আজঃ বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের পেমেন্ট পদ্ধতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  দেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্র বন্দর-চট্টগ্রাম বন্দরের পেমেন্ট পদ্ধতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের (ইবিএল) পারস্পরিক সহযোগিতায় বন্দরে চালু হয়েছে এপিআই প্রযুক্তিভিত্তিক সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ও নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি।

    গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরের তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে নতুন এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন।
    অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এই উদ্যোগকে স্মার্ট এবং দক্ষ আগামীর যাত্রায় একটি সাহসী এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরে ডিজিটাল গভর্নেন্স বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে। ফলে বন্দরের পেমেন্ট পদ্ধতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
    উপদেষ্টা বলেন, নতুন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকরা যেকোন স্থান থেকে ভ্যাট, এআইটি, ওয়েলফেয়ার চার্জসহ অন্যান্য পেমেন্ট সহজেই সম্পন্ন করতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেমেন্ট কনফার্মেশন লাভ করবেন। অডিটের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। সর্বোপরি বন্দরের জট এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাস পাবে। টার্ন-এরাউন্ড সময় কমে আসবে। দীর্ঘসূত্রিতার অবসান ঘটবে।
    অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির সফল প্রবর্তন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের কার্যকর সহযোগিতার প্রমাণ। উদ্ভাবন, স্বচ্ছতা এবং সেবার ক্ষেত্রে উৎকর্ষতা অর্জনে এটি একটি অভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। আমি অধিকতর দক্ষতা অর্জনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। যা একটি স্মার্ট ও ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত নগরী বিনির্মাণে আমাদের ভিশনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, আমাদের বর্তমান পেমেন্ট পদ্ধতি যথেষ্ট দক্ষ হলেও তা মূলত ম্যানুয়াল পদ্ধতি নির্ভর। ইস্টার্ন ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমরা একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়, সুরক্ষিত এবং স্বচ্ছ পেমেন্ট কাঠামো উপহার দিতে পেরেছি।
    ইবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার জানান, বাংলাদেশের সমুদ্রপথ বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দর মেরুদণ্ড স্বরূপ। ইবিএল-পাওয়ার্ড প্ল্যাটফর্মটি ডিজিটাল ভবিষ্যতে প্রবেশের ক্ষেত্রে একটি সাহসী পদক্ষেপ। এটা শুধুমাত্র সিস্টেম আপগ্রেডই নয়, বরং রাজস্ব আদায় এবং সেবা প্রদানে নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি।
    অনুষ্ঠানে ইবিএলের পক্ষ থেকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ শাহীন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিওও ওসমান এরশাদ ফয়েজ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং কর্পোরেট ব্যাংকিং প্রধান রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ট্রেজারি বিভাগ প্রধান মেহদী জামান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রিটেইল ও এসএমই ব্যাংকিং প্রধান এম. খোরশেদ আনোয়ার, ট্রানজেকশন ব্যাংকিং প্রধান মো. জাবেদুল আলম, ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবা বিভাগ প্রধান আহসান উল্লাহ চৌধুরী এবং কম্যুনিকেশন্স ও এক্সটার্নাল এফেয়ার্স বিভাগ প্রধান জিয়াউল করিম প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সদস্যরা।মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি দুপুরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের দুই সদস্য অংশ নেন।

মতবিনিময়কালে চট্টগ্রামের মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক পরিবেশ, ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের প্রস্তুতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং সামগ্রিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।মতবিনিময়ে উভয় পক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনছুর, প্রচার ও প্রকাশ সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ আজাদ।

পাবনার সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৮৯তম ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৮৯তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা মেতেছিল নিজেদের ক্রীড়ানৈপুণ্য দেখানোর উৎসবে। সেই সঙ্গে দিনটি ছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসের উপলক্ষ।

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এ ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভিন্নধর্মী নানা আয়োজনে সাজানো হয়েছিল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করে। বিদ্যালয়ের বিশাল মাঠ সাজানো হয়েছিল সুন্দরভাবে। খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দর্শকদের আনন্দে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

এছাড়াও ৫৪তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা সমিতির শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা ও পাবনা জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে‌র সিনিয়র প্রভাষক মোঃ লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ শওকত রেজা।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আনন্দে উপভোগ করেন দর্শকেরা। বিকেলে প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। ক্রীড়া পরিচালনায় ছিলেন সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে‌র ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ হেদায়েতুল্লাহ।

সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে‌র অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ শওকত রেজা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যে বলেন, ‘ভবিষ্যৎ খেলোয়াড় তৈরি করতে দরকার ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত চর্চা। এর ফলে শিশুরা মনের দিক থেকে চাঙা থাকার পাশাপাশি মাঠে এসে খেলার কারণে শারীরিকভাবেও ফিট থাকবে। সার্বিকভাবে, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য এক আনন্দময় ও স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে।’

আলোচিত খবর

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Oplus_131072

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গণভবনে তৈরি করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

Oplus_131072

রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন তিনি।


রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ছবি: পিআইডি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ