আজঃ শনিবার ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

কালিয়াকৈরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ।

শাহিদুল ইসলাম কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা শুক্রবার সকালে উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। ফলে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে তাড়িয়ে দেয়।

জানা যায়, উপজেলার চন্দ্রা এলাকার মাহমুদ জিনস লিমিটেড কারখানাটি গত বছরের ১০ অক্টোবর স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। বন্ধ কারখানাটির প্রায় দুই হাজার শ্রমিকের কিছু পাওনা বকেয়া আছে, যা সরকারিভাবে নিষ্পত্তি করার কথা ছিল। বেশ কয়েক দিন ধরে শ্রমিকেরা বকেয়া পাওনার দাবি জানালেও তা পরিশোধ করা হচ্ছে না।

মাহমুদ জিনস লিমিটেড কারখানার ব্যবস্থাপক (প্রশাসনিক) আবু তালেব বলেন, ‘শ্রম আইন অনুয়ায়ী গত ১০ অক্টোবর আমাদের কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে। তাঁদের পাওনাগুলো নিষ্পত্তি এখন শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীন। কারখানা কর্তৃপক্ষের কিছুই করার নেই।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিয়াদ মাহমুদ বলেন, শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করলে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কারখানার আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে নিজ ঘরে মোঃ জমির উদ্দিন (২৮) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।

জমির কেরানী বাজার শুক্কুর সওদাগরের বাড়ির জহির আহমদের ছেলে। তার ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। তিনি পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন। তার ভাইপো রুহুল উল্লাহ জানিয়েছেন, আর্থিক সংকটের কারণে জমির উদ্দিন মানসিক চাপে ছিলেন এবং পরিবারের অগোচরে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়েছেন।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় নৌবাহিনী সদস্যের মৃত্যু ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নৌবাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। চলন্ত মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে দ্রুতগামী একটি বাস ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া বাইপাসে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত নাজমুস সাকিব (৩৮) নৌবাহিনীর পতেঙ্গা ঈসা খাঁ ঘাঁটিতে এলএস হিসেবে কর্মরত ছিলেন।একই দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন। ইকরাম হোসেন নামে ওই ব্যক্তি ঈসা খাঁ ঘাঁটিতে নাবিক পদে কর্মরত আছেন।

হাইওয়ে পুলিশের পটিয়া থানার পরিদর্শক হারুনুর রশিদ বলেণ, নাজমুস সাকিব ও ইকরাম মোটর সাইকেল নিয়ে পটিয়া বাইপাস অতিক্রম করছিলেন। বাইপাসের শেয়ানপাড়া ক্রসিংয়ে কক্সবাজারগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস মোটর সাইকেলের পেছনে ধাক্কা দিলে তারা ছিটকে পড়েন। এ সময় বাসের চাকার নিচে পড়ে নাজমুস সাকিব ঘটনাস্থলে মারা যান ও ইকরাম আহত হন। পুলিশ বাসটি আটক করলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ