আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম পেট্টোলিয়াম খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল: বিপিসি চেয়ারম্যান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকার এর সচিব মো.আমিন উল আহসান বলেছেন, বাংলাদেশে জ্বালানী নিরাপত্তার প্রথম সুত্র হল পেট্টোলিয়াম সেক্টর। জ্বালানীর জন্য বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পেট্রোলিয়াম এর উপর নির্ভরশীল।

বাংলাদেশে পেট্রোলিয়ামের পাশাপাশি মাইনিং এর পরিধি অনেক বিস্তৃত। আমাদের অবশ্যই দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে। চট্টগ্রাম পেট্রোলিয়াম খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। তাই চুয়েট এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা মনে করি। শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের ভিশন ঠিক করে এর জন্য কাজ করতে হবে। কঠোর অধ্যবসায় ও চেষ্টা করলে সফলতা পাওয়া যাবে।

আমাদের অনেক ধরণের সমস্যা রয়েছে আর সেগুলোর সমাধানে এক্সপার্ট দরকার। আমি আশা করি চুয়েট থেকে এমন এক্সপার্ট তৈরি হবে। আমি প্রত্যাশা করি দেশের পেট্রোলিয়াম খাতে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিবে এবং দেশের উন্নয়নে তারা ভূমিকা রাখবে।

বুধবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পেট্ট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে গেষ্ট অব অনার ছিলেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া, এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শহীদুল আলম, পদ্মা অয়েল পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মফিজুর রহমান, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ শাহিরুল হাসান, ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শরীফ হাসনাত, এলপি গ্যাস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ইউসুফ হোসেন ভূঁইয়া, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কুদরত-ই-ইলাহী, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম।

পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এর সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মিজানুর রহমান। এতে সঞ্চালনা করেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাদিয়া মাহজাবিন ও পিএমই বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরাআন তিলাওয়াত করেন চুয়েট এর স্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হামিদ উল্লাহ।

গেষ্ট অব অনার এর বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, বর্তমান বিশ্বের শক্তি ও সম্পদের টেকসই ব্যবহারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও দক্ষ ভবিষ্যৎ নির্মান করতে হবে। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয় বরং পুরো মানবজাতির জন্য কল্যাণকর। আমি আশা করি যাতে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা শুধু দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারই নয় বরং এর সাথে গবেষক, উদ্ভাবক ও মানবিক নেতৃত্বের ধারক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। এজন্য আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রসঙ্গত, এই সেমিনারের মাধ্যমে তেল ও গ্যাস সম্পর্কিত কোম্পানিগুলোর সাথে পিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ স্থাপন ও তাদের কাজের পরিধি সম্পর্কে জানা বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, কোম্পানি গুলোর পিএমই গ্র্যাজুয়েট নিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহী করে একটি ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন তৈরি করতেই আমাদের এই সেমিনারটি আয়োজন করা হয়েছে। এসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং বিভিন্ন কোম্পানির সাথে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

বোয়ালখালীতে অবৈধ ব্রিজ নির্মাণ বন্ধ করলেন ইউএনও।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কসকবাজার আরকান সড়কের বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী ফুলতলার দক্ষিণ পাশে রায়খালী খালের ওপর অবৈধভাবে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালের ওপর অনুমোদনহীনভাবে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার ও ভয়াবহ বন্যা সহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে একই সাথে চাষবাদ ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অবৈধ ব্রিজ নির্মাণের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন ।

পরিদর্শনকালে তারা খালের ওপর অবৈধভাবে ব্রিজ নির্মাণের সত্যতা পান। এ সময় খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নির্মাণকাজের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে সোমবারের মধ্যে নির্মাণাধীন ব্রিজটি অপসারণ বা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন প্রশাসন ।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা প্রতিপালন না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ