জুলাই অভ্যুত্থানে বড় অবদান ছিল শিক্ষার্থীদের : ইসরাফিল খসরু।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বড় অবদান ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটি সদস্য ইসরাফিল খসরু চৌধুরী। তিনি বলেছেন, যাদেরকে আমরা তরুণ বলি, তাদের সংখ্যা ৪ কোটি ৬০ লাখ। অলমোস্ট পপুলেশনের ৩০ পার্সেন্ট।
তোমাদের বাইরে রেখে রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব নয়। তোমাদেরকে নিয়ে রাষ্ট্র গঠন করতে হবে। এটি হলো বাংলাদেশের বাস্তবতা। কাজেই নিজেদের শক্তিটাকে আগে বুঝতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে অনেকের কন্ট্রিবিউশনের কথা বলি, কিন্তু স্কুল শিক্ষার্থীদের কথা বলি না। তাদের একটা বড় অবদান ছিল। তারা মাঠে নেমেছিল’। বৃহস্পতিবার সকালে নগরের থিয়েটার ইন্সটিটিউটে মার্কস দৃষ্টি ডিবেট চ্যাম্পিয়নশীপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মার্কস দৃষ্টি ডিবেট চ্যাম্পিয়নশীপ উদ্বোধন করেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক। দৃষ্টি চট্টগ্রামের সভাপতি সাইফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সিপিডিএল ফ্যামিলির সভাপতি প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন, দৃষ্টি চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ বকুল, চট্টগ্রাম জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য বৃজেট ডায়েস। প্রতিযোগিতায় সারাদেশের ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রামের ৩২টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে।
ইসরাফিল খসরু চৌধুরী বলেন, কনফিডেন্ট থাকতে হবে। একটা মেধাভিত্তিক সমাজ যদি গঠন করতে হয়, তার পূর্বশর্ত হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। নিজের কথাটা বলার স্বাধীনতা। যেটা ১৫ বছর আমাদের ছিল না। ছিল না দেখেই জুলাই অভ্যুত্থান ঘটেছে। বাংলাদেশের সকল স্তরের জনগণ মিলে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়েছে, যেখানে তোমাদের কন্ট্রিবিউশন ছিল। কাজেই মত প্রকাশের স্বাধীনতা একটা ফান্ডামেন্টাল প্রিন্সিপাল। মত প্রকাশের ভাল একটি মাধ্যম হল ডিবেট বা বিতর্ক। যে সমাজে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নাই সেই সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না। সমাজিক বিকাশ ও সাংস্কৃতিক বিকাশ ঘটাতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে।
বিতর্কের দুটি ফাউন্ডেশন আছে জানিয়ে ইসরাফিল খসরু চৌধুরী বলেন, একটি হলো যুক্তি, বিতর্কের মধ্যে যুক্তি থাকতে হবে। যুক্তি ছাড়া তো বিতর্ক হবে না। আরেকটি হল অন্যের মতের প্রতি সম্মান। ৫ আগস্টের পরে তরুণদের আমি উপদেশ দিই না। তাদের থেকে উপদেশ নিই। কারণ ৫ আগস্ট তরুণরা দেখিয়ে দিয়েছে তারা কী করতে পারে। কিন্তু কিছু কিছু কথা আমি বলি আমার এক্সপেরিয়েন্স থেকে। আমাদের যদি সাকসেসফুল হতে হয় প্রথমে একটা জিনিস থাকতে হবে। সেটি হল সহমর্মিতা। অন্যদের সমস্যাটা বুঝতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমি যদি নিজের সমস্যা বুঝে অন্যের সমস্যা বুঝতে না পারি, আমি কিন্তু সুন্দর সমাজ গঠন করতে পারব না। আমি যে প্রফেশনে থাকি অন্যের সমস্যা আমাকে বুঝতে হবে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে, বলতে হবে কম, শুনতে হবে বেশি। তৃতীয়ত ধৈর্য থাকতে হবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরতে হবে। ধৈর্য থাকা খুব জরুরি। চতুর্থ হল- দেশপ্রেম। নিজের দেশকে যদি ভালবাসেন এই তিনটি জিনিস অটোমেটিক চলে আসবে। আরেকটি জিনিস হলো, পরিকল্পনা থাকতে হবে। যাতে কাজগুলো সুন্দরভাবে করা যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও

সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ