ আমি ঘুমাতে পারি নাই-উল্লেখ ছিল চিঠিতে।নিজের স্ত্রী সম্পর্কে আবুল হোসাইন লিখেছেন, আমার স্ত্রীর মতো এত মমতাময়ী, দরদি স্ত্রী পাওয়া আমার সৌভাগ্য।

ব্যবসায়িক অংশীদারকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেফতার-৮

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে অপহরণকারী চক্রের মূল হোতাসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহৃত ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিনকে (৩৬) উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার পক্ষিয়া ইউনুস মোক্তার বাড়ির মৃত মোস্তফার ছেলে মো. শান্ত মিয়া (৩২), আনোয়ারা উপজেলার ভিংরোল মাস্টার আশরাফ আলীর বাড়ির মৃত আহমদ হোসেনের ছেলে মো. আবুল হাশেম (৫২), আকবরশাহ থানার লতিফপুর রেলবিট এলাকার মৃত সোলেমানের ছেলে মো. আকরাম (৩৪), মীরসরাই উপজেলার গড়িয়াহাস এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. মঈন উদ্দিন রায়হান (২৯), সীতাকুণ্ডের কেদারখীল এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন (৩৫), গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ এলাকার মুসলিম আলীর ছেলে মাহবুব রহমান (২৬), ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চবরপুর এলাকার সুজল হকের ছেলে মানিক হোসেন (৩০) এবং জোরারগঞ্জের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে

মো. ফারুক (৩৪)।বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইনস্ মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, বুধবার নগরের আকবরশাহ, পাঁচলাইশ ও মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, আবুল হাশেম ও আকরাম ভুক্তভোগী হেলাল উদ্দিনের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। পাওনা টাকা উদ্ধারের উদ্দেশ্যে তারা শান্ত মিয়াকে এক লাখ টাকায় ভাড়া করে অন্যদের সহযোগিতায় হেলালকে অপহরণ করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। আকরাম আবুল হাশেমের মেয়ের জামাই।হেলাল উদ্দিন নগরের পাঁচলাইশের শুলকবহর রওশন বোর্ডিংয়ের পাশে গাড়ির গ্যারেজ পরিচালনা করেন। তার ব্যবসায়িক অংশীদার আবুল হাশেম, বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায় ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। এর মধ্যে হেলাল ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও আরও ৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এ টাকা আদায় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

এর জেরে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে আবুল হাশেমসহ কয়েকজন হেলালকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়। পরদিন অপহরণকারীরা হেলালের মোবাইল থেকে তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে হেলালকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে শান্ত মিয়া, আবুল হাশেম ও আকরামকে গ্রেফতার করা হয়। আকরামের হেফাজত থেকে হেলালের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জের মহামায়া লেকে বন বিভাগের পরিত্যক্ত কটেজ থেকে হেলালকে উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে মঈন উদ্দিন রায়হান, আমজাদ হোসেন, মাহবুব রহমান, মানিক হোসেন ও ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। আবুল হাশেম ও আকরাম পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য শান্ত মিয়াকে এক লাখ টাকা দিয়ে অন্যদের ভাড়া করে হেলালকে অপহরণ করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ