আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

রাজশাহীতে বেপরোয়া কিশোর গ্যাং।

গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পত্রিকা খুললেই দেখা যাচ্ছে ছোট ছোট কিশোর ছেলে হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসী ।বিভিন্ন দেশী অস্ত্রশস্ত্র সহ পুলিশের কাছে ধরা পড়ছে । কি কারনে একটা কিশোর হয়ে উঠছে সন্ত্রাসী ?পরিবারের পিতামাতা কি কখনো খেয়াল রাখেন না, তার সন্তান কোথায় যায়, কি করে ?যে ছেলে পড়াশোনা করার কথা লেখাপড়া করে সমাজের দেশের মুখ উজ্জ্বল করার কথা , সেখানে সেই কিশোর হয়ে উঠছে সন্ত্রাসী । ১০-১২ জন ছোট ছোট কিশোর গড়ে তুলছে কিশোর গ্রুপ। বিভিন্ন রকম অপকর্মের সাথে তারা জড়িয়ে যাচ্ছে কম বয়সী কিশোর। নেশা করা থেকে শুরু করে চুরি ছিনতাই করে থাকে। নানান ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে তারা ।

অভিভাবকদেরও অনেকটা ব্যস্ততার কারণে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে সময় কাটানো ও সঙ্গ দেওয়ার সময় নেই কিংবা কেউ কেউ প্রয়োজনও বোধ করছে না। এখন প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি হচ্ছে। গ্রুপের ভালো-মন্দ বোঝার মতো ক্ষমতা কিশোরদের মধ্যে নাও থাকতে পারে। উঠতি বয়সের কিশোরদের মধ্যে এক ধরনের উন্মাদনা কাজ করে। তারা অন্য কারো দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। কোনো প্রকার ভৌত অবকাঠামো ছাড়াই তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে এক জায়গায় একত্র হয়ে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনা, খুন ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ তারা করছে।

সমাজে যখন আমরা ভালো-মন্দ উভয় দিক খেয়াল করি, তখন খারাপ গ্রুপকে ভালো করার কাজটি আমাদেরই করতে হবে। এমন সব কাজ করতে হবে, যেখানে খারাপ হওয়ার সুযোগ তৈরি না হয়। কিশোরদের মাঝে বড় বিষয় হলো অল্প বয়স ও পরিপক্বতার অভাব, যার কারণে কোনটি সঠিক আর কোনটি সঠিক নয়, তা বুঝতে না পারা। ফলে অনেক সময়ই গ্যাং কালচারকে বড় বিষয় মনে হয়। শারীরিক পরিবর্তন এবং এর সঙ্গে মানসিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিবার ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ তাদের সংঘবদ্ধ হতে এবং গ্রুপ গঠন করতে সহায়তা করে। তাই আজ কে থেকেই শুরু করেন, আপনার আদরের ছোট সন্তানের খোজ-খবর নেয়া । আপনার সন্তান কোথায় যায়, কাদের সাথে মিশছে, কি করে, গোপনে কোন মাদকদ্রব্য গ্রহন করে কিনা ? আপনার সন্তান কি ঠিক মত স্কুল বা কলেজে যাচ্ছে কি ? আপনি শত ব্যস্ততার মধ্যেও সন্তানের জন্য সময় দিন। আপনার এই সন্তান একদিন বড় হয়ে, আপনার পরিবারের, সমাজের, দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে , সেই লক্ষ্য নিয়ে সন্তান কে পরিচালিত করুন ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

চট্টগ্রামে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা গুনল ৪ বাস কাউন্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার মহানগরীর গরিবুল্লাশাহ মাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন তীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ।

মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, গরীবুল্লাহশাহ মাজার এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। এসময় ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় সেন্টমার্টিন পরিবহনেকে ৫ হাজার টাকা, রিলাক্স পরিবহনকে ৩ হাজার, দেশ ট্রাভেলস ৩ হাজার ও রয়েল মত্রি সার্ভিসকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদে যাতে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ