আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬

পটিয়ায় সাংবাদিকদের সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন।

চট্টগ্রাম (পটিয়া) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা, সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন এবং সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবিতে পটিয়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পটিয়া প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে থানার মোড় চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিউল আলম মাস্টারের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, দক্ষিণ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ডা. এমদাদুল হাসান, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী সিরাজ উল্লাহ, পরিবেশক সমিতির সাবেক সভাপতি এসএম হারুনুর রশিদ,

ভাটিখাইন উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি আশিকুল মোস্তফা তাইফু, সচেতন নাগরিক কামরুল ইসলাম, পৌর এলডিপির সভাপতি গাজী আমির, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা মো. তারেক রহমান, যুব অধিকার পরিষদের উপজেলা সভাপতি আরাফাত, ইসলামী আন্দোলন পৌর সভাপতি সোহারাব হোসেন ইমন, যুবদল নেতা নাজমুল হোসেন, ইনসানিয়াত বিপ্লব ছাত্র ফ্রন্টের সেক্রেটারি সজিব মোকাররম, পটিয়া পশ্চিম শিবির সভাপতি মো. জিহান, ব্যাংকার আজিজুল ইসলাম , সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিকাশ চৌধুরী, আনম সেলিম, মোরশেদ আলম, জাবের বিন রহমান আরজু, মহিউদ্দিন চৌধুরী, রনি কান্তি দেব, শহিদুল ইসলাম, ওসমান গনি, টিপু, আরাফাত হোসেন, মো. তারেক, গিয়াস উদ্দিন, সঞ্জয় সেন, আশিকুল ইসলাম, ইমরান হোসেন মুন্না, মোঃ মাছুম আকবরী আকাশ, রাশেদুল ইসলাম, রাশেদ চৌধুরী, তানভির রহমান, আরমান।

ইদ্রিস মিয়া বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড শুধু ব্যক্তিকে নয়, পুরো গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রকে আঘাত করে। দেশে মুক্ত সাংবাদিকতা টিকিয়ে রাখতে হলে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।”

ডা. এমদাদুল হাসান বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা প্রমাণ করে দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ভয়াবহভাবে সংকুচিত। সাংবাদিকরা নিরাপদ না থাকলে জনগণের কণ্ঠস্বরও নিরাপদ থাকে না।”

বক্তারা আরও বলেন, তুহিন হত্যাকাণ্ড গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিক নির্যাতন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর হুমকি। তারা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন দ্রুত প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, সকালে বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক এর সভাপতিত্বে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জহির উদ্দিন ভূঁইয়া সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী ইউসিসি (বিআরডিবি) র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নুরুন্নবী চৌধুরী।আহলা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান। পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব ইউসুফ চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ এম কামাল উদ্দিন।

সভায় সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় দিবসটি আগামী ৬ জুলাই সোমবার সকাল ১১টায় যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাঈম হাসান, উপজেলা সমবায় অফিসার মো. রাসেল চৌধুরী, উপজেলা স প্রা শিক্ষা অফিসার শিবলু দাশ, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাসান চৌধুরীসহবিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সমবায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিক অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মী।

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে গহীন পাহাড় থেকে মানব কঙ্কাল উদ্ধার, চাঞ্চল্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে ২৮০ নম্বর আলীক্ষ্যং মৌজার হাতির ডেরা এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদ পুতনের একাশি বাগান সংলগ্ন জঙ্গল এলাকায় একটি মাথার খুলি ও মানবদেহের হাড় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে আলীক্ষ্যং পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কঙ্কালটি উদ্ধার করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি মাথার খুলি, পায়ের হাড়ের অংশ, একটি ব্যাগ এবং ব্যাগের ভেতর থাকা একটি টুথব্রাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কঙ্কালটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। কঙ্কালের অবস্থা দেখে তাদের ধারণা, ঘটনাটি প্রায় ছয় মাস আগের।

এ বিষয়ে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মো. মনজুর আহসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করেছি। কঙ্কালটি ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, উদ্ধার হওয়া কঙ্কালের পরিচয় শনাক্তে আমরা কাজ করছি। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া আলামতগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের স্বার্থে সব দিক বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কঙ্কালটির পরিচয়, মৃত্যুর সময়কাল এবং মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিলেও পুলিশ বলছে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ