আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম পেট্টোলিয়াম খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল: বিপিসি চেয়ারম্যান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকার এর সচিব মো.আমিন উল আহসান বলেছেন, বাংলাদেশে জ্বালানী নিরাপত্তার প্রথম সুত্র হল পেট্টোলিয়াম সেক্টর। জ্বালানীর জন্য বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পেট্রোলিয়াম এর উপর নির্ভরশীল।

বাংলাদেশে পেট্রোলিয়ামের পাশাপাশি মাইনিং এর পরিধি অনেক বিস্তৃত। আমাদের অবশ্যই দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে। চট্টগ্রাম পেট্রোলিয়াম খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। তাই চুয়েট এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা মনে করি। শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের ভিশন ঠিক করে এর জন্য কাজ করতে হবে। কঠোর অধ্যবসায় ও চেষ্টা করলে সফলতা পাওয়া যাবে।

আমাদের অনেক ধরণের সমস্যা রয়েছে আর সেগুলোর সমাধানে এক্সপার্ট দরকার। আমি আশা করি চুয়েট থেকে এমন এক্সপার্ট তৈরি হবে। আমি প্রত্যাশা করি দেশের পেট্রোলিয়াম খাতে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিবে এবং দেশের উন্নয়নে তারা ভূমিকা রাখবে।

বুধবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পেট্ট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে গেষ্ট অব অনার ছিলেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া, এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শহীদুল আলম, পদ্মা অয়েল পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মফিজুর রহমান, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ শাহিরুল হাসান, ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শরীফ হাসনাত, এলপি গ্যাস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ইউসুফ হোসেন ভূঁইয়া, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কুদরত-ই-ইলাহী, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম।

পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এর সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মিজানুর রহমান। এতে সঞ্চালনা করেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাদিয়া মাহজাবিন ও পিএমই বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরাআন তিলাওয়াত করেন চুয়েট এর স্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হামিদ উল্লাহ।

গেষ্ট অব অনার এর বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, বর্তমান বিশ্বের শক্তি ও সম্পদের টেকসই ব্যবহারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও দক্ষ ভবিষ্যৎ নির্মান করতে হবে। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয় বরং পুরো মানবজাতির জন্য কল্যাণকর। আমি আশা করি যাতে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা শুধু দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারই নয় বরং এর সাথে গবেষক, উদ্ভাবক ও মানবিক নেতৃত্বের ধারক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। এজন্য আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রসঙ্গত, এই সেমিনারের মাধ্যমে তেল ও গ্যাস সম্পর্কিত কোম্পানিগুলোর সাথে পিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ স্থাপন ও তাদের কাজের পরিধি সম্পর্কে জানা বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, কোম্পানি গুলোর পিএমই গ্র্যাজুয়েট নিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহী করে একটি ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন তৈরি করতেই আমাদের এই সেমিনারটি আয়োজন করা হয়েছে। এসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং বিভিন্ন কোম্পানির সাথে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে এবং বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় পুরো ক্যাম্পাস এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে এবং আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় ঐতিহ্যচর্চা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম।

বসন্তের উজ্জ্বল রঙে সেজে ওঠা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। হরেক রকম পিঠাপুলির স্টল এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আমাদের গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ