আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহাসগরীসহ পাঁচ জেলায় পণ্য ও গণপরিবহণ বন্ধের ডাক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  চার দফা দাবিতে আগামী ২০ জুলাই মহানগরীসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় সকল ধরনের পণ্য ও গণপরিবহণ চলাচল ২৪ ঘণ্টা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ‘বৃহত্তর চট্টগ্রাম গণ ও পণ্য পরিবহণ মালিক ফেডারেশন’।মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সদস্য সচিব মো. হুমায়ুন কবির সোহেল।সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর চট্টগ্রাম গণ ও পণ্য পরিবহণ মালিক ফেডারেশনের আহ্বায়ক মোরশেদুল আলম কাদেরী, সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের মৃণাল চৌধুরী, মো. মুছা, অলি আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
    সংবাদ সম্মেলন থেকে ২০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে পরদিন ভোর ৬টা পর্যন্ত সর্বাত্মক ধর্মঘট পালনের জন্য পণ্য পরিবহণকারী সকল যানবাহন ও গণপরিবহণের মালিক-শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
    চার দফা দাবির মধ্যে আছে- ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহণ আইনের মালিক ও শ্রমিক স্বার্থবিরোধী সব ধারা পরিবর্তন ও সংশোধন, যানবাহনের ‘ইকোনমিক লাইফ’ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন স্থগিত করা, গাড়ির ফিটনেস সনদ বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিয়ে পরিবহণ সেক্টরকে জিম্মি করতে না দেওয়া এবং বাণিজ্যিক মোটরযানের বর্ধিত অগ্রিম আয়কর আগের মতো বহাল রাখা।
    সংবাদ সম্মেলনে হুমায়ুন কবির সোহেল বলেন, পরিবহণ সেক্টরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা গত ৩০ জুন সংবাদ সম্মেলন করেছিলাম। পরিবহণ সেক্টরের তিনটি সংগঠন ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে সেগুলো তুলে ধরেছেন। কিন্তু এরপরও আমাদের সমস্যা নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। বর্তমানে পরিবহণ ব্যবসা একটি লোকসানি খাতে পরিণত হয়েছে। আবার সড়ক পরিবহণ আইনের বিভিন্ন ধারা-উপধারা মালিক-শ্রমিকদের গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে।
    মহানগরীসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সকল রুট ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বলে এতে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ