আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশ আইনের শাসনে ফিরে আসা শুরু হয়েছে: জামায়াত নেতা মুহাম্মদ শাহজাহান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিএম আজহারুল ইসলাম খালাস পাওয়ায় দোয়া ও শোকরানা মাহফিল করেছে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত ইসলামী। এতে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, এ রায়ে প্রমাণ হল, পুরো মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে জামায়াত নেতাদের দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর দেওয়ান বাজারে নগর জামায়াতের কার্যালয়ে এ দোয়া ও শোকরানা মাহফিল হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হল, টোটাল বিচারিক প্রক্রিয়াটা ন্যায়ভ্রস্ট ছিল, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে আমাদের শহিদ নেতাদেরকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। সেটি দুনিয়াবাসীর সামনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মহান রব আমাদের প্রিয় নেতা আজহার ভাইকে জীবিত রেখেছিলেন। তার ওপর যে পরিমাণ মানসিক, শারীরিক নির্যাতন হয়েছে, এই নির্যাতনের মুখে একজন মানুষের বেঁচে থাকা দুষ্কর ছিল।

তিনি বলেন, আজহার ভাইয়ের খালাসের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আইনের শাসনে ফিরে আসা শুরু হয়েছে। বিচারাঙ্গন কলঙ্কমুক্ত হওয়া শুরু হয়েছে। সত্যের বিজয় আর মিথ্যার পরাজয় শুরু হয়েছে। আমাদের জন্য পহেলা জুন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দলের যে অন্যায়ভাবে নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে, নিবন্ধনও আমরা ফিরে পাব ইনশল্লাহ। একইসঙ্গে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকও ফিরে পেয়ে আমরা পার্লামেন্টে বিজয় অর্জন করে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করবো ইনশল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে নগর জামায়াতের আমীর শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আল্লাহতালা আজহার ভাইকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আপীল বিভাগের মাধ্যমে। এ রায় শুনলে আজ সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ভাই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ব্যারিস্টার রাজ্জাক ভাই যেভাবে মোকাবেলা করেছেন, আজ উনি সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। কিন্তু উনি তো দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।

তিনি বলেন, আমাদের নেতৃবৃন্দের যদি ফাঁসি না হতো, তাহলে সবাই আজহার ভাইয়ের মতো বেকসুর খালাস হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসতেন। নেতৃবৃন্দের ফাঁসির মাধ্যমে জামায়াত ইসলামীকে, এই বিশাল বাগানকে শূন্য করে দেয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। আমাদের ওপর এখন বিশাল দায়িত্ব। আজহার ভাই আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। পহেলা জুন আমাদের নিবন্ধনের রায় হবে। আমাদের হৃদয়ের মার্কা, আবেগের মার্কা, প্রাণের মার্কা দাঁড়িপাল্লা যাতে আমরা নিবন্ধনসহ ফেরত পাই, সেজন্য সবাই মিলে দোয়া করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভোটের লাইনে -১ জন ও খুলনায় হট্টগোলে -১ জন নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক।
চট্টগ্রাম নগরীতে ভোট দিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে এক বৃদ্ধ ভোটারের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর কাজীর দেউড়ি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম মনু মিয়া (৫৫)। তিনি চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বাগমনিরাম ব্যাটারিগলি এলাকার বাসিন্দা।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় জোট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের নেতারা।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকা-৫ আসনে ধীরগতিতে ভোটগ্রহণ নিয়ে অসন্তোষ ভোটাররা বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমসহ ১১ দলীয় জোটের ১০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে প্রবেশের সময় সাংবাদিকরা বৈঠকের বিষয়বস্তু জানতে চাইলে জোটের নেতারা কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বৈঠক শেষে তারা ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ