আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

একটানা বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর কয়েকটি নিচু এলাকা প্লাবিত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর কয়েকটি নিচু এলাকা একটানা বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে। কিছু এলাকায় খাল-নালা উপচে সড়ক থেকে পানি বসতঘরেও ঢুকে পড়েছে। জলাবদ্ধতার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এছাড়া যানবাহন চলাচলেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।রোববার বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাত থেকে চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। শুক্রবার দিনভর বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল। শনিবার দিনে বৃষ্টি তেমন না হলেও সন্ধ্যার পর থেকে আবার মুষলধারে শুরু হয়।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া কার্যালয় জানিয়েছে, রোববার বিকেল ৩টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টার চট্টগ্রামে মোট ১৯৪ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টি আরও ২-১ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ১ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে হালকা, ১১ থেকে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে মাঝারি, ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে মাঝারি ধরনের ভারি, ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হলে তাকে বলা হয়ে থাকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত।এ হিসেবে চট্টগ্রাম জুড়ে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে রোববার সকাল থেকে নগরীর কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, চকবাজারের কিছু অংশ, মনসুরাবাদ,

মুরাদপুর, জিইসি মোড়, টেক্সটাইল গেট, ওয়াসা মোড়, আগ্রাবাদে কিছু অংশ এবং কৈবল্যধাম ইস্পাহানি সি গেট এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এসব এলাকায় সড়ক ও অলিগলিতে কোথাও কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও কোমরসমান পানি হয়েছে।জিইসি মোড়ের বাসিন্দা দেলোয়ারা বেগম বলেন, সকালে এক কোমর পানি হয়েছে। এসময় বাসা থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় ছিল না। তবে পানি বেশিক্ষণ ছিল না।

জলাবদ্ধতার কারণে চকবাজার থেকে কাতালগঞ্জ হয়ে মুরাদপুর, জিইসি মোড় থেকে ওয়াসা পর্যন্ত সড়কে যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। বিশেষত সিএনজি চালিত অটোরিকশা, টেম্পু, রিকশা, ইজিবাইক চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।বেলা গড়াতেই বৃষ্টি কিছুটা কমে এলে পানি নেমে যায়। তখন পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়। কিন্তু দুপুরে আবারও মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হলে পানি জমতে থাকে নিম্নাঞ্চলে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্ম্মা বলেন, মনসুরাবাদ, টেক্সটাইল গেট এলাকায় কিছু পানি উঠেছিল। জিইসি মোড়ের পুরোটাতে পানি ওঠেনি। শুধুমাত্র ইউনুসকো সেন্টার থেকে ওয়াসার মোড়ের দিকে পানি উঠেছিল। সেটা থলি (নিচু) জায়গা, সেজন্য পানি জমেছিল। ওয়াসা থেকে আলমাসের দিকে রাস্তায় পানি জমেছিল। আমরা নালা পরিস্কার করে দেয়ার পর দ্রুত পানি নেমে গেছে। কাতালগঞ্জ, চকবাজারে পানি উঠেছে। সেখানে খালে কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে সেখানেও পানি আর উঠবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাটমোহরের রামনগর ঘাটে বড়াল নদীর উপর পাকা ব্রিজ নির্মাণ কাজ একযুগেও করা হয় নাই।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের রামনগর ঘাটে নির্মিত বড়াল নদীর উপর পাকা ব্রিজ নির্মাণ কাজ করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।
প্রকল্প কাজের বেজ বা ভিত্তি স্থাপন ,দুই পাশে সাইড পিলার এবং নদীর মাঝে পৃথক দুইটি পিলার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারনে ব্রিজের ভিম,ছাদের কাজ না করে, অস্থায়ী সরু বেইলি ব্রিজ দেওয়া হয়। বর্তমানে বেইলি ব্রিজটির নাট- বোল্ট প্লেট,সিড খুলে নড়বরে হয়ে বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়ান-ওয়ে বেইলি ব্রিজে উপর দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল করতে পারে না। অধিক ব্যস্ততম চাটমোহর- ছাইকোলা-কাচিকাটা সড়কের রামনগর ঘাটে বড়াল নদীর উপর নির্মাণ করা হয় ঐ বেইলি ব্রিজ। এলাকাবাসী দাবীর প্রেক্ষিতে রামনগরের নদীর মাটির ক্রসবাঁধ অপসারণ করে প্রশস্ত পাকা ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। কিন্তু প্রায় একযুগ পরও এখানে পাকা স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হয় নাই।

আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি বেইলি ব্রিজ এলাকায় সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়,অপসারিত মাটির ক্রস বাঁঁধের নদী বক্ষ থেকে মাটি অপসারণ করা হয় নাই। ফলে বড়াল নদীর সরাসরি পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।অপর দিকে বড়াল নদীর ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। রামনগর ঘাটের পাকা ব্রিজ নির্মাণ কাজের তদন্ত এবং বেইলি ব্রিজটি অপমারণ করে প্রশস্ত পাকা ব্রিজ নির্মাণের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করা আশু প্রয়োজন।

সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে এবং বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় পুরো ক্যাম্পাস এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে এবং আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় ঐতিহ্যচর্চা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম।

বসন্তের উজ্জ্বল রঙে সেজে ওঠা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। হরেক রকম পিঠাপুলির স্টল এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আমাদের গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ