কাপ্তাই হ্রদের উন্নয়নে দুই উপদেষ্টার মতবিনিময়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কাপ্তাই হ্রদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে শুক্রবার বিকেলে রাঙ্গামাটিতে মতবিনিময় করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।দুই উপদেষ্টা রাঙ্গামাটির বার্গী লেক ভ্যালী থেকে শুভলং ঝর্ণা, শুভলং বাজার হয়ে রাঙ্গামাটি শহরের স্টেডিয়াম ঘাট পর্যন্ত স্পীড বোটে চড়ে কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁদের সহধর্মিণী, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কংকন চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  1. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সৌন্দর্য হলো পাহাড় ও কাপ্তাই লেক। এই লেক পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কাপ্তাই লেককে মৎস্য চাষের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তীরবর্তী জনগণ এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়।
    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধের কারণে পার্বত্য এলাকার জনগণের যে ক্ষতি হয়েছে, তা ভুলে গিয়ে আমাদের অপার সম্ভাবনাময় কাপ্তাই লেককে কাজে লাগাতে হবে। এই লেক স্বর্ণের মতো মূল্যবান সম্পদ, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার সকল সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রীতির বন্ধনে পাহাড়ি-বাঙালি এক হয়ে আত্ম-মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।
  2. উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা জানান, বর্তমান সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের জন্য সকল দরজা খুলে দিয়েছে। পাহাড়ি জনগণ কৃষি বিভাগের উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে, যা পরিবর্তন করতে হবে। “আমরা আর পিছিয়ে থাকতে চাই না, দেশের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত হতে চাই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিচ্ছন্নতাকে কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে : ডিসি জাহিদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু প্রশাসন বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের একার প্রচেষ্টায় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ স্লোগানে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি পরিচ্ছন্নতাকে সাময়িক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে নাগরিকদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক জানান, গত ২৫ জুলাই থেকে জেলায় ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম চলছে। প্রথম দিনে ৬ হাজার ২২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণে সরকারি অফিস ও প্রাঙ্গণ থেকে প্রায় ১৩৫ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়। আজকের অভিযানে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সের পাশাপাশি চাঁদগাঁও ও পটিয়ার বিভিন্ন স্থানেও পরিচ্ছন্নতা চালানো হয়েছে।

প্রায় ১৬ একর ৩৮ শতক জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা ‘মিনি বাংলাদেশ’ খ্যাত জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে দর্শনার্থীবান্ধব করতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো সংস্কারে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংস্কার কাজ শুরু করবে।
অভিযানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, সিএমপি কমিশনারসহ জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদউল্লাহ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।

চট্টগ্রামে বাসা থেকে হিজড়াদের ‘গুরুমা’ মৌসুমীর লাশ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিজ বাসা থেকে হিজড়া সম্প্রদায়ের এক নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর খুলশী থানার আমবাগান রেলওয়ে কলোনি সংলগ্ন হিজড়া কলোনি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার নাম মোহাম্মদ মহসীন ওরফে মৌসুমী হিজড়া। প্রাথমিকভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের। ৫২ বছরের মৌসুমী হিজড়া চট্টগ্রামে বসবাসরত হিজড়া সম্প্রদায়ের একটি গ্রুপের কাছে ‘গুরুমা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হিজড়া কমিউনিটির লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা হত্যার বিচার দাবি করে বিক্ষোভও করেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোহাম্মদ নাসিম জানালেন, মৌসুমী বাসায় একা থাকতেন। সকালে প্রতিবেশীরা ঘুম থেকে উঠে তার বাসার দরজা খোলা দেখতে পান। পরে শয়নকক্ষে বিছানার ওপর তাকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। পরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এসআই নাসিম জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মৌসুমীর গলায় গুরুতর জখমের চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জানা গেছে, মৌসুমীর বাসার পেছনে একটি গরুর খামার আছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) খামারের একটি গরু বিক্রি করা হয়। গরু বিক্রির টাকা তার কাছে ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। ওই টাকা ও তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে গরু বিক্রির টাকা লুটের জন্যই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে প্রতিবেশী কয়েকজন জানিয়েছেন, রাত প্রায় ২টা পর্যন্ত মৌসুমী তাদের সঙ্গে গল্প করেন। এরপর তিনি ঘুমাতে যান। পাশের কক্ষের বাসিন্দারা তার বাসার সামনে এক জোড়া জুতা দেখতে পান। ভোররাতের দিকে ওই বাসা থেকে বাকবিতণ্ডার শব্দও শুনতে পান তারা। তবে কলোনির কারও সঙ্গে কথা বলছেন মনে করে তারা বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। সকাল ১০টা পর্যন্ত মৌসুমী ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীরা তাকে ডাকতে যান। এ সময় তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম জানিয়েছেন, নিহত মৌসুমী হিজড়া সম্প্রদায়ের একজন নেতা ছিলেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানান।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ