আজঃ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছেন।

এম মনির চৌধুরী রানা

চট্টগ্রামে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, নগরীর জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছেন। জিয়া স্মৃতি জাদুঘর বিগত ১৬ বছর বন্ধ ছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর জাদুঘরের যে বাজেট ছিল তা দ্বিগুণ করা হয়েছে। যেহেতু জিয়া জাদুঘর, তাই এ জাদুঘরে

জিয়াউর রহমানের পুরো জীবনের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি জাদুঘরের বিষয়ে সুন্দর করে জানানোর জন্য কিউরেটর নিয়োগ করা দরকার। আজ ১৯ মে সোমবার বেলা ১২টায় নগরীর জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেন্সে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ কামরুজ্জামানসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিগুলো নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার। যার মাধ্যমে সারা বছর ধরে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে। উপদেষ্টা আরো বলেন, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলী খেলা একটি শতবর্ষী আয়োজন। এটি চট্টগ্রামের ঐতিহ্য বহন করে। আগামী বছর থেকে জব্বারের বলী খেলা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

জব্বারের বলি খেলা ও নৌকা বাইচও যুক্ত হবে ক্যালেন্ডারে। বলি খেলা চট্টগ্রামের ঐতিহ্য বহন করে। আমরা বলীখেলা উদযাপন কমিটির সঙ্গে কথা বলেছি। এটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে যুক্ত হবে। সেই সঙ্গে নৌকা বাইচও যুক্ত হবে ক্যালেন্ডারে। তিনি পহেলা বৈশাখেও নৌকা বাইচের আয়োজন করতে কমিটিকে আহ্বান জানান। সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী আরও বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিগুলো নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার। যার মাধ্যমে সারা বছর ধরে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কোনো মন্তব্য করেননি। তবে এর আগে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে তাঁর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেই স্ট্যাটাসটি তিনি লিখেন-‘আমি সাধারণত চেষ্টা করি আমার মন্ত্রণালয়ের কাজের বাইরে কথা না বলতে। কিন্তু আমার তো একটা পরিচয় আছে, আমি এই ইন্ডাস্ট্রিরই মানুষ ছিলাম এবং দুই দিন পর সেখানেই ফিরে যাবো। নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তার বিব্রতকর একটা ঘটনা হয়ে থাকলো আমাদের জন্য। আমাদের সরকারের কাজ জুলাইয়ের প্রকৃত অপরাধীদের বিচার করা। ঢালাও মামলার ক্ষেত্রে আমাদের পরিষ্কার অবস্থান প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্টতা না থাকলে কাউকে গ্রেফতার করা হবে না। এবং সেই নীতিই অনুসরণ করা হচ্ছিলো।

ফারিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলাতো অনেক আগেই ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে গ্রেফতারের কোনো উদ্যোগ নেয়ার বিষয় আমার নজরে আসেনি। কিন্তু এয়ারপোর্টে যাওয়ার পরেই এই ঘটনাটা ঘটে। আওয়ামী লীগের সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিদেশ গমনকে কেন্দ্র করে ক্ষোভের পর ওভার নারভাসনেস থেকেই হয়তোবা এইসব ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কয়দিন আগে ব্যারিস্টার আন্দালিব পার্থের স্ত্রীর সঙ্গেও এরকম একটা ঘটনা ঘটেছে। এইসব ঘটনা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য না। আমি বিশ্বাস করি ফারিয়া আইনি প্রতিকার পাবে। এবং এই ধরনের ঢালাও মামলাকে আমরা আরো সংবেদনশীলভাবে হ্যান্ডেল করতে পারবো ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা সংক্রান্ত কোনো চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান – ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। তবে সরকারের হাতে এখন মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি রয়েছে। এই সীমিত সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেই বিষয়টি এ পর্যায়ে এগোচ্ছে না।

ভোটাররা চারটি পদ্ধতিতে নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণভোট ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্র জানার সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্ভুলভাবে ও দ্রুত পৌঁছে দিতে অ্যাপ, হটলাইন, এসএমএস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- ভোটাররা নিম্নোক্ত চারটি পদ্ধতির যেকোনো একটি ব্যবহার করে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে পারবেন—

১. স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা Play Store বা App Store থেকে ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ ডাউনলোড করে তথ্য জানতে পারবেন। অ্যাপটি ইনস্টল করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ নির্বাচন করে ‘ভোট কেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ প্রদান করলে ভোটার নম্বর, ক্রমিক নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা দেখা যাবে।

২. হটলাইন সেবা যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে সরাসরি ১০৫ নম্বরে কল করে অপারেটরের মাধ্যমে তথ্য জানা যাবে। কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এ সময় এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ জানাতে হবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই সেবা চালু থাকবে।

৩. এসএমএস পদ্ধতি মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে PC <স্পেস> NID নম্বর এই ফরম্যাটে লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে সংশ্লিষ্ট ভোটারের ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে।

৪. নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকে ecs.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে ক্লিক করতে হবে। এখানে নির্বাচনি এলাকা ও উপজেলা নির্বাচন করে কেন্দ্রের তালিকা দেখা যাবে। পাশাপাশি এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে ব্যক্তিগত ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে।
নির্বাচন কমিশন ভোটারদের আগেভাগে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ