আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম পেট্টোলিয়াম খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল: বিপিসি চেয়ারম্যান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকার এর সচিব মো.আমিন উল আহসান বলেছেন, বাংলাদেশে জ্বালানী নিরাপত্তার প্রথম সুত্র হল পেট্টোলিয়াম সেক্টর। জ্বালানীর জন্য বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পেট্রোলিয়াম এর উপর নির্ভরশীল।

বাংলাদেশে পেট্রোলিয়ামের পাশাপাশি মাইনিং এর পরিধি অনেক বিস্তৃত। আমাদের অবশ্যই দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে। চট্টগ্রাম পেট্রোলিয়াম খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। তাই চুয়েট এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা মনে করি। শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের ভিশন ঠিক করে এর জন্য কাজ করতে হবে। কঠোর অধ্যবসায় ও চেষ্টা করলে সফলতা পাওয়া যাবে।

আমাদের অনেক ধরণের সমস্যা রয়েছে আর সেগুলোর সমাধানে এক্সপার্ট দরকার। আমি আশা করি চুয়েট থেকে এমন এক্সপার্ট তৈরি হবে। আমি প্রত্যাশা করি দেশের পেট্রোলিয়াম খাতে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিবে এবং দেশের উন্নয়নে তারা ভূমিকা রাখবে।

বুধবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পেট্ট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে গেষ্ট অব অনার ছিলেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া, এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শহীদুল আলম, পদ্মা অয়েল পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মফিজুর রহমান, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ শাহিরুল হাসান, ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শরীফ হাসনাত, এলপি গ্যাস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ইউসুফ হোসেন ভূঁইয়া, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কুদরত-ই-ইলাহী, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম।

পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এর সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ মিজানুর রহমান। এতে সঞ্চালনা করেন পিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাদিয়া মাহজাবিন ও পিএমই বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরাআন তিলাওয়াত করেন চুয়েট এর স্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা হামিদ উল্লাহ।

গেষ্ট অব অনার এর বক্তব্যে চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, বর্তমান বিশ্বের শক্তি ও সম্পদের টেকসই ব্যবহারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও দক্ষ ভবিষ্যৎ নির্মান করতে হবে। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয় বরং পুরো মানবজাতির জন্য কল্যাণকর। আমি আশা করি যাতে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা শুধু দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারই নয় বরং এর সাথে গবেষক, উদ্ভাবক ও মানবিক নেতৃত্বের ধারক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। এজন্য আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রসঙ্গত, এই সেমিনারের মাধ্যমে তেল ও গ্যাস সম্পর্কিত কোম্পানিগুলোর সাথে পিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ স্থাপন ও তাদের কাজের পরিধি সম্পর্কে জানা বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, কোম্পানি গুলোর পিএমই গ্র্যাজুয়েট নিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহী করে একটি ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন তৈরি করতেই আমাদের এই সেমিনারটি আয়োজন করা হয়েছে। এসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং বিভিন্ন কোম্পানির সাথে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ