আজঃ বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬

পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের পর নদী-নালা, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে যাচ্ছে এবং মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করছে।

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হরহামেশাই প্রকাশে বিক্রি বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে পলিথিন ব্যাগ। খালি হাতে বাজারে যেয়ে, পলিথিন ব্যাগ ভর্তি জিনিস নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ, কেউ। এ দৃশ্য বলার মতো না ।কিছু দিন পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের দাবিতে তোর জোর হলেও বর্তমানে আর সেই অভিযোগ দেখা যাচ্ছে না ।অসাধু ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ হবার কারণে পলিথিন ব্যাগ প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে ।বর্ষা মৌসুমী এই পলিথিন ব্যাগ গুলো আটকে ড্রেনগুলো ভর্তি হয়ে যায়। তখন শুরু হবে জলাবদ্ধতা । জলাবদ্ধ থেকে নষ্ট হবে রাস্তা ।পরিবেশ ভারসাম্য হারাচ্ছে এই পলিথিন ব্যাগের জন্য ।

পলিথিন আমাদের পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। স্বাভাবিকভাবে পলিথিন পঁচনশীল নয়। ব্যবহৃত পলিথিনের পরিত্যক্ত অংশ দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত ও অবিকৃত থেকে মাটি, পানি ইত্যাদি দূষিত করে। পলিথিন মাটির উবর্বরতা হ্রাস করে ও মাটির গুনাগুন পরিবর্তন করে ফেলে। পলিথিন পোড়ালে এর উপাদান পলিভিনাইল ক্লোরাইড পুড়ে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয়ে বাতাস দূষিত করে পলিথিনের ব্যাগ ও অন্যান্য জিনিস শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ‘নারডল’ নামক এক প্রকার প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রের পানিতে মিশে পানি দূষিত হচ্ছে। এতে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়ছে। পলিথিন ও বিভিন্ন প্লাস্টিক পণ্য ব্যাপকভাবে ব্যবহারে সারাদেশে খাল-বিল, নদী-নালা থেকে শুরু করে সমুদ্র্র পর্যন্ত প্লাস্টিক ছড়িয়ে পড়ছে। এতে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। সেই সাথে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। প্লাস্টিক শুধু আসবাবপত্র বা পলিথিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।

পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের পর নদী-নালা, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে যাচ্ছে এবং মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করছে। আর এর ফলে চর্মরোগসহ মারাত্মক ক্যান্সার পর্যন্ত হচ্ছে। তাই আজ থেকেই পলিথিন ব্যাগ বর্জন করুন। পলিথিন ব্যাগকে না বলুন ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ভাবে মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টর জব্দ, একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ঘটনায় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে দুইটি মাটি ভর্তি ট্রাক্টর-টলি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, বুধবার (১৩ মে) রাত ১টা ৩০ মিনিটে সদর উপজেলা প্রশাসন ও সদর মডেল থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ঝিলিম ইউনিয়নের দক্ষিণ শহর এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে মো. আশরাফুল ইসলাম (৩৭) নামে একজনকে আটক করা হয়। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আতাহির এলাকার বাসিন্দা ও মো. রুবু মন্ডলের ছেলে।

আটক ব্যক্তিকে সদর মডেল থানায় নিয়ে গিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একরামুল হক নাহিদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি কাটার দায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, আবাদি জমির সুরক্ষা এবং অবৈধ মাটি উত্তোলন রোধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

নবাবের পেছনে দৈনিক ৭শ’ টাকা ব্যয়, খায় ১৫ কেজি খাবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে একটি বিশালাকৃতির গরু।‘নবাব’ নামের এই গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় নানা বয়সী মানুষ।

খামারি আক্তার হোসেনের খামারে বেড়ে ওঠা হলিস্ট্রিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে যত্নে বড় করা গরুটির আনুমানিক ওজন প্রায় ২৫ মণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর তীরবর্তী এলাকায় গড়ে ওঠা খামারটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে গরুটির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যের মতোই যত্নে রাখা হচ্ছে ‘নবাব’কে।

খামারি সূত্রে জানা যায়, গরুটির প্রধান খাদ্য মহানন্দা নদীর চরে উৎপাদিত টাটকা কাঁচা ঘাস। এছাড়াও প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি দানাদার খাবার হিসেবে গম, ভুট্টা, ছোলা ও ভুষি খাওয়ানো হয়। গরুটির পেছনে দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, “নবাব ছোট থেকেই তাদের খামারে বড় হয়েছে। খুব যত্ন করে তাকে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর খাবার দিতে হয়।

আরেক বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “তিন বছর ধরে গরুটিকে দেখছি। এটি খুব শান্ত স্বভাবের গরু। ছোট শিশুও সহজে ধরে নিয়ে যেতে পারবে।”

খামারি আক্তার হোসেন জানান, “গরুটির বয়স প্রায় তিন বছর। ছোট থেকেই নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি। প্রতিদিন এর পেছনে যে খরচ হয়, তা দিয়ে একটি পরিবারের সংসার চলতে পারে। গরুটির দাম প্রায় ৮ লাখ টাকা আশা করছি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার বলেন, জেলার চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। তিনি জানান, উন্নত জাতের গরু পালনে খামারিরা এখন আরও আগ্রহী হচ্ছেন এবং ‘নবাব’ সেই আগ্রহেরই একটি উদাহরণ।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ